admin

admin

সত্য ফেরারী – আসাদ চৌধুরী।

সত্য ফেরারী – আসাদ চৌধুরী

সত্য ফেরারী – আসাদ চৌধুরী কবিতার সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ ও গভীর ব্যাখ্যা আসাদ চৌধুরীর কালজয়ী কবিতা “সত্য ফেরারী” আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি মাইলফলক। এই কবিতায় কবি সমকালীন সমাজে সত্যের অবস্থান নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা ও সমাজবীক্ষণ উপস্থাপন করেছেন। কবিতাটির প্রতিটি স্তবক জীবনের…

আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে- তারাপদ রায়।

মহান নেতৃবৃন্দ - বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

আমরা যে গাছটিকে কৃষ্ণচূড়া ভেবেছিলাম,যার উদ্দেশে ধ্রূপদী বিন্যাসে কয়েক অনুচ্ছেদপ্রশস্তি লিখেছিলামগতকাল বলাইবাবু বললেন, ‘ঐটি বানরলাঠি গাছ।’অ্যালসেশিয়ান ভেবে যে সারমেয় শাবকটিকেআমরা তিন মাস বকলস পরিয়ে মাংস খাওয়ালামক্রমশ তার খেঁকিভাব প্রকট হয়ে উঠছে। আমরা টের পাইনিআমাদের ঝরণা কলম কবে ডট্ পেন হয়ে…

মা আসবে না- বিভাস রায়চৌধুরী।

মা- বীথি চট্টোপাধ্যায়।

মায়ের বাড়িতে থাকে বাবার মলিন ছবিভাঙা টালি, লাউলতা, ঝড়…মাঝেমাঝে যাই।ঘুরঘুর করি।আমার নতুন বাড়ি মা-কে আনতে চাই,মা আসবে না… মেয়েকে আদর করে মা শুধু ফোঁপায়।বাবা নেই … আমগাছ নেই…বন্যায় বকুল গাছ মৃত…যে-কোনও সীমান্তে তারা জানিমা-কে পাহারাটি দিত।মা এখন শূন্যতার জাদু নিয়ে…

কালো মেয়ে – শ্বেতা চক্রবর্তী।

তুমি বলেছিলে - শামসুর রাহমান।

গোটা দেশ তোমায় বলেছিল,এই গায়ের রঙে চলবে না,বলেছিল মাসিমা,কাকিমা,পিসিমা,এমনকি তোমার মা,তোমার বাবা; বলেছিল,’এক পোঁচ,দু পোঁচ ময়দা মেখে নে,একটু রূপটান,একটু ফর্সা না হলে মেয়েদের চলে নাকি?বাইরের হিমরাত তোমার কালো ঢাকতে পারবে না! বলেছিল সক্কলে,গায়ে কিছু জড়াও,মেয়েমানুষের অত রাগ কিসের শুনি?অমন হুটহাট…

কো জা গ রী- শ্রীজাত।

ফেরিওয়ালা - হেলাল হাফিজ।

কে জাগবে আর তোমার জন্য?অন্ধকারে, অন্তরালে?বাড়ন্ত এই জ্যোৎস্না তুমিমিশিয়ে দাও মুঠোর চালে। কাশ না ফুটুক, সবার ঘরেভাত যেন নিশ্চিন্তে ফোটেসবার পাতে রোজ অন্ততহাত রুটি আর সবজি জোটে। এ-দেশ বহু মাইলব্যাপীচাঁদের সুতোয় সেলাই করা।কাঁটাতারের রুপোজখমবাঁটোয়ারার বসুন্ধরা। আজও কেবল অন্ন একাস্থির করে…

বাবা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

বাবা বললেন,অন্ধকারে একটুখানি দাঁড়িয়ে থাক আমার জন্যমাটির তলার একটা সুড়ঙ্গে নেমে গেলেনখুব আস্তে আস্তেআকাশে প্রান্ত নির্ণয় ভুল করে ছুটে গেল একটা উল্কাবন্দরে একটাও জাহাজ নেই, রাস্তাগুলো দুলে ওঠেকী যে হলবুঝতে বুঝতেই কেটে গেল আরও উনিশটা বছরএর মধ্যে কত হুড়োহুড়ি, কত…

আমি মনে মনে যত- নির্মলেন্দু গুণ।

আমার গোপন প্রেম – নির্মলেন্দু গুণ।

আমি মনে-মনে যত পেখম ধরেছি,বাস্তবে তত ধরি নাই।আমি মনে মনে যত বিবাহ করেছিবাস্তবে তত করি নাই।। আমি মনে মনে যত সৌধ গড়েছিবাস্তবে তত গড়ি নাই।আমি বাস্তবে যত পিছিয়ে পড়েছিমনে-মনে তত পড়ি নাই।। আমি মনে-মনে যত বিশ্ব ভ্রমেছিবাস্তবে তত ভ্রমি নাই।আমি…

তখন না হয় দেখা হবে- তসলিমা নাসরিন।

অনন্ত, মেহেদী পাতা দেখেছো নিশ্চয়ই-আবুল হোসেন খোকন

তখন না হয় দেখা হবে – তসলিমা নাসরিন | বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ তসলিমা নাসরিন রচিত “তখন না হয় দেখা হবে” বাংলা সাহিত্যের একটি গভীর মর্মস্পর্শী ও অস্তিত্ববাদী কবিতা, যেখানে কবি প্রেম, মৃত্যু এবং মানবিক সম্পর্কের জটিল দ্বন্দ্বকে অত্যন্ত শিল্পিতভাবে উপস্থাপন…

ইতি,অপু- পৃথ্বীরাজ চৌধুরী।

দু-একটা সুবিধে - সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

পুলু, কেমন আছিস, ভাল?বড় তাড়াতাড়ি নিভে যাচ্ছে এই কলমের আলো।মাঘ কুয়াশার চেয়েও ঝাপসা হচ্ছে অক্ষর,কোথা দিয়ে কেটে গেল রে এতগুলো বছর?যেন রেলের চাকায় বেঁধেছিল কেউ দিনঘড়িটার কাঁটা,অনেক কষ্টে জোগাড় করেছি তোর ঠিকানাটা!এই দেখ! পরিচয়টাই দেয়া হয় নি কথায় কথায়!চিনতে পারছিস?…

দুঃখ – শামসুর রাহমান।

এক অক্ষম পিতার উক্তি - মহাদেব সাহা

আমাদের বারান্দায় ঘরের চৌকাঠেকড়িকাঠে চেয়ারে টেবিলে আর খাটেদুঃখ তার লেখে নাম। ছাদের কার্নিশ, খড়খড়িফ্রেমের বার্নিশ আর মেঝের ধুলোয়দুঃখ তার আঁকে চকখড়িএবং বুলোয়তুলি বাঁশি-বাজা আমাদের এই নাটে।আমাদের একরত্তি উঠোনের কোণেউড়ে-আসা চৈত্রের পাতায়পাণ্ডুলিপি বই ছেঁড়া মলিন খাতায়গ্রীষ্মের দুপুরে ঢকঢক্জল-খাওয়া কুঁজোয় গেলাশে, শীত-ঠকঠকরাত্রির…