admin

admin

আমি এখন কাঠগড়ায় নই – মাহবুব এ খোদা টুটুল।

আমি এখন কাঠগড়ায় নই - মাহবুব এ খোদা টুটুল।

আমি এখন কাঠগড়ায় নই,তবু চারদিকে প্রশ্ন দাঁড়িয়ে আছে—লোহার মতো ঠান্ডা,পাথরের মতো নিশ্চুপ।শহরটা আজ খুব স্বাভাবিক।ট্রেন ঠিক সময়েই ছুটে যাচ্ছে,সাইকেলের চাকা ঘুরছে খেলাধুলার মাঠের ধুলো ছুঁয়ে,বারান্দায় ঝুলছে ভেজা কাপড়—কেউ জানে না,এই স্বাভাবিকতার ভেতরকতগুলো অপরাধ নিশ্চুপে হাঁটছে।আমি দেখি—একটি কুকুর রাস্তার মাঝখানে পড়ে…

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ।

হিরনবালা - হেলাল হাফিজ।

আমার জীবন ভালোবাসাহীন গেলেকলঙ্ক হবে কলঙ্ক হবে তোর,খুব সামান্য হৃদয়ের ঋণ পেলেবেদনাকে নিয়ে সচ্ছলতার ঘর বাঁধবো নিমেষে। শর্তবিহীন হাতগচ্ছিত রেখে লাজুক দু’হাতে আমিকাটাবো উজাড় যুগলবন্দী হাতঅযুত স্বপ্নে। শুনেছি জীবন দামী, একবার আসে, তাকে ভালোবেসে যদিঅমার্জনীয় অপরাধ হয় হোক,ইতিহাস দেবে অমরতা…

শহীদদের প্রতি – আসাদ চৌধুরী।

সত্য ফেরারী – আসাদ চৌধুরী

তোমাদের যা বলার ছিলোবলছে কি তা বাংলাদেশ? শেষ কথাটি সুরের ছিলো?ঘৃণার ছিলোনাকি ক্রোধের,প্রতিশোধের,কোনটা ছিলো? নাকি কোনো সুখেরনাকি মনে তৃপ্তি ছিল,দীপ্তি ছিল-এই যাওয়াটাই সুখের। তোমরা গেলে, বাতাস যেমন যায়-গভীর নদী যেমন বাঁকাস্রোতটিকে লুকায়,যেমন পাখির ডানার ঝলকগগনে মিলায়। সাঁঝে যখন কোকিল ডাকেকারনিসে…

আমি বলছি কিচ্ছু হবে না – আবিদ আজাদ।

ক্রোধ যা অগ্নির মতো - বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

আমি বলছি কিচ্ছু হবে না – আবিদ আজাদ | বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ ও সংগ্রহ আমি বলছি কিচ্ছু হবে না কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ আবিদ আজাদের “আমি বলছি কিচ্ছু হবে না” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিবাদ ও সামাজিক সমালোচনামূলক…

থার্ডফ্রন্ট – বীথি চট্টোপাধ্যায়।

অভিশাপ - বীথি চট্টোপাধ্যায়।

যাকে ইচ্ছে কোতল করোযে দলে খুশি যাওআমাকে খোলা বারান্দায়একা থাকতে দাও। ঠান্ডা হাওয়া, গাছেরা খুশিঅনেকদিন পরনদীর পাশে কে পড়ে আছেকারা ছেড়েছে ঘর… শুকনো লাশ, রক্তহিমওরা আসলে কে?বলতে নেই, সেটা বুঝেছিপ্রচুর ঝাড় খেয়ে। বিদ্যুতের দৃশ্য দেখেবৃষ্টি চমকালপাখি উড়ছে ; সামনে গাছযে…

তালাকনামা – তসলিমা নাসরিন।

কাল - তসলিমা নাসরিন।

যে কোনও দূরত্বে গেলে তুমি আর আমার থাকো নাতুমি হও যার-তার খেলুড়ে পুরুষ।যে কোনও শরীরে গিয়েশকুনের মতো খুঁটে খুঁটে রূপ ও মাংসতুমি আহার করোগণিকা ও প্রেমিকার শরীরে কোনওপার্থক্য বোঝো না। কবিতার চে’ চাতুর্য বোঝো ভাল,রাত্রি এলে রক্তের ভেতর টকাশ-টকাশদৌড়ে যায়একশো…

মৃত্যুর আগে তুমি কাজল পড়েছিলে – সুবোধ সরকার।

তুমি আর আমি - মল্লিকা সেনগুপ্ত

(কবি এই কবিতাটি লেখেন তাঁর স্ত্রী কবি মল্লিকা সেনগুপ্তর, ভয়ানক ব্যধি ক্যানসারে মৃত্যুর পর। কবিতাটি প্রকাশিত হয়“দেশ” পত্রিকার সেপ্টেম্বর ২০১১-র সংখ্যায়।) তুমি গঙ্গার একটা অংশ ছেড়ে চলে যাচ্ছকিন্তু তোমার আঁচলে নদীর আত্মজীবনী লেখা রইল | বিছানার নীচ থেকে কয়েক লক্ষ…

স্বপ্নে – জয় গোস্বামী।

নদীটি ভালো নেই

স্বপ্নে তোকে বাড়ির দিকে এগিয়ে দিতে যাইস্বপ্নে এসে দাঁড়াই পাড়ার মোড়েকখন তুই ফিরবি ভেবে চারিদিকে তাকাইটান লাগাই তোর বিনুনি ধরে। স্বপ্নে আমি ভিক্টোরিয়ায় তোর পাশে দাঁড়াইস্বপ্নে বসি ট্যাক্সিতে তোর পাশেস্বপ্নে আমি তোর হাত থেকে বাদাম ভাজা খাইকাঁধ থেকে তোর ওড়না…

শূন্যতা – সৈয়দ শামসুল হক।

শূন্যতা – সৈয়দ শামসুল হক।

এ বড় কঠিন রাতকনকনে শীতের রাতহাড়ের ভেতরে শীতকনকনে শীতযদি এ কেমন শীত—এই জিজ্ঞাসায়নিজের ভেতরে যে তাকায়সে দেখতে পায়ভালোবাসায় যে ছিলসে যখন চলে গিয়েছিলতখন হৃদয়ে তার নেমে এসেছিলবরফের মতো যে শূন্যতাতাকে বলে শীতকনকনে শীতহাওয়ার ভেতরে যদি কারও শব্দ ওঠেপায়ের কোমল শব্দ…

কবির ছুটি – বীথি চট্টপাধ্যায়।

বাঁশিওআলা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বর্ষা স্পর্শ এখনও আকাশ জুড়েশরতের আলো ফুটতে অনেক দেরি,এবার শরৎ আসার আগেই বুঝিঅকূলসিন্ধু পারে চলে যাবে ফেরি। গায়ে চাপা দেওয়া, খাটে আধশোয়া কবিজোড়াসাঁকো যেন থমথমে নীরবতাকে আমি?এলাম কোথা থেকে? কার ডাকে?এখন কোথায় রওনা হবার কথা? কে লিখল এত? কে গেল…