admin

admin

কুসংস্কার – সালমান হাবীব।

চক্রবৃদ্ধি দূরত্ব - সালমান হাবীব

আমি ভাবতাম; একে অন্যের সাথেকথা না হলে- আমরা বোধহয় বাঁচবো না।তুমি ‘কেমন আছি’ জিজ্ঞেস না করলেভালো থাকতে ভুলে যাব। অথচ অনেকদিন পর এসে বুঝলাম; এসব ভুল।এখন দিন যায়, মাস যায়, তোমার সাথে কথা হয় না।অথচ আমি ও আমরা দিব্যি বেঁচে…

বজ্রকণ্ঠ – রবিশঙ্কর মৈত্রী।

বজ্রকণ্ঠ - রবিশঙ্কর মৈত্রী।

যে সন্তান পিতাকে সনাক্ত করতে ভয় পায়সে সন্তান অনাহুত অনাকাঙিক্ষত, জাতির শত্রু নিশ্চয়জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করবে বলেআজও তারা বসে থাকে অমাবস্যার অপেক্ষায় থাকেতাদের ঠোঁটে মিথ্যার বিষ,তাদের চোখে বিকৃত ইতিহাসের অন্ধকার।তারা আকাশ মাপতে আসে ছেঁড়া মানচিত্র নিয়ে,তারা বলে—এই মাটিতে কোনো বজ্র…

এই বা মন্দ কি – তারাপদ রায়।

এই বা মন্দ কি - তারাপদ রায়।

সারা জীবন আমি শুধু নিজেকে খুঁজেছি,সারা জীবন তুমি শুধু নিজেকে খুঁজেছো,মাঝেমধ্যে মুখোমুখি দেখা হয়ে গেছে আমাদেরকখনো আমি ভেবেছিআমি বোধহয় তোমাকেই খুঁজছিলাম।কখনো তুমি ভেবেছোতুমি বোধহয় আমাকেই খুঁজছিলে। এই রকম হেঁয়ালি ও ধাঁধা ভরা আমাদের জীবন,তার বাইরে কিছুটা ছিলো কাজকর্মফসল কাটা, পাতা…

যুদ্ধ তোমার নিজের সঙ্গে – রবিশঙ্কর মৈত্রী।

রবীন্দ্রনাথ ও আমি - রবিশঙ্কর মৈত্রী

যুদ্ধটা পরের সঙ্গে নয়যুদ্ধটা অন্য দেশের সঙ্গে নয়অস্ত্র ধরো নিজের দিকে—তুমি তো নিজেই একটি কুরুক্ষেত্রতুমি তো নিজেই মিথ্যার কুয়াশায়ঢাকা কাঁটাতার ঘেরা মানচিত্রতুমি তো নিজেই কামনার আগুনেদগ্ধ শহরতুমি তে নিজেই ক্রোধের বিস্ফোরণ।তুমি তো নিজেইলোভের ট্যাঙ্ক গর্জে ওঠো রাতেহিংসার ড্রোন ওড়াও অচেতন…

হামাগুড়ি – শঙ্খ ঘোষ।

হামাগুড়ি - শঙ্খ ঘোষ।

ঘুমটা ভেঙ্গে গেল হঠাৎ।বাইরে কি ঝড় হচ্ছে?দাপাদাপি করছে জানলার পাল্লাদুটো,মাঝে মাঝে বিজলি ঝলকাচ্ছে।ফের শুয়ে পড়তে গিয়ে সেই বিদ্যুতের ছটফটে আলোয় মনে হলঘরের মধ্যে যেন হামা দিচ্ছে কেউ।-‘কে ওখানে? কে?’হামা কোনো শব্দই করে না।উঠে আসি কাছে, আবারও জিজ্ঞেস করিঃ-‘কে আপনি? কী…

আমার নীরবতা আমার ভাষা – অমিতাভ দাশগুপ্ত।

আমার নীরবতা আমার ভাষা – অমিতাভ দাশগুপ্ত।

আমার হাতে কোনও শাবল ছিল না,বাটালিও নয়,তবু, এতদিন তিলে তিলে গড়ে তোলা দুর্গএক দুপুরের বৃষ্টিতে কীভাবে ধুয়ে গেল!আরওই বিশাল পাথুরে অবরোধ-ই যে আড়াল করে রেখেছিলহার্মাদের মত এক খ্যাপা নদী,এতকাল. তা আমি জানতেও পারিনি।সেই অর্গলহীন সজলসারাদিন, সারারাত আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে।ওই…

আবহমান – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

নিজের বাড়ি - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

যা গিয়ে ওই উঠানে তোর দাঁড়া,লাউমাচাটার পাশে।ছোট্ট একটা ফুল দুলছে, ফুল দুলছে, ফুলসন্ধ্যার বাতাসে। কে এইখানে এসেছিল অনেক বছর আগে,কেউ এইখানে ঘর বেঁধেছে নিবিড় অনুরাগে।কে এইখানে হারিয়ে গিয়েও আবার ফিরে আসে,এই মাটিকে এই হাওয়াকে আবার ভালবাসে।ফুরয় না্‌ তার কিছুই ফুরয়…

ভালোবাসি একটি কবিতার নাম – সালমান হাবীব।

মাদক - সালমান হাবীব

একদিন চিরকুটে লিখলাম-‘আমি তোমায় ভালোবাসি’।সে মনযোগী পাঠিকার ভঙ্গি নিয়েঠোঁট বাঁকিয়ে বললো; ‘কবিতাটি সুন্দর, লিখে যাও’। একরাতে বুকে ব্যথা হলো খুব!আমি ডেকে বললাম; ‘আমার বুকে অসুখ’।লোকজন বললো; ‘এমনটা হওয়া ভালো,এগুলো কবিতার রসদ’। অথচ সেদিন আমি কবি নইপ্রেমিক হতে চেয়েছিলাম।চেয়েছিলাম। সে রাতের…

নচিকেতা – বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

কথা ছিলো সুবিনয় - রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

কেন ফিরে আস বারবার?স্মৃতির তুষার থেকে কেঁদে এসে শীতের তুষারকেন হেঁটে পার হতে চাও?এমন নির্জন রাতে যেই ভয়ে নক্ষত্র উধাওঅনন্ত আকাশ থেকে, সে নির্মম মেঘের কুয়াশাকোন সুখে বুকে টান? এ নরকে কিসের প্রত্যাশা? তুমি কি জান না; যারা আসেআকণ্ঠ পিপাসা…

কবি নামের চামচা – অসীম সাহা।

যদি রাজদণ্ড দাও - অসীম সাহা।

কবি নামের চামচা আছেগলায় তাদের গামছা আছেকবি আছে নানান রকমফের;আমলা দেখে হাত কচলায়তেল মারে আর মাছ খচলায়দুই আনাতে কবি বিকোয় ঢের! অকবিদের কবি বানায়তাদের কি আর কবি মানায়?দামড়া কিছু কবি আছেতাদের বুকে ছবি আছেবলতে পারো সে-সব ছবি কাদের?গুলশানেতে বাড়ি আছেসাপ্লাইয়ের…