রম্য ও ব্যাঙ্গাত্মক কবিতা।

হাসি আর তির্যক ব্যঙ্গ— একই সূত্রে গাঁথা। রম্য কবিতা যেখানে হাসায়, ব্যঙ্গাত্মক কবিতা সেখানে শাণিত তীরের মতো বিদ্ধ করে সমাজের অসঙ্গতিকে। কিন্তু এই দুইয়ের মাঝে আছে আরেক ধারা— সিরিয়াস বিষয়বস্তুকেও ব্যঙ্গের ছলে উপস্থাপন করা, যেখানে হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে গভীর বেদনা, তীব্র ক্ষোভ আর তিক্ত সত্য। এই ক্যাটাগরিতে সংকলিত হয়েছে দুই বাংলার কবিদের লেখা সেই সব কবিতা— যা রম্যরসে ভরা, আবার কোথাও কোথাও ব্যঙ্গের শাণিত আঘাতে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক অসঙ্গতিকে চিহ্নিত করে।
সুকুমার রায়ের ‘আবোল তাবোল’ যেমন শিশু-কিশোরদের হাসায়, তেমনি তার ‘লিচুচোরের গল্প’ বা ‘হযবরল’-এর অজগর আসছে তে লুকিয়ে আছে সমাজের নানা অসঙ্গতির প্রতি ইঙ্গিত। সুনির্মল বসুর ছড়ায় গ্রামীণ রসবোধ যেমন আছে, তেমনি আছে সমাজের উচ্চবর্গের প্রতি ক্ষীণ ব্যঙ্গ। শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতায় সিরিয়াস বিষয়বস্তুও ব্যঙ্গের ছলে উপস্থাপিত হয়েছে বারবার। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের বিদ্রুপ, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর নাগরিক ব্যঙ্গ, নির্মলেন্দু গুণের রাজনৈতিক প্রহসন— সব মিলিয়ে এই ক্যাটাগরি হয়ে উঠেছে রম্য-ব্যঙ্গের এক বিশাল আঙিনা।
এখানে শুধু হাসির কবিতা নয়, আছে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গের কবিতা। আছে সিরিয়াস বিষয়বস্তুকে ব্যঙ্গের আবরণে উপস্থাপনের নানা শিল্পিত প্রয়াস। যুদ্ধ, দারিদ্র্য, প্রেম-বিচ্ছেদ, মৃত্যু— এমনকি মৃত্যুকে নিয়েও লেখা হয়েছে ব্যঙ্গাত্মক কবিতা, যা পড়লে একই সঙ্গে হাসি পায় আর মন কেঁদে ওঠে। ব্যঙ্গ মানেই হালকা নয়, ব্যঙ্গ হতে পারে গভীর দর্শনের বাহন।
যারা শুধু হাসতে চান, যারা সমাজের অসঙ্গতি নিয়ে ভাবতে চান, যারা ব্যঙ্গের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সিরিয়াস বার্তা খুঁজে বেড়ান— তাদের জন্যই এই ক্যাটাগরি। রম্যের হাসি আর ব্যঙ্গের তীর— দুই-ই মিলে এক অনন্য কবিতার জগৎ তৈরি করেছে এখানে।

সকলের গান - সুভাষ মুখোপাধ্যায়

এজেণ্ট আবশ্যক – সুভাষ মুখোপাধ্যায়।

আপনি দাঁড়াবেন? আপনি দাঁড়াতে চান?আপনি দাঁড়াতে পারেন? তাহলে চোখ বুঁজে এখুনি কিনে নিনএকজোড়াপদ্মলোচন চশমা। এ…

সম্পুর্ণ পড়ুন এজেণ্ট আবশ্যক – সুভাষ মুখোপাধ্যায়।
তিনটি প্রশ্ন - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ডানাওলা কবিতা – নবারুণ ভট্টাচার্য।

বাতাসে টাকা উড়ছেতুমি ভাবলে প্রজাপতিএবং লিখে ফেললেএকটি হালকা, রঙিন কবিতা আকাশে উড়ছে যুদ্ধবিমানতুমি ভাবলে পাখির…

সম্পুর্ণ পড়ুন ডানাওলা কবিতা – নবারুণ ভট্টাচার্য।
নতুন পাঠক্রম - রতনতনু ঘাটী

নতুন পাঠক্রম – রতনতনু ঘাটী।

বাঘের মেয়েকে আমি হিংসা পড়ানোর দায়িত্ব পেয়েছি।বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নতুন পাঠক্রমেতাকে ভর্তি করতে চায় তার বাবা-মা।…

সম্পুর্ণ পড়ুন নতুন পাঠক্রম – রতনতনু ঘাটী।
তিনটি প্রশ্ন - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ভূত ও মানুষ – তারাপদ রায়।

জনৈক ভূত দ্বিতীয় ভূতকে জিজ্ঞাসা করল,‘আচ্ছা, তুমি মানুষ বিশ্বাস করো,তুমি মানো যে মানুষ আছে?’দ্বিতীয় ভূত…

সম্পুর্ণ পড়ুন ভূত ও মানুষ – তারাপদ রায়।
খড়ের বাছুরের মতো নারীত্ব - অবশেষ দাস

খড়ের বাছুরের মতো নারীত্ব – অবশেষ দাস।

সে দাঁড়িয়ে আছে ‌লাল পলাশের নিচে।পুরানো বটের ছায়ায়।নদীর ঘাটে। টালিগঞ্জ থেকে এসপ্লানেডমেট্রোরেলের চলমান কামড়ায় সে…

সম্পুর্ণ পড়ুন খড়ের বাছুরের মতো নারীত্ব – অবশেষ দাস।
যানবাহন নেই - নির্মলেন্দু গুণ

বলতে নেই – শুভ দাশগুপ্ত।

সব জায়গায় সব কথা বলতে নেই,পরস্ত্রীর সৌন্দর্যের কথাআর অফিসের সঠিক মাইনের কথা –নিজের বৌ কে…

সম্পুর্ণ পড়ুন বলতে নেই – শুভ দাশগুপ্ত।
আপ্যায়নী - শ্রীজাত

সাম্প্রদায়িক – মল্লিকা সেনগুপ্ত।

আমি হতেই পারি সাম্প্রদায়িকতবে রাত্রিবেলা মাথার কাছেগান শোনাতে বসেন এসেবেগম আখতারআমি হতেই পারি সাম্প্রদায়িকতবে ছোটবেলায়…

সম্পুর্ণ পড়ুন সাম্প্রদায়িক – মল্লিকা সেনগুপ্ত।
হামাগুড়ি - শঙ্খ ঘোষ।

হামাগুড়ি – শঙ্খ ঘোষ।

ঘুমটা ভেঙ্গে গেল হঠাৎ।বাইরে কি ঝড় হচ্ছে?দাপাদাপি করছে জানলার পাল্লাদুটো,মাঝে মাঝে বিজলি ঝলকাচ্ছে।ফের শুয়ে পড়তে…

সম্পুর্ণ পড়ুন হামাগুড়ি – শঙ্খ ঘোষ।
আমার কঙ্কাল - অসীম সাহা।

কবি নামের চামচা – অসীম সাহা।

কবি নামের চামচা আছেগলায় তাদের গামছা আছেকবি আছে নানান রকমফের;আমলা দেখে হাত কচলায়তেল মারে আর…

সম্পুর্ণ পড়ুন কবি নামের চামচা – অসীম সাহা।
এক অক্ষম পিতার উক্তি - মহাদেব সাহা

ভিখারি – হুমায়ুন আজাদ।

আমি বাঙালি, বড়োই গরিব। পূর্বপুরুষেরা- পিতা, পিতামহভিক্ষাই করেছে; শতাব্দী, বর্ষ, মাস, সপ্তাহ, প্রত্যহ।এমন সৌন্দর্য নেই-…

সম্পুর্ণ পড়ুন ভিখারি – হুমায়ুন আজাদ।
আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে- তারাপদ রায়

পিঠে’লজি – ভবানীপ্রসাদ মজুমদার।

পিঠে নিয়ে রিসার্চ করেপতিতপাবন শেঠ,এ বছরে’ই পাটনা থেকেপেলেন ‘ডক্টরেট’! আস্কে পিঠেয় ফোস্কা কেন,দেহে ক’শো গর্ত,কোথায়…

সম্পুর্ণ পড়ুন পিঠে’লজি – ভবানীপ্রসাদ মজুমদার।
তোমার জন্য ভাবি না - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

গুরু যা বলেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

মস্ত বড় মিরগেলটাকে বঁড়শিতে গাঁথবার জন্যেফাতনার উপরে চোখ রেখেশ্রীমন্ত সেই সকাল থেকেঘাটের রানায় বসে আছে।আসলে…

সম্পুর্ণ পড়ুন গুরু যা বলেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
মানুষ মানুষের কাঁধে - নির্মলেন্দু গুণ

আমি মনে মনে যত- নির্মলেন্দু গুণ।

আমি মনে-মনে যত পেখম ধরেছি,বাস্তবে তত ধরি নাই।আমি মনে মনে যত বিবাহ করেছিবাস্তবে তত করি…

সম্পুর্ণ পড়ুন আমি মনে মনে যত- নির্মলেন্দু গুণ।
আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে- তারাপদ রায়

পণ্ডশ্রম – শামসুর রহমান।

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।কানের খোঁজে…

সম্পুর্ণ পড়ুন পণ্ডশ্রম – শামসুর রহমান।
উলঙ্গ রাজা - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

উলঙ্গ রাজা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

সবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ, তবুওসবাই হাততালি দিচ্ছে।সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ, শাবাশ!কারও মনে সংস্কার, কারও…

সম্পুর্ণ পড়ুন উলঙ্গ রাজা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে- তারাপদ রায়

মহান নেতৃবৃন্দ – বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

তার মাথা থেকে পা পর্যন্ত “চাচাআপন বাঁচা”-র ধ্রুপদী চলচ্চিত্র ;যদিও নিজেকে সে তুলতে চায় সে…

সম্পুর্ণ পড়ুন মহান নেতৃবৃন্দ – বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।