admin

admin

কেউ দেখেনি – অর্জুন মিত্র।

টুসু আমার কাঁসাই জলে - আরণ্যক বসু

কবিতা “কেউ দেখেনি” – অর্জুন মিত্র: বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা অর্জুন মিত্রের “কেউ দেখেনি” কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি শক্তিশালী রচনা, যেখানে কবি সমাজের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বর্ণবৈষম্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “কৃষ্ণকলি” কবিতার আধুনিক সংস্করণ হিসেবে বিবেচিত, যেখানে…

কৃষ্ণকলি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

তুমি বলেছিলে - শামসুর রাহমান।

কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি,কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক।মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠেকালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ।ঘোমটা মাথায় ছিল না তার মোটে,মুক্তবেণী পিঠের ‘পরে লোটে।কালো? তা সে যতই কালো হোক,দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ। ঘন মেঘে আঁধার হল দেখেডাকতেছিল শ্যামল দুটি গাই,শ্যামা মেয়ে ব্যস্ত…

একুশের কবিতা – আবু হেনা মোস্তফা কামাল।

আমাকে ছেড়ে যাবার পর – হুমায়ুন আজাদ

কবিতা “একুশের কবিতা” – বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা এই কবিতাটি একুশে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা আন্দোলনের গভীর আবেগ প্রকাশ করে, যেখানে কবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসাকে জন্মদিনের সাথে তুলনা করেছেন। কবিতাটির ভাষা কাব্যিক ও মর্মস্পর্শী, যা…

কমলের চোখ – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।

এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না - নবারুন ভট্টাচার্য

কমলকে চেন তুমি;সুন্দর সুঠাম দেহপ্রদীপ্ত চোখদুপুর বোদের মতোতীব্র প্রখর। একটা বুলেটকমলের ডান চোখছিঁড়ে নিয়ে গেছে। অথবা আমার বন্ধু,বিদগ্ধ সচেতনহৃৎপিণ্ড যারকুকুর শেয়াল খেয়েআজ পলাতক আরো বহু,আমার তোমারবন্ধু কি প্রিয়জনধমনী যাদের ছিলকৃষ্ণচূড়ার মতোতাজা সোচ্চাররক্তের কোলাহলেস্তব্ধ এখন। কমলের চোখরক্ত হৃৎপিণ্ডওরা কেন দিল?যে প্রশ্ন…

মা – আবিদ আজাদ।

গোলামের গর্ভধারিণী - হুমায়ুন আজাদ

‘মা’, এই একটি শব্দ ছাড়া তোমাকে ধারণ করতে পারে,আর কোনো শব্দ নেই মানুষের ভাষার অভিধানেএই শব্দের মধ্যেই আমার হাসি ও কান্নার নীলিমাময় আশ্রয়এই শব্দের মধ্যেই বার বার ঘূর্ণি তুলে দাঁড়ায় আমার মুক্তি ও স্বাধীনতা ছিলে শিশু, ভোরের বয়সের মতো নতুন,…

আমার দুখিনী বাংলা – আবদুল গাফফার চৌধুরী।

আমার দুখিনী বাংলা - আবদুল গাফফার চৌধুরী।

কবিতা “আমার দুখিনী বাংলা” – বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা এই কবিতাটি বাংলার দুঃখ-দুর্দশা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে, যেখানে কবি আবদুল গাফফার চৌধুরী বাংলাকে মায়ের রূপে চিত্রিত করেছেন। কবিতাটির ভাষা মর্মস্পর্শী ও আবেগঘন, যা পাঠকের হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করে।…

পৃথিবীর সবচেয়ে মর্মঘাতী রক্তপাত – অসীম সাহা।

সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে - হুমায়ুন আজাদ

কাল রাতে ওরা আমার দেহ থেকে সিরিঞ্জ-সিরিঞ্জ রক্ত তুলে নিয়েছেআমাকে ওরা এক নিঃসঙ্গ অন্ধকার রাতের থমথম নিস্তব্ধতার মধ্যেবেঁধে রেখে বলেছে, ‘শাট-আপ। কথা বললেই গুলি করবো।’তখনই সমস্ত পৃথিবী কাঁপিয়ে, সমস্ত চরাচর, বনভূমি কাঁপিয়েএকটা ভয়ানক হাহাকার, মৃতদের কলরোল উড়ে এসেআমার বুকের কাছে…

আত্ম আলিঙ্গন- মিতালী হোসেন।

রান্নাঘরে নারীবাদী - হুমায়ুন আজাদ

কবিতা “আত্ম আলিঙ্গন” – বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা এই কবিতাটি আত্ম-উপলব্ধি ও আত্ম-ভালোবাসার এক গভীর অনুভূতি প্রকাশ করে, যেখানে কবি মিতালী হোসেন নিজের সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। কবিতাটির ভাষা সরল কিন্তু অর্থবহ, যা পাঠকের মনে এক অন্যরকম স্পন্দন জাগায়। কবিতার…

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ।

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ

আমার জীবন ভালোবাসাহীন গেলেকলঙ্ক হবে কলঙ্ক হবে তোর,খুব সামান্য হৃদয়ের ঋণ পেলেবেদনাকে নিয়ে সচ্ছলতার ঘরবাঁধবো নিমেষে। শর্তবিহীন হাতগচ্ছিত রেখে লাজুক দু’হাতে আমিকাটাবো উজাড় যুগলবন্দী হাতঅযুত স্বপ্নে। শুনেছি জীবন দামী, একবার আসে, তাকে ভালোবেসে যদিঅমার্জনীয় অপরাধ হয় হোক,ইতিহাস দেবে অমরতা নিরবধিআয়…

দুঃখের আরেক নাম – হেলাল হাফিজ।

একটি পতাকা পেলে- হেলাল হাফিজ

আমাকে স্পর্শ করো, নিবিড় স্পর্শ করো নারী।অলৌকিক কিছু নয়,নিতান্তই মানবিক যাদুর মালিকতুমি তোমার স্পর্শেই শুধু আমার উদ্ধার। আমাকে উদ্ধার করো পাপ থেকে,পঙ্কিলতা থেকে, নিশ্চিত পতন থেকে।নারী তুমি আমার ভিতরে হও প্রবাহিত দুর্বিনীত নদীর মতন,মিলেমিশে একাকার হয়ে এসো বাঁচিনিদারুণ দুঃসময়ে বড়ো…