admin

admin

হাড়ের ঘরখানি – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।

একদিন যোগ্য হবো -রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

হাড়ের ঘরখানি – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ | বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ হাড়ের ঘরখানি কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর “হাড়ের ঘরখানি” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক শক্তিশালী ও প্রতিবাদী কবিতা যা মানুষের হাড়ে-রক্তে গড়া ঘরের ভাঙন, সমাজের অবক্ষয়, স্বাধীনতার পরবর্তী হতাশা…

একুশের কবিতা – অবশেষ দাস।

বাংলা ভাষা উচ্চারিত হ’লে - শামসুর রাহমান

কাঁঠাল গাছের বরফ শীতল ছায়ার নিচে নদীহঠাৎ করে ক্লান্তিবোধে দাঁড়ায় এসে যদি ?মাদুর পেতে দিলেই নদী ঘুমন্ত এক পরীইচ্ছে করে মা ডাকি তার,একটা প্রণাম করি। নদী কোথাও দাঁড়ায় না তো, থমকে গেলেই হারেএকটা জীবন নদীর মতো থাকতে কি আর পারে…

মায়েদের কেন বয়স হয়? – রুমানা শাওন।

মনে পড়া – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

( এটি একটি ছায়া কবিতা) মায়ের ছিল লাল শাড়ির দিন,গহনায় ঝিলিক, ঠোঁটে রঙিন ছাপঝলমলে রূপে ঘর ভরতো যেন,হাসির মালায় ঢেকে রাখতো জীবনের সকল চাপ। কালের হাত ধরে মায়ের বয়স বাড়েশাড়ির লাল মিলায় গোলাপি আভায়—চুলে চাঁদ বর্ণ রূপের ছোঁয়া আঁকেচোখের তারায়…

কাঠের চেয়ার – অমিতাভ দাশগুপ্ত।

তোমার পাশে – মাকিদ হায়দার

কাঠের চেয়ারে বসে থাকতে থাকতেমানুষও একদিন কাঠ হয়ে যায়।তার পায়ের আঙুলগুলোশিকড় হয়ে চাড়িয়ে যায় মেঝের ভেতর।তার কোমর থেকেসোঁদরি, গরান, গঁদের আঠা ঝরতে ঝরতেএকদিন তাকে পুরোপুরি এঁটে ধরে তক্তার সঙ্গে।কুরকুরকুরকুরঘুনপোকা ঘুরতে থাকে তার আশির নখর,কাঠের চেয়ারে বসে থাকতে থাকতেএকদিন পুরোপুরি কাঠ…

অভিমান – সালমান হাবীব।

মাদক - সালমান হাবীব

ফ্রিজ থেকে কোকের বোতল খুলেমুখে দিতে গিয়ে দেখি;পেরিয়ে গেছে তারিখের বয়স।সকালের নাস্তার টেবিলে পাউরুটির প্যাকেটহাতে নিয়ে মা বললেন; রুটির মেয়াদ নেই।দু’মাস বন্ধ থাকায় ফোন করতে গেলেস্বয়ংক্রিয় যন্ত্র-স্বরে মেয়াদোত্তীর্ণের কথা শুনায়সিম কোম্পানীগুলো। কাঁচামাল থেকে শুরু করেরেস্তোরাঁ, ফার্স্ট ফুড, শপিংমলসবখানেই দেখি মেয়াদ…

শেষ চিঠি – রুদ্র গোস্বামী।

চিঠি: হাল ছেড়ো না বন্ধু - রুমানা শাওন।

কী করছ অনির্বাণ? আজও নিশ্চই অফিসের কাজ ফেলেতোমার সুন্দরী পিএকে ডেকে আমার অসুখের গল্প শোনাচ্ছ?কী ভাবছ, আমি চলে যাব?সবটুকু আমাকে নিয়ে কী করে যাব!এটা ভেবেই আমার খুব কষ্ট হচ্ছে অনির্বাণ। আমি জানি, ঘুরেফিরে আমাকে নিয়েই ভাবতে বসবে তুমি।তোমার সঙ্গে দেখা…

নারীমেধ – অমিতাভ দাশগুপ্ত।

মানুষের ঘ্রাণ - মুহম্মদ নূরুল হুদা

এক‘মেয়েমানুষের মাংস এমনিতেই খেতে খুব স্বাদু,আর যদি দিশি মদে ভিজিয়ে ভিজিয়েহায় হায় ভাবাই যায় না…..তাছাড়া এখন খুব পড়েছে মরশুম,ছয় মাসে ছ-ডজন নারীকে কিডন্যাপ করে চাকুমচুকুমঢাউস ঢেঁকুর তুলে‘ক্যায়সা খুশি কি রাত’…..গেয়ে নেচে চলে গেল ঘোর দেশপ্রেম,দ্যাখো, কি এলেম !!’ দুই‘তুই কি…

তাই এত শুকনো হয়ে আছো – শঙ্খ ঘোষ।

মানুষের ঘ্রাণ - মুহম্মদ নূরুল হুদা

অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনিতাই এত শুকনো হয়ে আছো এসো তোমার মুখ মুছিয়ে দিইসকলেই শিল্প খোঁজে রূপ খোঁজে আমাদের শিল্পরূপে কাজ নেইআমরা এখানে বসে দু-একটি মুহূর্তের শস্যফলনের কথা বলিএখন কেমন আছো বহুদিন ছুঁয়ে তো দেখিনি শুধু জেনে গেছি ফাটলে ফাটলেনীল…

দোল : শান্তিনিকেতন – জয় গোস্বামী।

অনঙ্গ বউ – নির্মলেন্দু গুণ

বকুল শাখা পারুল শাখাতাকাও কেন আমার দিকে? মিথ্যে জীবন কাটলো আমারছাই লিখে আর ভস্ম লিখে – কী ক’রে আজ আবীর দেবোতোমাদের ওই বান্ধবীকে ! শান্ত ব’লে জানতে আমায় ?কলঙ্কহীন, শুদ্ধ ব’লে ?কিন্তু আমি নরক থেকেসাঁতরে এলাম তখন আমার শরীর থেকেগরম…

এ জীবন আমার নয় – মহাদেব সাহা।

আত্মজর ছেঁড়াপাতা - আরণ্যক বসু

এ জীবন আমার নয়, আমি বেঁচে আছিঅন্য কোনো পাখির জীবনে,কোনো উদ্ভিদের জীবনে আমি বেঁচে আমিলতাগুল্ম-ফুলের জীবনে;মনে হয় চাঁদের বুকের কোনো আদিম পাথারআমিভস্মকণা,ভাসমান একটু শ্যাওলা আমি;এই যে জীবন দেখছো এ জীবন আমার নয়আমি বেঁচে আছি বৃক্ষের জীবনে,পাখি, ফুল, ঘাসের জীবনে। আমি…