ভালোবাসা – আর্যতীর্থ।

সে যখন চায় না আমায়, আমি কেন এত চাই তাকে?
কেন ওর ভাবনাতে দিনের রুটিন ভরে থাকে,
কেন রাতে স্বপ্নরা ওর দিকে টানে আমাকে?

একটানা এই অবধি বলে মানুষটা হঠাৎ একটু চুপ করে যায়,
তারপর খুব আস্তে আস্তে বলে,
ফিসফিসে,
তবু জোর প্রতিটা কথায়..
‘ভালোবাসা না পেয়ে তবু ভালোবেসে যাওয়া
হয়তো ভীষণ অন‍্যায়।’

আমি তার বিপরীতে বসে, বোঝার চেষ্টা করে যাই,
অলীক নক্ষত্র্র-লক্ষ‍্যে নিজেকে পুড়িয়ে পাওয়া বৃথা রোশনাই,
হাউই-উড়ান শেষে যেরকম শেষে শুধু ছাই,
এ কি সেরকমই,
তিল তিল করে শেষ করে ফেলা আয়ুকাল,
যেন হ‍্যামলিন বাঁশি হাতে খাদের কিনারে নেয় কালের রাখাল,
যেন নিশ্চিত ডুবে যাবে জেনে নাবিকের তবু তুলে দেওয়া পাল,
মানুষের লাভ যে কী হয় এরকম বেঁচে থেকে মরে!

কী আশ্চর্য,
মানুষটা মনের কথা কীভাবে ফেললো যেন পড়ে,
বিপরীত থেকে উঠে আমার দিকে এসে সরে,
বললো সে ফিসফিস করে,

সে-ও তার খবর জানে না ,
অন্তরে যে ভাবে সে আছে অন্দরে,
ভালো বাসা বানিয়েছি দুজনে ভেতরে।

জানবেন, একলা হাঁটি না আমি জীবন-সফরে।

আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। আর্যতীর্থের কবিতা।

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest

0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x