admin

admin

নিজের কাছে ফেরা – সাদাত হোসাইন।

আমার একদিন সব হবে - সাদাত হোসাইন

কতকাল ভালোবাসা হয় না নিজেকে! অথচ যে মানুষটা উধাও হলো একলা রেখে,তার জন্য বুকের ভেতর কান্না জমে,রাত্রি জানে ঘুম জমে না চোখের পাতায়, যন্ত্রণাতে! কই, এই আমি তো আমায় ছেড়ে যাই নি কোথাও।দুঃখ দিই নি! ওই যে মানুষ দুঃখ দিল,…

শানানো ছুরির নিচে – অসীম সাহা।

যদি রাজদণ্ড দাও - অসীম সাহা।

কসাইখানায় একটি অসহায় পশুর ঝুলন্ত লাশঝর্নার মতো বয়ে যাচ্ছে হিমরক্ত-বরফের মতো জমাট-বাঁধা;সে তাকিয়ে আছে পৃথিবীর দিকে।তার দুটি সকরুণ চোখে ভাষাহীন অব্যক্ত জিজ্ঞাসা,যেন তার দেহ স্পর্শ করলেই জীবনের স্বাভাবিক উত্তাপ টগবগ করে উঠবে;যেন চোখ থেকে ঠিক্রে পড়বে চকিত-বিদ্যুৎ। কারো বিরুদ্ধে কি…

সংগ্রাম চলবেই – সিকান্দার আবু জাফর।

জ্যোৎস্নায় কারা রাইফেল কাঁধে - নবারুণ ভট্টাচার্য

জনতার সংগ্রাম চলবেই,আমাদের সংগ্রাম চলবেইজনতার সংগ্রাম চলবেই। হতমানে অপমানে নয়, সম্মুখে সম্মানেবাঁচবার অধিকার কাড়তেদাস্যের নির্মোক কাড়তেঅগণিত মানুষের প্রাণপণ যুদ্ধচলবেই চলবেই,জনতার সংগ্রাম চলবেইআমাদের সংগ্রাম চলবেই। প্রতারণা প্রলোভন প্রলেপেহোক না আঁধার নিচ্ছিদ্রআমরা তো সময়ের সারথীনিশিদিন কাটাবো বিনিদ্র। দিয়েছি তো শান্তি আরো দেব…

শাঁওলি মিত্রর জন্য – কবিতা সিংহ।

শুধু তোমার জন্য - নির্মলেন্দু গুণ

এখনো সবুজ আভা লেগে আছেবড় শাদা উঠে গেছে পুষ্পঝাড়রজনীগন্ধার গাঢ় কুঁড়িবহু কুঁড়ি থোপা থোপা এখনো অস্ফুটপাপড়ির কুলুপে কুলুপনাকি স্তুপ , সুন্দরী বারুদ , নাকি জলদাহ্য জল অবিশ্বাস্য জলে জলে ঘর্ষণেআগুননা কি দ্রোণপৃষ্ঠ তূণ ?সন্ধানে অভ্রান্ত কার জুড়ে জুড়েক্রমে পর পরভিতর…

এত অন্ধকার – আরণ‍্যক বসু।

পৃথিবী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(“দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে এসেছে আমার দ্বারে”) তোমার মাটিতে নেই বাউলের গান ?দাপট দেখছি শুধু কুৎসার !আগুন-খেলায় মত্ত অসহিষ্ণুতাই ,শুধু অন্ধকার , কবি , শুধু অন্ধকার? দিনান্তের খেলাঘরে অমল ও সুধা,তোমাকে ডাকছে হাহাকারে;তোমার শঙ্খ আজও ধুলোতেই পড়ে ?গাঢ় অন্ধকারে…

তিনি এবং আমি – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

রবীন্দ্রনাথ - শহীদ কাদরী

রবীন্দ্রনাথকে তুমি বুকে জড়িয়ে বসে আছোজানলার ধারেআমি কি কেউ না?আমি গরিব ইস্কুল মাস্টারের ছেলে দাঁড়িয়ে আছি রাস্তায় হাঁ করেজলকাচা ধুতির ওপর পেঁজা শার্ট পরে, পায়ে রবারের স্যান্ডেলআমার কোনো জ্যোতিদাদা ছিল না, পিয়ানো-অর্গান শুনিনিসাত জন্মেআমার বাবা কোনো দিন শিলং পাহাড়ে যান…

আপনি এসেছিলেন রবীন্দ্রনাথ – আরণ্যক বসু।

পৃথিবী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আপনার না থাকার যে অনিবার্য বিপন্নতা,সে তো আমাদের সামাজিক আকাশ ছেয়ে থাকে।পঁচিশের জুই ও রজনীগন্ধা প্রতিদিনের থেকে অন্য কোনোপাগল করা সুবাতাস বয়ে আনে ভোর থেকে সকালে। তীব্র গ্রীষ্ম দুপুরটুকু কোনমতে পার হয়ে,যে মুহূর্তে শান্ত সূর্যাস্তের অন্তিম সিঁদুরে আভা-সেই ক্ষণকালের আভাস…

রবীন্দ্রনাথ – আল মাহমুদ।

রবীন্দ্রনাথ - আল মাহমুদ

“এ কেমন অন্ধকার বঙ্গদেশ উত্থান রহিতনৈশব্দের মন্ত্রে যেন ডালে আর পাখিও বসে না।নদীগুলো দুঃখময়, নির্পতগ মাটিতে জন্মায়কেবল ব্যাঙের ছাতা, অন্যকোন শ্যামলতা নেই। বুঝি না, রবীন্দ্রনাথ কী ভেবে যে বাংলাদেশে ফেরবৃক্ষ হয়ে জন্মাবার অসম্ভব বাসনা রাখতেন।গাছ নেই নদী নেই অপুষ্পক সময়…

দুঃখের রঙ – রবিশঙ্কর মৈত্রী।

ভুল ভাঙার রহস্য - তারাপদ রায়

দুঃখকষ্ট সবারই প্রায় একইশুধু রঙে গল্পে তারা একটু আধটু আলাদা।গল্পগুলো নদীর মতো—জলের উপরে ভিন্ন ভিন্ন স্রোত, বাঁক, শব্দ,কিন্তু গভীরে নেমে গেলেসব জলের স্বাদই লবণাক্ত হয়ে ওঠে।কষ্টের ক্ষতগুলোআকাশে ঝুলে থাকা নক্ষত্রের মতো—দূর থেকে জ্বলে, সুন্দর, নির্লিপ্ত,কিন্তু কাছে গেলে বোঝা যায়ওগুলো আসলে…

কবির জবাব – আর্যতীর্থ।

কবির জবাব - আর্যতীর্থ

কাল থেকে কবিতা না লিখলে কিছু মনে করবে?কবির সাথীটি তাকালেন।দুমিনিট চুপ থাকলেন।তারপরে, ঈষৎ ব‍্যঙ্গ আর ঈষৎ সমবেদনার সাথেঅভিজ্ঞতা মিশিয়ে উত্তর দিলেন,ওটা তো সিগারেটের মতো,ক’টা দিন না লিখে ছটফট,অনতিবিলম্বে নিশ্চিত ফের লেখা ধরবে। না , যদি সত‍্যি সত‍্যিই কাল থেকে আর…