কবিতার খাতা
- 21 mins
সাড়া – মন্দাক্রান্তা সেন।
যে গান গাইছি খাতার পাতাতে পাতাতে
তুমি কি শুনতে তুমি কি পড়তে পাচ্ছ?
এসেছিলে তুমি তাই বন্ধুতা পাতাতে
আমাকে উদাস দেখে ফিরে চলে যাচ্ছ?
যেও না বন্ধু, আমি তো তেমন পটু নই
ব্যর্থ হয়েছি সুরে সুরে ডাক পাঠাতে
স্বভাব-উদাস, অথচ আমি তো কটু নই
প্রেমের গানই তো গাইছি খাতার পাতাতে
সে প্রেম নেবে কি? আমি কিছু সন্দিগ্ধ
অভ্যাস নেই তেমন চকিত সাড়াতে
নিজেকে বলেছি কেন নোস তুই স্নিগ্ধ
পারিস না কেন সেভাবে দু’হাত বাড়াতে
তবু যদি তুমি ফিরে আস সখা আবারও
হ্যাঁ, রাহাখরচ দেব গো, আসার… যাবারও ..
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। মন্দাক্রান্তা সেন।
সাড়া – মন্দাক্রান্তা সেন | সাড়া কবিতা | মন্দাক্রান্তা সেনের কবিতা | বাংলা প্রেমের কবিতা
সাড়া: মন্দাক্রান্তা সেনের প্রেম, ব্যর্থতা ও আকুলতার অসাধারণ কাব্যভাষা
মন্দাক্রান্তা সেনের “সাড়া” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা প্রেম, ব্যর্থতা, আকুলতা ও সম্পর্কের জটিলতার এক গভীর কাব্যিক অন্বেষণ। “যে গান গাইছি খাতার পাতাতে পাতাতে / তুমি কি শুনতে তুমি কি পড়তে পাচ্ছ?” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক প্রেমিক হৃদয়ের বেদনা, যে তাঁর প্রেমের গান শোনাতে চায়, কিন্তু সাড়া পায় না। মন্দাক্রান্তা সেন বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, বিরহ ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। “সাড়া” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা প্রেমের ব্যর্থতা ও আকুলতার এক অসাধারণ চিত্র।
মন্দাক্রান্তা সেন: নারীচেতনার কবি
মন্দাক্রান্তা সেন বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, বিরহ ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় জটিল মানসিক অবস্থা ও নারীর অন্তর্জগতের গভীরতা ফুটিয়ে তোলেন। “সাড়া” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা প্রেমের ব্যর্থতা ও আকুলতার এক অসাধারণ চিত্র। মন্দাক্রান্তা সেনের কবিতা পাঠককে ভাবায়, আন্দোলিত করে এবং নিজের ভেতরে তাকাতে বাধ্য করে। তিনি বাংলা কবিতায় এক স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।
সাড়া কবিতার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
কবিতার শিরোনামের তাৎপর্য
“সাড়া” শিরোনামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ‘সাড়া’ — প্রতিক্রিয়া, উত্তর, প্রত্যুত্তর। কবি তাঁর প্রেমের গানের সাড়া চান, প্রিয়জনের প্রতিক্রিয়া চান। কিন্তু তিনি কি পান? শিরোনামেই কবি ইঙ্গিত দিয়েছেন — এই কবিতা সাড়া না পাওয়ার বেদনা, প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষার গল্প।
প্রথম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“যে গান গাইছি খাতার পাতাতে পাতাতে / তুমি কি শুনতে তুমি কি পড়তে পাচ্ছ? / এসেছিলে তুমি তাই বন্ধুতা পাতাতে / আমাকে উদাস দেখে ফিরে চলে যাচ্ছ?” প্রথম স্তবকে কবি তাঁর প্রিয়জনকে প্রশ্ন করেছেন। তিনি বলেছেন — যে গান গাইছি খাতার পাতাতে পাতাতে, তুমি কি শুনতে? তুমি কি পড়তে পাচ্ছ? এসেছিলে তুমি তাই বন্ধুতা পাতাতে, আমাকে উদাস দেখে ফিরে চলে যাচ্ছ?
‘যে গান গাইছি খাতার পাতাতে পাতাতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবি তাঁর কবিতাকেই গান বলেছেন। তিনি খাতায় কবিতা লিখছেন, কিন্তু সেই কবিতা আসলে গান — প্রেমের গান। তিনি এই গান প্রিয়জনের জন্য লিখছেন, যেন তাঁকে শোনাতে চান।
‘তুমি কি শুনতে তুমি কি পড়তে পাচ্ছ?’ — প্রশ্নের তাৎপর্য
কবি জানতে চান — প্রিয়জন কি তাঁর গান শুনতে পাচ্ছেন? কি তাঁর কবিতা পড়তে পাচ্ছেন? এই প্রশ্নের মধ্যে এক ধরনের আকুলতা, এক ধরনের অনিশ্চয়তা আছে। তিনি জানেন না তাঁর প্রেম পৌঁছাচ্ছে কি না।
‘এসেছিলে তুমি তাই বন্ধুতা পাতাতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রিয়জন এসেছিলেন বন্ধুত্ব পাতানোর জন্য। তিনি সম্পর্ক তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কবিকে উদাস দেখে তিনি ফিরে যাচ্ছেন।
‘আমাকে উদাস দেখে ফিরে চলে যাচ্ছ?’ — প্রশ্নের তাৎপর্য
কবি প্রশ্ন করছেন — আমাকে উদাস দেখে কি তুমি ফিরে যাচ্ছ? অর্থাৎ তাঁর উদাসীনতা কি প্রিয়জনকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে? তিনি কি তাঁর উদাস ভাবের কারণে প্রেম হারাচ্ছেন?
দ্বিতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“যেও না বন্ধু, আমি তো তেমন পটু নই / ব্যর্থ হয়েছি সুরে সুরে ডাক পাঠাতে / স্বভাব-উদাস, অথচ আমি তো কটু নই / প্রেমের গানই তো গাইছি খাতার পাতাতে” দ্বিতীয় স্তবকে কবি প্রিয়জনকে ফিরে আসতে বলেছেন। তিনি বলেছেন — যেও না বন্ধু, আমি তো তেমন পটু নই। ব্যর্থ হয়েছি সুরে সুরে ডাক পাঠাতে। স্বভাব-উদাস, অথচ আমি তো কটু নই। প্রেমের গানই তো গাইছি খাতার পাতাতে।
‘যেও না বন্ধু’ — অনুরোধের তাৎপর্য
কবি প্রিয়জনকে ফিরে যেতে বারণ করছেন। তিনি চান না প্রিয়জন চলে যাক। এটি এক ধরনের আকুল অনুরোধ।
‘আমি তো তেমন পটু নই / ব্যর্থ হয়েছি সুরে সুরে ডাক পাঠাতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবি স্বীকার করছেন — তিনি প্রেম প্রকাশে পটু নন। সুরে সুরে ডাক পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি জানেন না কীভাবে প্রেম জানাতে হয়।
‘স্বভাব-উদাস, অথচ আমি তো কটু নই’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবি বলছেন — তাঁর স্বভাব উদাস, কিন্তু তিনি কটু (মন্দ) নন। তাঁর উদাসীনতা তাঁকে মন্দ মানুষ করে না। তিনি প্রেম করতে জানেন, ভালোবাসতে জানেন।
‘প্রেমের গানই তো গাইছি খাতার পাতাতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবি আবারও বলছেন — তিনি প্রেমের গানই গাইছেন। তাঁর সব কবিতা, সব লেখা প্রেমের। তিনি প্রেম ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারেন না।
তৃতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“সে প্রেম নেবে কি? আমি কিছু সন্দিগ্ধ / অভ্যাস নেই তেমন চকিত সাড়াতে / নিজেকে বলেছি কেন নোস তুই স্নিগ্ধ / পারিস না কেন সেভাবে দু’হাত বাড়াতে” তৃতীয় স্তবকে কবি তাঁর আত্মসন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন — সে প্রেম নেবে কি? আমি কিছু সন্দিগ্ধ। অভ্যাস নেই তেমন চকিত সাড়াতে। নিজেকে বলেছি — কেন নোস তুই স্নিগ্ধ? পারিস না কেন সেভাবে দু’হাত বাড়াতে?
‘সে প্রেম নেবে কি? আমি কিছু সন্দিগ্ধ’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবি সন্দেহ করছেন — প্রিয়জন কি তাঁর প্রেম নেবে? তিনি নিশ্চিত নন। এই অনিশ্চয়তা তাঁকে কষ্ট দেয়।
‘অভ্যাস নেই তেমন চকিত সাড়াতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘চকিত সাড়া’ — তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। কবির অভ্যাস নেই তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়ার। তিনি ধীর, তিনি সময় নেন।
‘নিজেকে বলেছি কেন নোস তুই স্নিগ্ধ’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবি নিজেকে প্রশ্ন করছেন — কেন তুই স্নিগ্ধ (মিষ্টি, কোমল) হতে পারলি না? তিনি নিজের স্বভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট।
‘পারিস না কেন সেভাবে দু’হাত বাড়াতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবি নিজেকে প্রশ্ন করছেন — কেন তুই সেভাবে দু’হাত বাড়াতে পারলি না? অর্থাৎ কেন সে ভাবে প্রিয়জনের কাছে পৌঁছাতে পারলি না? এটি আত্মগ্লানির প্রকাশ।
চতুর্থ স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“তবু যদি তুমি ফিরে আস সখা আবারও / হ্যাঁ, রাহাখরচ দেব গো, আসার… যাবারও ..” চতুর্থ স্তবকে কবি শেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন — তবু যদি তুমি ফিরে আস সখা আবারও, হ্যাঁ, রাহাখরচ দেব গো, আসার… যাবারও…
‘তবু যদি তুমি ফিরে আস সখা আবারও’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
এটি একটি শর্তসাপেক্ষ অনুরোধ। যদি প্রিয়জন আবারও ফিরে আসে, তাহলে… কবি এখনও আশা ছাড়েননি। তিনি চান প্রিয়জন ফিরে আসুক।
‘রাহাখরচ দেব গো, আসার… যাবারও..’ — শেষ পঙ্ক্তির তাৎপর্য
এটি কবিতার সবচেয়ে মর্মস্পর্শী ও তাৎপর্যপূর্ণ অংশ। ‘রাহাখরচ’ — পথ খরচ, ভ্রমণ খরচ। কবি প্রিয়জনকে বলছেন — যদি তুমি ফিরে আসো, তাহলে তোমার আসা-যাওয়ার খরচ দেব। অর্থাৎ তিনি প্রিয়জনকে কাছে পেতে সব কিছু দিতে রাজি। তিনি খরচ দেবেন, কষ্ট স্বীকার করবেন — শুধু প্রিয়জন ফিরে আসুক। শেষে ‘আসার… যাবারও..’ — এই অস্পষ্টতা, এই ইতস্তত ভাব কবির অনিশ্চয়তা ও আকুলতা প্রকাশ করে।
কবিতার সামগ্রিক তাৎপর্য
“সাড়া” কবিতাটি প্রেমের ব্যর্থতা, আত্মসন্দেহ ও আকুলতার এক অসাধারণ চিত্র। কবি তাঁর প্রিয়জনকে বলেছেন — তিনি খাতায় পাতায় প্রেমের গান গাইছেন। প্রিয়জন এসেছিলেন বন্ধুতা পাতাতে, কিন্তু তাঁকে উদাস দেখে ফিরে যাচ্ছেন। কবি অনুরোধ করছেন — যেও না, তিনি পটু নন, সুরে সুরে ডাক পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি স্বভাব-উদাস, কিন্তু কটু নন। তিনি সন্দিহান — প্রিয়জন কি তাঁর প্রেম নেবে? তাঁর অভ্যাস নেই চকিত সাড়া দেওয়ার। তিনি নিজেকে প্রশ্ন করছেন — কেন তিনি স্নিগ্ধ হতে পারেন না, কেন তিনি দু’হাত বাড়াতে পারেন না। শেষে তিনি বলছেন — তবু যদি তুমি ফিরে আসো, তাহলে আসা-যাওয়ার খরচ দেব। এটি প্রেমের এক চূড়ান্ত আকুলতা — সব কিছু দিতে রাজি, শুধু প্রিয়জন ফিরে আসুক।
সাড়া কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: সাড়া কবিতার লেখক কে?
সাড়া কবিতার লেখক মন্দাক্রান্তা সেন। তিনি বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, বিরহ ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। “সাড়া” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা।
প্রশ্ন ২: সাড়া কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
সাড়া কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো প্রেমের ব্যর্থতা, আত্মসন্দেহ ও আকুলতা। কবি তাঁর প্রিয়জনকে বলেছেন — তিনি প্রেমের গান গাইছেন, কিন্তু সাড়া পাচ্ছেন না। তিনি নিজেকে নিয়ে সন্দিহান, নিজের স্বভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট। শেষে তিনি প্রিয়জনকে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন, আসা-যাওয়ার খরচ দিতে রাজি।
প্রশ্ন ৩: ‘যে গান গাইছি খাতার পাতাতে পাতাতে / তুমি কি শুনতে তুমি কি পড়তে পাচ্ছ?’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘যে গান গাইছি খাতার পাতাতে পাতাতে / তুমি কি শুনতে তুমি কি পড়তে পাচ্ছ?’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি তাঁর প্রেমের কবিতাকে গান বলেছেন। তিনি জানতে চান — প্রিয়জন কি তাঁর এই প্রেমের গান শুনতে পাচ্ছেন? কি তাঁর কবিতা পড়তে পাচ্ছেন? এটি এক ধরনের আকুলতা ও অনিশ্চয়তার প্রকাশ।
প্রশ্ন ৪: ‘স্বভাব-উদাস, অথচ আমি তো কটু নই’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘স্বভাব-উদাস, অথচ আমি তো কটু নই’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি তাঁর স্বভাব সম্পর্কে বলেছেন। তিনি উদাস, কিন্তু মন্দ নন। তাঁর উদাসীনতা তাঁকে খারাপ মানুষ করে না। তিনি প্রেম করতে জানেন, ভালোবাসতে জানেন।
প্রশ্ন ৫: ‘নিজেকে বলেছি কেন নোস তুই স্নিগ্ধ / পারিস না কেন সেভাবে দু’হাত বাড়াতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘নিজেকে বলেছি কেন নোস তুই স্নিগ্ধ / পারিস না কেন সেভাবে দু’হাত বাড়াতে’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি নিজেকে প্রশ্ন করছেন। তিনি নিজের স্বভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট। তিনি কেন স্নিগ্ধ (মিষ্টি, কোমল) হতে পারেন না? কেন তিনি সেভাবে দু’হাত বাড়াতে পারেন না — অর্থাৎ কেন প্রিয়জনের কাছে পৌঁছাতে পারেন না? এটি আত্মগ্লানির প্রকাশ।
প্রশ্ন ৬: ‘রাহাখরচ দেব গো, আসার… যাবারও..’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘রাহাখরচ দেব গো, আসার… যাবারও..’ — এই পঙ্ক্তিটি কবিতার সবচেয়ে মর্মস্পর্শী অংশ। ‘রাহাখরচ’ — পথ খরচ, ভ্রমণ খরচ। কবি প্রিয়জনকে বলছেন — যদি তুমি ফিরে আসো, তাহলে তোমার আসা-যাওয়ার খরচ দেব। অর্থাৎ তিনি প্রিয়জনকে কাছে পেতে সব কিছু দিতে রাজি। শেষে ‘আসার… যাবারও..’ — এই অস্পষ্টতা কবির অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ৭: মন্দাক্রান্তা সেন সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
মন্দাক্রান্তা সেন বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, বিরহ ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় জটিল মানসিক অবস্থা ও নারীর অন্তর্জগতের গভীরতা ফুটিয়ে তোলেন। “প্রকৃত মেধাবী” ও “সাড়া” তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতা।
ট্যাগস: সাড়া, মন্দাক্রান্তা সেন, মন্দাক্রান্তা সেনের কবিতা, সাড়া কবিতা, বাংলা প্রেমের কবিতা, বাংলা কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, প্রেমের ব্যর্থতার কবিতা






