আর্যতীর্থের কবিতা

আর্যতীর্থ – জন্মগ্রহণ করেন কলকাতায়। পিতা চিররঞ্জন ভট্টাচার্য ও মাতা দীপ্তি দেবী। পিতা ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি চাকুরে এবং মা শিক্ষিকা কিন্তু তিনি ছেলেদের জন্য চাকরী ছেড়ে দিয়েছিলেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে কবিই বড়। তাঁরা ছিলেন দুর্গাপুরের বাসিন্দা। ১৯৯৫ সালে কবি, সুমিত্রা দেবীর সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন। তাঁদের এক কন্যা কনয়া। কবির ভাল নাম তীর্থঙ্কর ভট্টাচার্য। কবির বন্ধুরাই তাঁর ছদ্মনাম রেখেছিলেন “আর্যতীর্থ”!

কবির জবাব - আর্যতীর্থ

কবির জবাব – আর্যতীর্থ।

কাল থেকে কবিতা না লিখলে কিছু মনে করবে?কবির সাথীটি তাকালেন।দুমিনিট চুপ থাকলেন।তারপরে, ঈষৎ ব‍্যঙ্গ আর…

সম্পুর্ণ পড়ুন কবির জবাব – আর্যতীর্থ।
নাড়ির নারী -আর্যতীর্থ

নাড়ির নারী – আর্যতীর্থ।

পালস কি দেখতে জানো?কবজির কাছে যদি তর্জনী চাপো,হৃদয়ের স্পন্দন পাবে ধমনীতে..তা যদি নাই পারো,বুকের বাঁদিক…

সম্পুর্ণ পড়ুন নাড়ির নারী – আর্যতীর্থ।
ভালোবাসা - আর্যতীর্থ

ভালোবাসা – আর্যতীর্থ।

সে যখন চায় না আমায়, আমি কেন এত চাই তাকে?কেন ওর ভাবনাতে দিনের রুটিন ভরে…

সম্পুর্ণ পড়ুন ভালোবাসা – আর্যতীর্থ।
কবির জবাব - আর্যতীর্থ

কবির জন্ম – আর্যতীর্থ।

লোকটা ভাবলো কবিতা লিখতে হবে।বিষয় ভেবে ফেললো।তাজা, টগবগে, লোকের খাওয়ার মতো।ছোটোবেলার প্রবন্ধের মতো লেখা হলো…

সম্পুর্ণ পড়ুন কবির জন্ম – আর্যতীর্থ।
মিনারে রক্তের গন্ধ - রুমানা শাওন

কবিতায় থাকা – আর্যতীর্থ।

কবিতায় থাকো যদি ,তবে শব্দের বাড়ি গিয়েবেল বাজালেই কপাট খুলে যাবে,ভেতরে কোথাও সুদৃশ‍্য সিংহাসনকোথাও বা…

সম্পুর্ণ পড়ুন কবিতায় থাকা – আর্যতীর্থ।
জীবন যখনই পা'টা নামিয়েছে - শ্রীজাত

পনেরোই ফেব্রুয়ারির গোলাপ – আর্যতীর্থ।

পনেরোই ফেব্রুয়ারির গোলাপদের মতো ভালোবাসার গল্পগুলো কেউ জানে না ,কবিরাও নয়। চোদ্দ তারিখে অতি যত্নে…

সম্পুর্ণ পড়ুন পনেরোই ফেব্রুয়ারির গোলাপ – আর্যতীর্থ।
এই আমার দেশ - দাউদ হায়দার

দেশ দেখেছো? – আর্যতীর্থ।

তোমার কাছে দেশের মানে স্রেফ জি ডি পিএবং যারা তোমার দলের বোতাম টিপি,বন্দে ট্রেনে এবং…

সম্পুর্ণ পড়ুন দেশ দেখেছো? – আর্যতীর্থ।
কবির জবাব - আর্যতীর্থ

ছেলের বাবা’র চিঠি – আর্যতীর্থ। 

চার নম্বর কম পেয়েছে বলে আজ ছেলেকে মারলে তুমি।অথচ ,একশো থেকে নিরানব্বই-য়ে নামলে যে-সবমা’য়েরা প্রলয়…

সম্পুর্ণ পড়ুন ছেলের বাবা’র চিঠি – আর্যতীর্থ।