admin

admin

একুশের গান – মহাদেব সাহা।

তুমি চলে যাবে বলতেই - মহাদেব সাহা

একুশ মানেই আসছেসালাম ফিরে আসছে, বরকত ফিরে আসছেতাজুল ফিরে আসছে….একুশ মানেই মুক্তিযুদ্ধ ফিরে আসছেসেই সাহসে বুক-পেতে-দেয়া তারুণ্য ফিরে আসছেতারুণ্যের চোখে দুর্জয় শপথ ফিরে আসছে,শহীদেরা ফিরে আসছেস্বাধীনতা ফিরে আসছেবাংলাদেশ ফিরে আসছে;এই পদ্মা-মেঘনার দেশে আবার ’৫২ আসছে’৬৯ আসছে’৭১ ফিরে আসছে,একুশ মানেই আসছে,…

অনাহারী আমি – রুমানা শাওন।

মায়েদের কেন বয়স হয়? – রুমানা শাওন।

সবাই বলে, “চোখের নিচে কালি!অসুস্থ নাকি শরীর?”কেউ বোঝে না—মনেরও হয় প্রচন্ড জ্বর।হাত বাড়িয়ে ওষুধ দিতে চায়কিন্তু রাত জেগে ভাঙা গান শোনাআর নিঃশব্দে কাঁদার গল্প…অজানা কৌশলে এড়িয়ে যায়। জিজ্ঞেস করে, “কিরে ঘুম হয়নি? চোখ লাল কেন?”হাসি চাপিয়ে বলি, “ধুলো পড়েছে, ও…

ইচ্ছে ছিলো – হেলাল হাফিজ।

তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা - শহীদ কাদরী

ইচ্ছে ছিলো তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবোইচ্ছে ছিলো তোমাকেই সুখের পতাকা করেশান্তির কপোত করে হৃদয়ে উড়াবো। ইচ্ছে ছিলো সুনিপূণ মেকআপ-ম্যানের মতোসূর্যালোকে কেবল সাজাবো তিমিরের সারাবেলাপৌরুষের প্রেম দিয়ে তোমাকে বাজাবো, আহা তুমুল বাজাবো। ইচ্ছে ছিলো নদীর বক্ষ থেকে জলে জলে শব্দ…

পরিচয়-পত্র – তারাপদ রায়।

অভিশাপ দিচ্ছি – শামসুর রাহমান

একবার খুব ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম,বুদ্ধমন্দিরের ঘণ্টা বাজাতে দেরি হয়ে গিয়েছিলোভিনদেশি তীর্থযাত্রীদের সামনে—বড় লামা আমাকে যাচ্ছেতাই গালমন্দ করেছিলেন,তারপর ঘাড়ে ধরে মন্দির থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। দক্ষিণায়নের আগের সন্ধ্যায় ঝড় উঠেছিলো,হলুদ হয়ে যাওয়া ঘন জলপাই পাতারনোনা বাতাসে অবিকল উড়ে যাওয়ার মধ্যেএক স্ফুরিতনাসা…

মেডিক্যাল বাসস্টপ – দাউদ হায়দার।

তিরিশ বছর - দাউদ হায়দার।

আমার ভীষণ ভয় লাগে, অথচ এখানে এলেইলাউয়ের ডগার মতনমাথাটা নুয়ে পড়ে সহজেইবাতাসের শরীরে কাঁচা রক্তের গন্ধ ভেসে বেড়ায় আপন মনে…আমার বড় ভয় হয়। মনে পড়ে নূরুল আমিন চেয়ারে বসে পাইপে ধোঁয়া ছাড়ছেনধোঁয়ায় ধোঁয়াকার হয় সমস্ত দফতরঐ তো মা যাকে খুঁজছে…

পাখি হয়ে যায় প্রাণ – আবুল হাসান।

আমি আর আসবো না বলে —আল মাহমুদ।

পাখি হয়ে যায় প্রাণ – আবুল হাসান | পাখি হয়ে যায় প্রাণ কবিতা | আবুল হাসানের কবিতা | বাংলা কবিতা পাখি হয়ে যায় প্রাণ: আবুল হাসানের একাকীত্ব, স্মৃতি ও অস্তিত্বের অসাধারণ কাব্যভাষা আবুল হাসানের “পাখি হয়ে যায় প্রাণ” কবিতাটি বাংলা…

অমর একুশে – হাসান হাফিজুর রহমান।

একুশের কবিতা - অবশেষ দাস।

আম্মা তাঁর নামটি ধরে একবারও ডাকবে না তবে আর?র্ঘূূণি ঝড়ের মতো সেই নাম উম্মথিত মনের প্রান্তরেঘুরে ঘুরে জাগবে, ডাকবে,দুটি ঠোঁটের ভেতর থেকে মুক্তোর মতো গড়িয়ে এসেএকবারও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে না, সারাটি জীবনেও না? তবে হার? কি করে এই গুরুভার সইবে…

তার চেয়ে – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

তোমার জন্যে – বীথি চট্টপাধ্যায়।

সকলকে জ্বালিয়ে কোনো লাভ নেই।তার চেয়ে বরংআজন্ম যেমন জ্বলছ ধিকিধিকি, একা,দিনরাত্রি,তেমনি করে জ্বলতে থাকো,জ্বলতে-জ্বলতে ক্ষয়ে যেতে থাকো,দিনরাত্রি,অর্থাৎ মুখেরকশ বেয়ে যতদিন রক্ত না গড়ায়। একদিন মুখের কশ বেয়েরক্ত ঠিক গড়িয়ে পড়বে।ততদিন তুমি কী করবে?পালিয়ে-পালিয়ে ফিরবে নাকি? পালিয়ে-পালিয়ে কোনো লাভ নেই।তার চেয়ে…

বসন্তের একটি বাংলা উদ্ধৃতি – মহাদেব সাহা।

তুমি চলে যাবে বলতেই - মহাদেব সাহা

চুনা-ওঠা দেয়ালের মতো প্রকৃতির এই খসখসে গালেআর কী রং মাখাবে চৈত্র,তোমার পকেটে ভাঁজ-করা শতবর্ষের শীতকাল,মাতাল হাওয়ায় যতই এই বার্ধক্য ঢেকে দিতে চাওতার মুখমণ্ডলে জমে আছেউত্তর গোলার্ধের অনন্ত বরফতার শরীর ২৫ ডিগ্রি মাইনাস শীত রাত্রে; কেনা জ্যেত্স্না, গোলাপ আর সৌরভের জন্যহাহাকার…

যখন নেই তখন থাকো – তসলিমা নাসরিন।

মেয়েটা - নবনীতা দেবসেন।

যখন আমার সঙ্গে নেই তুমি,আমার সঙ্গে তুমি তখন সবচেয়ে বেশি থাকো।আমি হাঁটি, পাশাপাশি মনে হয় তুমিও হাঁটছো,তোমাকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে যাই,যা যা খেতে পছন্দ করো, কিনি, তুমি নেই জেনেও কিনি। রাঁধি যখন, দরজায় যেন হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছো,মনে মনে কথা…