অসুর রে। তুই যাত্রাদলে যেই লেখালি নাম,
হলি মহিষাসুর, সে কী তিড়িং নাচ তখন তোর ;
বাপ রে সে কী ভয়-দেখানো সার্কাসের খেলা !
যতই বাড়ে বেলা, ততই মেজাজ তোর চড়া ,যেন
এর মুন্ডু খসাবি, ওর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাবি !
আমরা ভাবি কোথায় পালাই,এমনি তোর হুলুস্থুল কান্ডকারখানা !
তোকে করবে মানা,কারুর নেই এমন বুকের পাটা-
তুই যে বাপের ব্যাটা । পরের হাড় কড়মড় করে খাওয়াই
ধর্ম তোর,সেই তোর ছৌ-নাচ!
সূর্য় অস্ত গেলে বুঝি এবার শান্তি-কিন্তু তুই স্বয়ং অশান্তি;
হুঙ্কারে তোর গাছগুলিও পাথর,কোলের শিশু কান্না ভুলে
কঠিন কাঁপতে থাকে-
গাঁয়ের মানুষ যে-যার ঘরে দরজা দিয়ে সমস্ত রাত জেগে কাটায় !
যতক্ষণ না ফুরায় তোর স্পর্ধা,তোর সার্কাস,তোর মুখোস নাচের বাহাদুরি-
যতক্ষণ না পাড়ার থুথ্বুড়ে বুড়ি তোর দু’গালে চড় ক’ষিয়ে
বলে তোকে হারামজাদা! এবার ঘুমুতে যা !
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা।
কবিতার কথা –
বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘আর এক মহিষাসুর’ কবিতাটি রাজনৈতিক ক্ষমতার দম্ভ, শাসকের আস্ফালন এবং তার বিপরীতে সাধারণ মানুষের অসহায়তা ও সামাজিক জাগরণের এক তীব্র ব্যঙ্গাত্মক আখ্যান। কবি অত্যন্ত সহজ, লৌকিক এবং ধারালো ভাষার বুননে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ক্ষমতার মেকি প্রতাপকে লোকশিল্পের রূপকের মাধ্যমে উন্মোচিত করেছেন।
কবিতার শুরুতে কবি অত্যাচারী শাসক বা ক্ষমতাধর শক্তিকে যাত্রাদল বা ছৌ-নাচের ‘মহিষাসুর’ চরিত্রের সাথে তুলনা করেছেন। মঞ্চে বা বাজারে নাম লিখিয়েই সে যেন পরাক্রমশালী এক দানবে পরিণত হয়। তার তিড়িং-বিড়িঙ নাচ, সার্কাসের ভীতি প্রদর্শনী আর আস্ফালনে চারপাশ আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। ক্ষমতার দম্ভে সে সবাইকে ভয় দেখায়—কারো মুণ্ডু খসানো কিংবা কারো চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজানোর হুমকি দেয়। তার এই তাণ্ডবে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে কোথায় পালাবে তা ভেবে পায় না, কারণ তার মুখে অন্যায় ও হিংসার এই উগ্র প্রদর্শনই যেন তার একমাত্র ‘ধর্ম’।
কবিতাটিতে রাষ্ট্রিক বা সামাজিক সন্ত্রাসের এক বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। ক্ষমতাধরের হুঙ্কারে প্রকৃতি যেমন থমকে যায়, তেমনি কোলের শিশুটিও ভয়ে শক্ত হয়ে কাঁপে। গাঁয়ের সাধারণ নিরীহ মানুষ রাতের পর রাত দরজা বন্ধ করে আতঙ্কে জেগে কাটায়। ক্ষমতার এই অনিয়ন্ত্রিত স্পর্ধা আর তাণ্ডবকে কবি ‘সার্কাস’ এবং ‘মুখোশ নাচ’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন, যা প্রকৃতপক্ষে লোকদেখানো মেকি ভয়ের এক অভিনয়।
তবে কবিতার শেষাংশে এসে কবি ক্ষমতার এই মেকি রাজত্বের এক চরম ও অবমাননাকর পতন ঘটিয়েছেন। বাহ্যিকভাবে আপাত-শক্তিশালী এই দানবকে কোনো বিশাল সেনা বা অলৌকিক ক্ষমতা পরাজিত করে না; বরং পাড়ার সাধারণ এক থুথুড়ে বুড়ি এসে দু-গালে চড় কষিয়ে তার মুখোশ খুলে দেয় এবং তাকে ঘুমাতে পাঠিয়ে দেয়। এই রূপকের মাধ্যমে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বুঝিয়েছেন যে, অত্যাচারীর হুঙ্কার ও স্পর্ধা দেখতে যতই ভয়াবহ হোক না কেন, সাধারণ মানুষের সম্মিলিত বিবেক, সাহস ও ধিক্কারের সামনে তা অত্যন্ত তুচ্ছ ও ভঙ্গুর।
আর এক মহিষাসুর – বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা | আধুনিক বাংলা কবিতা | মহিষাসুর, সন্ত্রাস, ভয় ও প্রতিরোধের অসাধারণ কাব্যভাষা
আর এক মহিষাসুর: বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহিষাসুর, সন্ত্রাস, ভয়, গ্রাম ও প্রতিরোধের অসাধারণ কাব্যভাষা
বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “আর এক মহিষাসুর” আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য, তীক্ষ্ণ ও প্রতিবাদী সৃষ্টি। এটি একটি অত্যাচারী শক্তির বিরুদ্ধে গ্রামীণ জনপদের প্রতিরোধের এক অসাধারণ কাব্যচিত্র। “অসুর রে। তুই যাত্রাদলে যেই লেখালি নাম, / হলি মহিষাসুর, সে কী তিড়িং নাচ তখন তোর ; / বাপ রে সে কী ভয়-দেখানো সার্কাসের খেলা !” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক মহিষাসুরের চরিত্র — যে তার নাম নিয়েই তিড়িং নাচে, সার্কাসের মতো ভয় দেখায়। যতই বেলা বাড়ে, তার মেজাজ চড়ে — এঁর মুন্ডু খসাবে, ওর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাবে। গ্রামের মানুষ ভাবে কোথায় পালাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাড়ার থুথ্বুড়ে বুড়ি তার দু’গালে চড় কষিয়ে বলে — ‘তোকে হারামজাদা! এবার ঘুমুতে যা!’ বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতায় অস্তিত্ববাদী চেতনা, প্রেম ও কবিতার দ্বান্দ্বিকতা, জীবন ও মৃত্যুর প্রশ্ন, এবং গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্রায়ণের জন্য পরিচিত। ‘আর এক মহিষাসুর’ তাঁর সেই স্বকীয় কাব্যভাষার এক অসাধারণ শিল্পরূপ — যা অত্যাচার ও প্রতিরোধের গভীরে ডুব দেয়।
বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: অস্তিত্ববাদ, গ্রাম ও প্রতিরোধের কবি
বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতায় অস্তিত্ববাদী চেতনা, প্রেম ও কবিতার দ্বান্দ্বিকতা, জীবন ও মৃত্যুর প্রশ্ন, এবং গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্রায়ণের জন্য পরিচিত। ‘আর এক মহিষাসুর’ তাঁর সেই ধারার একটি অসাধারণ উদাহরণ — যেখানে তিনি অত্যাচার ও প্রতিরোধের গভীরে ডুব দিয়েছেন।
তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘হওয়া না-হওয়ার গল্প’ (২০১০), ‘আর এক মহিষাসুর’ (২০১৫), ‘নির্বাচিত কবিতা’ (২০১৫) ইত্যাদি।
শিরোনাম ও কেন্দ্রীয় প্রতীক
শিরোনাম ‘আর এক মহিষাসুর’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মহিষাসুর — হিন্দু পুরাণের এক অসুর, যাকে দেবী দুর্গা বধ করেছিলেন। এখানে ‘আর এক মহিষাসুর’ মানে বর্তমানের এক অত্যাচারী শক্তি — যে গ্রামের মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখে।
কবিতার স্তরে স্তরে বিশ্লেষণ
প্রথম স্তবক: মহিষাসুরের আত্মপ্রকাশ ও ভয় দেখানো
“অসুর রে। তুই যাত্রাদলে যেই লেখালি নাম, / হলি মহিষাসুর, সে কী তিড়িং নাচ তখন তোর ; / বাপ রে সে কী ভয়-দেখানো সার্কাসের খেলা !” — প্রথম স্তবকে মহিষাসুরের চরিত্রচিত্র। ‘যাত্রাদলে লেখালি নাম’ — যাত্রাপালার মহিষাসুরের মতো। ‘তিড়িং নাচ’ — উল্লাস ও আত্মপ্রদর্শন। ‘ভয়-দেখানো সার্কাসের খেলা’ — ভয় দেখানোই তার প্রধান কাজ।
দ্বিতীয় স্তবক: মেজাজের চড়া উৎপাত
“যতই বাড়ে বেলা, ততই মেজাজ তোর চড়া ,যেন / এর মুন্ডু খসাবি, ওর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাবি ! / আমরা ভাবি কোথায় পালাই,এমনি তোর হুলুস্থুল কান্ডকারখানা !” — দ্বিতীয় স্তবকে উৎপাতের চিত্র। ‘মুন্ডু খসাবি, চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাবি’ — হত্যা ও নৃশংসতার হুমকি। ‘হুলুস্থুল কান্ডকারখানা’ — বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস।
তৃতীয় স্তবক: কারও প্রতিরোধের ক্ষমতা নেই
“তোকে করবে মানা,কারুর নেই এমন বুকের পাটা- / তুই যে বাপের ব্যাটা । পরের হাড় কড়মড় করে খাওয়াই / ধর্ম তোর,সেই তোর ছৌ-নাচ!” — তৃতীয় স্তবকে ভীতি ও ব্যঙ্গ। ‘কারুর নেই বুকের পাটা’ — কেউ প্রতিরোধ করতে পারে না। ‘বাপের ব্যাটা’ — ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন। ‘পরের হাড় কড়মড় করে খাওয়াই ধর্ম’ — অত্যাচারই তার ধর্ম। ‘ছৌ-নাচ’ — মুখোশ পরা নাচ, যা তার ভণ্ডামির প্রতীক।
চতুর্থ স্তবক: সূর্য অস্ত গেলেও শান্তি নেই
“সূর্য় অস্ত গেলে বুঝি এবার শান্তি-কিন্তু তুই স্বয়ং অশান্তি; / হুঙ্কারে তোর গাছগুলিও পাথর,কোলের শিশু কান্না ভুলে / কঠিন কাঁপতে থাকে-” — চতুর্থ স্তবকে অশান্তির স্থায়িত্ব। ‘সূর্য অস্ত গেলে শান্তি ভাবি, কিন্তু তুই অশান্তি’ — অত্যাচারের কোনো শেষ নেই। ‘হুঙ্কারে গাছ পাথর হয়, শিশু কান্না ভুলে কাঁপে’ — সন্ত্রাসের সর্বব্যাপী প্রভাব।
পঞ্চম স্তবক: গ্রামের মানুষ রাত জেগে কাটায়
“গাঁয়ের মানুষ যে-যার ঘরে দরজা দিয়ে সমস্ত রাত জেগে কাটায় !” — পঞ্চম স্তবকে ভীত গ্রামের চিত্র। ‘ঘরে দরজা দিয়ে’ — আত্মরক্ষার প্রচেষ্টা। ‘সমস্ত রাত জেগে কাটায়’ — ভয়ে ঘুম নেই।
ষষ্ঠ স্তবক: যতক্ষণ না ফুরায় স্পর্ধা
“যতক্ষণ না ফুরায় তোর স্পর্ধা,তোর সার্কাস,তোর মুখোস নাচের বাহাদুরি-” — ষষ্ঠ স্তবকে স্পর্ধার শেষের অপেক্ষা। ‘স্পর্ধা, সার্কাস, মুখোশ নাচ’ — তার অত্যাচারের বিভিন্ন রূপ।
সপ্তম স্তবক: বুড়ির চড় ও শেষ কথা
“যতক্ষণ না পাড়ার থুথ্বুড়ে বুড়ি তোর দু’গালে চড় ক’ষিয়ে / বলে তোকে হারামজাদা! এবার ঘুমুতে যা !” — সপ্তম স্তবক — শেষ স্তবক — পুরো কবিতার চূড়ান্ত বাণী। ‘থুথ্বুড়ে বুড়ি’ — গ্রামের সাধারণ বৃদ্ধা, যিনি প্রতিরোধের প্রতীক। ‘দু’গালে চড় কষিয়ে’ — শারীরিক প্রতিরোধ। ‘হারামজাদা! এবার ঘুমুতে যা!’ — ভাষার মাধ্যমে অত্যাচারীকে বাগে আনা।
প্রতীক ও রূপকের গভীর পাঠ
‘মহিষাসুর’ — অত্যাচারী শক্তি, সন্ত্রাসের প্রতীক। ‘যাত্রাদলে লেখালি নাম’ — ভণ্ডামি, নাটকীয়তা। ‘তিড়িং নাচ’ — আত্মপ্রদর্শন, উচ্ছ্বাস। ‘ভয়-দেখানো সার্কাস’ — সন্ত্রাসের খেলা। ‘মুন্ডু খসানো, চামড়া দিয়ে ডুগডুগি’ — নৃশংসতার হুমকি। ‘হুলুস্থুল কান্ডকারখানা’ — বিশৃঙ্খলা। ‘বুকের পাটা’ — প্রতিরোধের সাহস। ‘বাপের ব্যাটা’ — ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন। ‘পরের হাড় খাওয়াই ধর্ম’ — অত্যাচারই তার কাজ। ‘ছৌ-নাচ’ — মুখোশ পরা নাচ, ভণ্ডামির প্রতীক। ‘সূর্য অস্ত গেলেও শান্তি নেই’ — অত্যাচারের অবসান নেই। ‘গাছ পাথর হয়, শিশু কাঁপে’ — সন্ত্রাসের সর্বব্যাপী প্রভাব। ‘দরজা দিয়ে রাত জেগে কাটানো’ — ভীত গ্রাম। ‘থুথ্বুড়ে বুড়ি’ — সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ। ‘দু’গালে চড়’ — শারীরিক প্রতিরোধ। ‘হারামজাদা! এবার ঘুমুতে যা!’ — ভাষার মাধ্যমে অত্যাচারীকে পরাজিত করা।
প্রশ্নোত্তর: গভীর পাঠের জন্য
প্রশ্ন ১: ‘আর এক মহিষাসুর’ কবিতাটির লেখক কে?
উত্তর: এই কবিতাটির লেখক বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি।
প্রশ্ন ২: ‘মহিষাসুর’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মহিষাসুর অত্যাচারী শক্তির প্রতীক — যিনি গ্রামের মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখেন।
প্রশ্ন ৩: ‘তিড়িং নাচ’ — কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মহিষাসুরের আত্মপ্রদর্শন ও উল্লাস — যা ভয় দেখানোর অংশ।
প্রশ্ন ৪: ‘মুন্ডু খসাবি, চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাবি’ — কী?
উত্তর: হত্যা ও নৃশংসতার হুমকি — অত্যাচারের ভাষা।
প্রশ্ন ৫: ‘কারুর নেই বুকের পাটা’ — কেন?
উত্তর: কেউ প্রতিরোধ করার সাহস পায় না — অত্যাচারী এতটাই শক্তিশালী।
প্রশ্ন ৬: ‘পরের হাড় খাওয়াই ধর্ম, সেই তোর ছৌ-নাচ’ — কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: অত্যাচারই তার কাজ — আর ছৌ-নাচ (মুখোশ পরা নাচ) তার ভণ্ডামির প্রতীক।
প্রশ্ন ৭: ‘সূর্য অস্ত গেলেও শান্তি নেই’ — কেন?
উত্তর: অত্যাচারের কোনো শেষ নেই — দিনও অশান্তি, রাতও অশান্তি।
প্রশ্ন ৮: ‘হুঙ্কারে গাছ পাথর হয়, শিশু কাঁপে’ — কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: সন্ত্রাসের প্রভাব সর্বব্যাপী — প্রকৃতিও প্রাণহীন হয়, শিশুরাও কাঁপে।
প্রশ্ন ৯: ‘থুথ্বুড়ে বুড়ি’ — কেন বুড়ি?
উত্তর: সাধারণ, দুর্বল মনে হয় এমন একজন — যিনি শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ করেন।
প্রশ্ন ১০: কবিতার মূল শিক্ষা ও সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা কী?
উত্তর: কবিতাটি শেখায় — অত্যাচারী যতই শক্তিশালী হোক, শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ আসে। সাধারণ মানুষ, এমনকি একজন বৃদ্ধা নারীও পারে অত্যাচারীকে বাগে আনতে। ‘হারামজাদা! এবার ঘুমুতে যা!’ — এই লাইনটি প্রতিরোধের চূড়ান্ত বিজয়।
ট্যাগস: আর এক মহিষাসুর, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, মহিষাসুর, সন্ত্রাস ও প্রতিরোধ, গ্রামীণ কবিতা
© Kobitarkhata.com – কবি: বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | কবিতার প্রথম লাইন: “অসুর রে। তুই যাত্রাদলে যেই লেখালি নাম, হলি মহিষাসুর” | মহিষাসুর, সন্ত্রাস, ভয় ও প্রতিরোধের অসাধারণ কাব্যভাষা | আধুনিক বাংলা কবিতার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন