কোনও একদিন ফিরে এসো, যে কোনও
একদিন, যেদিন
খুশি
আমি কোনও দিন দিচ্ছি না, কোনও সময় বলে
দিচ্ছি
না, যে কোনও সময়।
তুমি ফিরে না এলে এই যে কী করে
কাটাচ্ছি দিন
কী সব কাণ্ড করছি,
কোথায় গেলাম, কী দেখলাম
কী ভালো লেগেছে, কী না লেগেছে —
কাকে বলবো!
তুমি ফিরে এলে বলবো বলে আমি সব
গল্পগুলো রেখে
দিচ্ছি।
চোখের পুকুরটা সেচে সেচে খালি করে
দিচ্ছি,
তুমি
ফিরে এলে যেন
এই জগৎসংসারে দুঃখ বলে কিছু না থাকে।
তুমি ফিরে আসবে বলে বেঁচে আছি, বেঁচে
থেকে
যেখানেই যা কিছু সুন্দর পাচ্ছি,
দেখে রাখছি, তুমি এলেই সব যেন তোমাকে
দেখাতে
পারি।
যে কোনও একদিন ফিরে এসো, ভর দুপুরে
হোক,
মধ্যরাত্তিরে হোক —
তোমার ফিরে আসার চেয়ে সুন্দর এই
পৃথিবীতে আর
কিছু নেই।
বিশ্ব ব্রম্মাণ্ডের সমস্ত সুন্দর জড়ো করলেও
তোমার এক ফিরে আসার সুন্দরের সমান হবে
না।
ফিরে এসো,
যখন খুশি।
নাও যদি ইচ্ছে করে ফিরে আসতে,
তবু একদিন এসো, আমার জন্যই না হয় এসো,
আমি চাইছি বলে এসো,
আমি খুব বেশি চাইছি বলে।
আমি কিছু চাইলে কখনও তো তুমি না দিয়ে
থাকোনি !
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। তসলিমা নাসরিনের কবিতা।
কবিতার কথা –
তসলিমা নাসরিনের ‘ফিরে এসো’ কবিতাটি ভালোবাসার তীব্র আকুতি, অপেক্ষা এবং ব্যাকুল মিনতির এক অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও সংবেদনশীল রূপায়ণ। খুব সহজ ভাষার গাঁথুনিতে রচিত এই কবিতায় কোনো কৃত্রিম অলংকার নেই, আছে কেবল এক ভালোবাসার মানুষের অনুপস্থিতিতে জন্ম নেওয়া গভীর শূন্যতা আর তাকে ফিরে পাওয়ার আকুল ব্যাকুলতা।
কবিতার শুরুতেই কবি তাঁর প্রিয়জনকে ফিরে আসার এক অসীম স্বাধীনতা দিয়েছেন। নির্দিষ্ট কোনো দিন বা সময়ের বাঁধনে বেঁধে না দিয়ে তিনি বলছেন, যেদিন খুশি, যে কোনো সময়েই যেন সে ফিরে আসে। প্রিয় মানুষটি কাছে নেই বলেই জীবনের দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া রূপ-রস-গন্ধের অভিজ্ঞতাগুলো থমকে গেছে। পথে চলতে গিয়ে কবি কী দেখলেন, কী ভালো লাগল আর কী ভালো লাগল না—এই সাধারণ গল্পগুলো ভাগ করে নেওয়ার মতো তাঁর আর কেউ নেই। তাই পরম মমতায় তিনি সব অভিজ্ঞতা ও গল্প জমিয়ে রাখছেন, কেবল সেই মানুষটি ফিরে এলে তাকে বলবেন বলে।
কবিতাটিতে বিরহের যন্ত্রণাকে জমানো চোখের জলের রূপকে তুলে ধরা হয়েছে। কবি চোখের জমা জল বা ‘পুকুর’ সেচে খালি করে রাখছেন, যাতে প্রিয়জন ফিরে এলে এই জগতে আর কোনো দুঃখের অস্তিত্ব না থাকে। জীবনের প্রতি কবির এই বেঁচে থাকার আগ্রহও মূলত সেই প্রতীক্ষাকে কেন্দ্র করেই। পৃথিবীতে যা কিছু সুন্দর তিনি দেখছেন, সবই জমিয়ে রাখছেন কেবল প্রিয়জনকে দেখানোর উদ্দেশ্যে। কবির কাছে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত সৌন্দর্য একপাশে রাখলেও প্রিয় মানুষের ফিরে আসার সৌন্দর্যের সমান হতে পারে না।
কবিতার শেষাংশে এসে এই প্রতীক্ষা এক অনন্য মানবিক আবদারে রূপ নেয়। যদি প্রিয়জনের ফিরে আসার স্বতঃস্ফূর্ত ইচ্ছে নাও জাগে, তবুও কেবল কবির তীব্র চাওয়া এবং মিনতির খাতিরে হলেও যেন সে একবার ফিরে আসে। কবির সেই শেষ বাক্যটি—”আমি কিছু চাইলে কখনও তো তুমি না দিয়ে থাকোনি!”—প্রমাণ করে যে বিচ্ছেদ থাকা সত্ত্বেও অতীত সম্পর্কের বিশ্বাস, অধিকারবোধ এবং নিবিড় টান কতটা গভীর। প্রিয়জনের প্রতি এই অগাধ অধিকারবোধ ও ব্যাকুল প্রার্থনাই কবিতাটিকে এক চিরন্তন অপেক্ষার গাথায় পরিণত করেছে।
ফিরে এসো – তসলিমা নাসরিন | তসলিমা নাসরিনের কবিতা | আধুনিক বাংলা কবিতা | অপেক্ষা, ফেরার আকুতি ও প্রেমের অসাধারণ কাব্যভাষা
ফিরে এসো: তসলিমা নাসরিনের অপেক্ষা, ফেরার ডাক, স্মৃতি ও প্রেমের অসাধারণ কাব্যভাষা
তসলিমা নাসরিনের “ফিরে এসো” আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য, আকুল ও হৃদয়গ্রাহী সৃষ্টি। এটি একটি ফেরার ডাক — যে ডাকে নেই শর্ত, নেই সময়সীমা, নেই কোনো বাধ্যবাধকতা। “কোনও একদিন ফিরে এসো, যে কোনও / একদিন, যেদিন / খুশি / আমি কোনও দিন দিচ্ছি না, কোনও সময় বলে / দিচ্ছি / না, যে কোনও সময়।” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক প্রেমিকার অনন্ত অপেক্ষার কাহিনি — যে কাটাচ্ছে দিন, করছে কাণ্ড, দেখছে নতুন জিনিস, কিন্তু কাকে বলবে? ফিরে এলে বলবে বলে সব গল্প রেখে দিচ্ছে। চোখের পুকুর সেচে সেচে খালি করে দিচ্ছে — যেন পৃথিবীতে দুঃখ বলে কিছু না থাকে। তুমি ফিরে আসবে বলে বেঁচে আছে, সুন্দর সব দেখে রাখছে, তুমি এলেই দেখাতে পারবে। যে কোনো একদিন ফিরে এসো — ভর দুপুরে হোক, মধ্যরাত্রিতে হোক। তোমার ফিরে আসার চেয়ে সুন্দর পৃথিবীতে আর কিছু নেই। শেষে আবেদন — ‘আমি চাইছি বলে এসো, আমি খুব বেশি চাইছি বলে’। তসলিমা নাসরিন একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি-ভারতীয় বাঙালি লেখিকা, কবি ও মানবাধিকার কর্মী। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নারীর স্বাধীন কণ্ঠস্বর, প্রেম ও শরীরের প্রতি স্পষ্টবাদিতা এবং আবেগের গভীর প্রকাশের জন্য পরিচিত। ‘ফিরে এসো’ তাঁর সেই স্বকীয় কাব্যভাষার এক অসাধারণ শিল্পরূপ — যা অপেক্ষা ও ফেরার এক অনবদ্য দলিল।
তসলিমা নাসরিন: প্রেম, অপেক্ষা ও আকুতির কবি
তসলিমা নাসরিন একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি-ভারতীয় বাঙালি লেখিকা, কবি ও মানবাধিকার কর্মী। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নারীর স্বাধীন কণ্ঠস্বর, প্রেম ও শরীরের প্রতি স্পষ্টবাদিতা এবং আবেগের গভীর প্রকাশের জন্য পরিচিত। ‘ফিরে এসো’ তাঁর সেই ধারার একটি অসাধারণ উদাহরণ — যেখানে তিনি অপেক্ষা ও ফেরার এক অনবদ্য দলিল রচনা করেছেন।
তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘অলীক মানুষ’, ‘বাংলা কবিতার অমৃতপাত্র’, ‘ফিরে এসো’ (২০১৫), ‘নির্বাচিত কবিতা’ (২০২০) ইত্যাদি।
শিরোনাম ও কেন্দ্রীয় আবেদন
শিরোনাম ‘ফিরে এসো’ অত্যন্ত সরল ও স্পষ্ট। এটি একটি আবেদন, একটি ডাক, একটি প্রার্থনা। কবিতার পুরো আবেগ এই দুটি শব্দের মধ্যে ধরা আছে — ‘ফিরে এসো’।
কবিতার স্তরে স্তরে বিশ্লেষণ
প্রথম স্তবক: শর্তহীন ফেরার ডাক
“কোনও একদিন ফিরে এসো, যে কোনও / একদিন, যেদিন / খুশি / আমি কোনও দিন দিচ্ছি না, কোনও সময় বলে / দিচ্ছি / না, যে কোনও সময়।” — প্রথম স্তবকে শর্তহীনতা। ‘যে কোনও একদিন’ — সময়ের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ‘যেদিন খুশি’ — যখন ইচ্ছে। ‘আমি কোনও দিন দিচ্ছি না, কোনও সময় বলে দিচ্ছি না’ — কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই।
দ্বিতীয় স্তবক: অপেক্ষার দিন ও গল্প জমা করা
“তুমি ফিরে না এলে এই যে কী করে / কাটাচ্ছি দিন / কী সব কাণ্ড করছি, / কোথায় গেলাম, কী দেখলাম / কী ভালো লেগেছে, কী না লেগেছে — / কাকে বলবো! / তুমি ফিরে এলে বলবো বলে আমি সব / গল্পগুলো রেখে / দিচ্ছি।” — দ্বিতীয় স্তবকে অপেক্ষার সময় ও গল্প জমা করার কথা। ‘কী করে কাটাচ্ছি দিন’ — সময় কাটছে কিন্তু তার অর্থ নেই। ‘কী সব কাণ্ড করছি’ — নিজের জীবন চলছে, কিন্তু কাকে বলবে? ‘কাকে বলবো!’ — বিস্ময় ও বেদনা। ‘গল্পগুলো রেখে দিচ্ছি’ — সব অভিজ্ঞতা জমা করছে, ফিরে এলে বলবে।
তৃতীয় স্তবক: চোখের পুকুর খালি করা ও দুঃখমুক্ত পৃথিবী
“চোখের পুকুরটা সেচে সেচে খালি করে / দিচ্ছি, / তুমি / ফিরে এলে যেন / এই জগৎসংসারে দুঃখ বলে কিছু না থাকে।” — তৃতীয় স্তবকে অশ্রু ও দুঃখের চিত্র। ‘চোখের পুকুর সেচে সেচে খালি করে দিচ্ছি’ — কান্না শেষ করে ফেলেছে, যাতে ফিরে এলে দুঃখ না থাকে। ‘জগৎসংসারে দুঃখ বলে কিছু না থাকে’ — ফিরে এলে পৃথিবী যেন দুঃখমুক্ত হয়।
চতুর্থ স্তবক: বেঁচে থাকা ও সুন্দর জমা করা
“তুমি ফিরে আসবে বলে বেঁচে আছি, বেঁচে / থেকে / যেখানেই যা কিছু সুন্দর পাচ্ছি, / দেখে রাখছি, তুমি এলেই সব যেন তোমাকে / দেখাতে / পারি।” — চতুর্থ স্তবকে বেঁচে থাকার কারণ। ‘তুমি ফিরে আসবে বলে বেঁচে আছি’ — অপেক্ষাই তার বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ। ‘যেখানেই যা কিছু সুন্দর পাচ্ছি, দেখে রাখছি’ — সব সুন্দর জমা করছে, তাকে দেখানোর জন্য।
পঞ্চম স্তবক: ফিরে আসার সৌন্দর্য
“যে কোনও একদিন ফিরে এসো, ভর দুপুরে / হোক, / মধ্যরাত্তিরে হোক — / তোমার ফিরে আসার চেয়ে সুন্দর এই / পৃথিবীতে আর / কিছু নেই। / বিশ্ব ব্রম্মাণ্ডের সমস্ত সুন্দর জড়ো করলেও / তোমার এক ফিরে আসার সুন্দরের সমান হবে / না।” — পঞ্চম স্তবকে ফিরে আসার সৌন্দর্যের প্রশংসা। ‘ভর দুপুরে হোক, মধ্যরাত্রিতে হোক’ — যেকোনো সময়। ‘তোমার ফিরে আসার চেয়ে সুন্দর পৃথিবীতে আর কিছু নেই’ — সবচেয়ে বড় সুন্দর হলো তার ফেরা। ‘বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত সুন্দর জড়ো করলেও সমান হবে না’ — অতিরঞ্জিত কিন্তু আবেগপূর্ণ।
ষষ্ঠ স্তবক: শেষ আবেদন — চাওয়ার জন্য এসো
“ফিরে এসো, / যখন খুশি। / নাও যদি ইচ্ছে করে ফিরে আসতে, / তবু একদিন এসো, আমার জন্যই না হয় এসো, / আমি চাইছি বলে এসো, / আমি খুব বেশি চাইছি বলে। / আমি কিছু চাইলে কখনও তো তুমি না দিয়ে / থাকোনি !” — ষষ্ঠ স্তবক — শেষ স্তবক — পুরো কবিতার চূড়ান্ত আবেদন। ‘যখন খুশি’ — আবারও শর্তহীনতা। ‘নাও যদি ইচ্ছে করে ফিরে আসতে, তবু একদিন এসো’ — ইচ্ছে না থাকলেও এসো। ‘আমার জন্যই না হয় এসো, আমি চাইছি বলে এসো’ — তার চাওয়াই যথেষ্ট কারণ। ‘আমি কিছু চাইলে কখনও তো তুমি না দিয়ে থাকোনি!’ — শেষ লাইনটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর — একটি চিরন্তন স্মৃতি, একটি পুরনো বিশ্বাস।
প্রশ্নোত্তর: গভীর পাঠের জন্য
প্রশ্ন ১: ‘ফিরে এসো’ কবিতাটির লেখিকা কে?
উত্তর: এই কবিতাটির লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি-ভারতীয় বাঙালি লেখিকা, কবি ও মানবাধিকার কর্মী।
প্রশ্ন ২: ‘কোনও একদিন ফিরে এসো, যে কোনও একদিন’ — কেন এত শর্তহীন?
উত্তর: ভালোবাসায় কোনো শর্ত নেই। প্রিয় মানুষ যে কোনো সময় ফিরে আসতে পারে, কবি সব সময়ের জন্য প্রস্তুত।
প্রশ্ন ৩: ‘তুমি ফিরে না এলে এই যে কী করে কাটাচ্ছি দিন’ — কেন এই কথা?
উত্তর: অপেক্ষার সময় দিন কাটে কিন্তু তার কোনো অর্থ নেই। জীবন চলছে কিন্তু সে যেন নেই, তাই কাকে বলবে? কাকে শেয়ার করবে?
প্রশ্ন ৪: ‘সব গল্পগুলো রেখে দিচ্ছি’ — কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: প্রতিদিন যা ঘটে, যা দেখে, যা অনুভব করে — সব জমা করছে, যাতে ফিরে এলে বলতে পারে। অপেক্ষা মানে সব জমা করা।
প্রশ্ন ৫: ‘চোখের পুকুরটা সেচে সেচে খালি করে দিচ্ছি’ — কেন?
উত্তর: ফিরে এলে যেন দুঃখ না থাকে। আগে থেকেই সব কান্না শেষ করে ফেলছে, যাতে ফেরার মুহূর্তটি শুধু আনন্দের হয়।
প্রশ্ন ৬: ‘তুমি ফিরে আসবে বলে বেঁচে আছি’ — লাইনটির গভীরতা কী?
উত্তর: তার পুরো জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ফিরে আসার অপেক্ষা। এই অপেক্ষাই তাকে বাঁচিয়ে রাখে।
প্রশ্ন ৭: ‘যেখানেই যা কিছু সুন্দর পাচ্ছি, দেখে রাখছি’ — কেন?
উত্তর: ফিরে এলে সব সুন্দর তাকে দেখাতে চায়। অপেক্ষার সময়ও সে তার জন্য জমা করছে।
প্রশ্ন ৮: ‘তোমার ফিরে আসার চেয়ে সুন্দর পৃথিবীতে আর কিছু নেই’ — কেন?
উত্তর: তার ফেরাই সবচেয়ে বড় সুন্দর। বিশ্বের সব সৌন্দর্য তার ফেরার কাছে হার মানে।
প্রশ্ন ৯: ‘আমি কিছু চাইলে কখনও তো তুমি না দিয়ে থাকোনি!’ — শেষ লাইনটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: এটি পুরনো সম্পর্কের স্মৃতি — তিনি কখনও তার কিছু চাওয়া ফিরিয়ে দেননি। এই বিশ্বাসেই শেষ আবেদন — ‘এবারও না দিও না’।
প্রশ্ন ১০: কবিতার মূল শিক্ষা ও সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা কী?
উত্তর: কবিতাটি শেখায় — সত্যিকারের ভালোবাসা শর্তহীন। অপেক্ষা যন্ত্রণাদায়ক, কিন্তু সেই অপেক্ষাই প্রেমের প্রমাণ। ফিরে আসার জন্য সব জমা রাখা, সব সুন্দর দেখে রাখা, সব কান্না শেষ করে ফেলা — এটাই প্রেমের চরম রূপ।
ট্যাগস: ফিরে এসো, তসলিমা নাসরিন, তসলিমা নাসরিনের কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, প্রেমের কবিতা, অপেক্ষার কবিতা, ফেরার ডাক
© Kobitarkhata.com – কবি: তসলিমা নাসরিন | কবিতার প্রথম লাইন: “কোনও একদিন ফিরে এসো, যে কোনও একদিন, যেদিন খুশি” | অপেক্ষা, ফেরার আকুতি ও প্রেমের অসাধারণ কাব্যভাষা | আধুনিক বাংলা কবিতার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন