admin

admin

উড়ান – বীথি চট্টোপাধ্যায়।

মেয়েটা - নবনীতা দেবসেন।

দেখি আর উপচে পড়িকত লোক নাচছে সুখে,আমাকে কেউ ধরেনিদাউদাউ জ্বলছে বুকে, আমার মুখে। মেঘে মেঘ তাতেও আগুনযেন কী ক্ষিদের জ্বালা,হুহুহু উড়েই গেলকুঁড়ে ঘর ছোট্ট চালা, যুথীর মালা। চাঁদে কী মিষ্টি হাসিকেইবা বারণ শোনে?তোমাকে দেখতে পেলেযা হবার হবেই মনে, ঈশান কোণে।…

উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ – শামসুর রাহমান।

উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ – শামসুর রাহমান

উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ বিরানায়; মুক্তিযুদ্ধ,হায়, বৃথা যায়, বৃথা যায় বৃথা যায়। কোথায় পাগলাঘন্টি বাজেক্রমাগত, এলোমেলো পদধ্বনি সবখানে। হামলাকারীরাট্রাম্পেট বাজিয়ে ঘোরে শহরে ও গ্রামেএবং ক্রন্দনরত পুলিশের গলায় শুকায় বেল ফুল।দশদিকে কত একাডেমীতে নিশীথেগোর-খোদকেরা গর্ত খোঁড়ে অবিরত, মানুষের মুখগুলিঅতি দ্রুত…

এবার শ্রাবণে – শ্রীজাত।

প্রেমিকের গান ২ - বুদ্ধদেব বসু।

এবার শ্রাবণে ভাবনার অপচয়পুরনো সন্ধে ভাঙিয়ে নিয়েছি জলেকত কারখানা এমনি বন্ধ হয়…আমার বাড়িতে সুমনের গান চলে। আকাশ বোঝে না কত ধানে কত চাল।তফাত জানে না বন্ধুতে বর্গিতেবর্ষাতি রাখে শহরের হালচাল —মেঘ ঢুকে আসে ভাঙাচোরা কলোনিতে। এবার শ্রাবণে ঘুম জমে টিপকলেছোট…

যদি কেউ বলত – রুদ্র গোস্বামী।

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ

যদি কেউ বলত – রুদ্র গোস্বামী | বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ ও সংগ্রহ যদি কেউ বলত কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ গাইড ও বিশ্লেষণ রুদ্র গোস্বামীর “যদি কেউ বলত” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি আবেগময়, প্রেমমূলক ও স্বপ্নিল রচনা যা ভালোবাসা স্বীকারের আকাঙ্ক্ষা, সমাজের…

শুভম তোমাকে – মল্লিকা সেনগুপ্ত।

তোমার জন্যে – বীথি চট্টপাধ্যায়।

শুভম তোমাকে অনেকদিন পরেহটাত দেখেছি বইমেলার মাঠেগত জন্মের স্মৃতির মতনভুলে যাওয়া গানের মতনঠিক সেই মুখ , ঠিক সেই ভুরুশুধুই ঈষৎ পাক ধরা চুলচোখ মুখ নাক অল্প ফুলেছেঠোঁটের কোনায় দামি সিগারেটশুভম তুমি কি সত্যি শুভম ! মনে পড়ে সেই কলেজ মাঠেদিনের…

নন্দিনীর চিঠি শুভঙ্করকে : ৪ – পূর্ণেন্দু পত্রী।

শেষ চিঠি - রুদ্র গোস্বামী।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট করলে সেটা রাখতে হয়।আর সেটাই সভ্যতা।বাড়ি থেকে বেরোতে সাতচল্লিশ রকমের ছলচাতুরীগণ্ডা গণ্ডা মিথ্যের মুখে সত্যির স্নো-পাউডার।হাজার উটকো বিপদের আশঙ্কায়হাত-পা ডিপ-ফ্রীজের মাংস। কাল ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায় রেস্টুরেন্ট।মশায়ের টিকির দেখা না পেয়েওকেবিনের অন্ধকারে ঢুকে আলো জ্বালাই।চেনা বেয়ারা আমাকে দেখে এক পলকে…

ফেরার পিপাসা – আল মাহমুদ ।

এক অক্ষম পিতার উক্তি - মহাদেব সাহা

ফিরে যেতে সাধ জাগে, যেন ফিরে যাওয়ার পিপাসাজাগায় সুদূর স্মৃতি : মায়ের আঁচল ধরে টেনেদেখায় দূরের নদী, ওই তো হাটের নাও মাগোদখিনা বাতাসে দ্যাখ ভেসে গেলো সমস্ত সোয়ারি;হরিণবেড়ের মাঠে পৌঁছে যাবো সন্ধ্যার আগেইএ বেলা ভাসালে নাও রাত অত আঁধার হবে…

জলহাওয়ার লেখা – জয় গোস্বামী।

মাসিপিসি - জয় গোস্বামী।

(পাগলী, তোমার সঙ্গে ভয়াবহ জীবন কাটাব) স্নেহসবুজ দিনতোমার কাছে ঋণবৃষ্টিভেজা ভোরমুখ দেখেছি তোরঘমুখের পাশে আলোও মেয়ে তুই ভালোআলোর পাশে আকাশআমার দিকে তাকা—তাকাই যদি, চোখএকটি দীঘি হোকযে-দীঘি জ্যোৎস্নাহরিণ হয়ে যায়হরিণদের কথাজানুক নীরবতা—নীরব কোথায় থাকেজলের বাঁকে বাঁকেজলের দোষ?—না তো!হাওয়ায় হাত পাতো।হাওয়ার খেলা?—সে…

বোধ – জীবনানন্দ দাশ।

সন্ধ্যা হয়ে আসে- জীবনানন্দ দাশ।

আলো –অন্ধকারে যাই— মাথার ভিতরেস্বপ্ন নয়, কোন এক বোধ কাজ করে!স্বপ্ন নয়— শান্তি নয়—ভালোবাসা নয়,হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়!আমি তারে পারি না এড়াতে,সে আমার হাত রাখে হাতে;সব কাজ তুচ্ছ হয়, পণ্ড মনে হয়,সব চিন্তা— প্রার্থনার সকল সময়শূন্য মনে হয়,শূন্য…

আয়না – শ্রীজাত।

নিজের আয়না- শঙ্খ ঘোষ।

এ কেমন ঘুম, তুমিও যেখানে নেই?স্বপ্নের চেয়ে নির্জন হল পাড়া…কেউ না থাকলে স্বকীয়তা ভাঙবেই।আয়নার কোনও দাম নেই, মুখ ছাড়া। মানুষ চলেছে হাজার বছর পার-তারা কেউ তবু জীবনানন্দ নয়সিংহল নেই, নাটোরও অন্ধকার…পথে নামে যারা, ঘর কি তাদের হয়? এ কেমন পথ,…