admin

admin

একুশ আগুন রঙের পাখি – রুদ্র গোস্বামী।

একুশ আগুন রঙের পাখি- রুদ্র গোস্বামী

একুশ কী মাএকুশ ?একুশ একটা পাখির জন্মদিন ।পাখি !ওর কি নাম ? কি রঙ ?ওর নাম বাংলা ভাষা ।আর ওর আগুন রঙ ।ও কোথায় থাকে ?তোমার, আমার ,আমাদের বুকের মধ্যে থাকে ।আমার বুকেও আছে !আছে তো ।ইস ওর কষ্ট হয়…

যেতে পারবে ? – রুদ্র গোস্বামী।

অনন্ত, মেহেদী পাতা দেখেছো নিশ্চয়ই-আবুল হোসেন খোকন

এই যে তুমি বার বার চলে যাই বলোধরো তুমি চলে গেছোখানিকক্ষণ পর ফিরে এসে যদি দেখোকষ্টে ভিজে যাচ্ছে আমার বুকআমার চোখের দিকে তাকিয়েতুমি কি তখন মুখ লুকাতে পারবে ?বলো পারবে ? আর এসে দেখো যদিহাতে আমার ভেজা রুমাল,তখনও অপেক্ষায় আমি,যাইনি…

কুড়ি বছর ফিরে পেতাম যদি – মল্লিকা সেনগুপ্ত।

কুড়ি বছর ফিরে পেতাম যদি - মল্লিকা সেনগুপ্ত।

কুড়ি বছর ফিরে পেতাম যদিনতুন করে সাজিয়ে নিতাম ঘুঁটিআমি তখন পঁচিশ বসন্তেরযেন ভিনাস, সাগর থেকে উঠি। কুড়ি বছর ফিরে পেতাম যদিঅন্য কোনও জীবন বেছে নিতামঘূর্ণি তুলে হেঁটে যেতাম চাঁদেতারায় তারায় উঠত জ্বলে নাম হিলহিলে ত্বক, চেকনাই চোখমুখসাজপোশাকে লাগিয়ে দেব তাকযে…

প্রাণাধিকেষু- বীথি চট্টোপাধ্যায়।

অলৌকিক - বীথি চট্টোপাধ্যায়।

আমি এখন একাকী মাঝরাতমাধুরীলতা পাশে ঘুমিয়ে আছে,তুমি এখন শিলাইদহে বোটেনিবিড় চিঠি ইন্দিরার কাছে। তোমার বোটে জ্যোৎস্না ফটফটেআমার কথা ভুলে যাবার মতো,উপযুক্ত স্নিগ্ধ পটভূমিজ্যোৎস্নারাত আকাশ যথাযথ। এখন তুমি প্রেমিক কবি চিঠিএখন তুমি হারানো বউঠান—বিবির কথায় আত্মহারা হওওকে পাঠাও নতুন লেখা গান।…

ধার্মিক – বীথি চট্টোপাধ্যায়।

ধার্মিক - বীথি চট্টোপাধ্যায়

স্বামীজিকে নিয়ে লেখা কবির কবিতা একটা ছেলে ছোট্টবেলায়মুসলমানের তামাক খেলো,আমেরিকায় সহজ করেউপনিষদ বুঝিয়ে এলো। একটা ছেলে ধর্ম মানেদয়ার মতো হয়না কিছু,মানুষ হলে বুঝবে তখনবাদবাকিটা বড্ড নিচু। একটা ছেলে স্পষ্ট বলেখিদের কাছে কেউ বড় নয়,একটা কুকুর না-খায় যদিতাতেও পূজা অশুদ্ধ হয়।…

উৎসবের দিনে আমি রবীন্দ্রনাথের কবিতা পড়ি না- বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

উৎসবের দিনে আমি রবীন্দ্রনাথের কবিতা পড়ি না- বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

রথের মেলা দেখতে আমার বেশ লাগে ;ভেতরে হাত-পা-গুটানো জগন্নাথ, সুভদ্রা, বলরামবাইরে হাজার মানুষ রথ টানছে, রথ টানছে…এই রথের মেলা নিয়েই রবীন্দ্রনাথ একদিন কবিতালিখেছিলেন :‘বসেছে আজ রথের তলায় স্নানযাত্রার মেলা…’সে-দিন ভোর থেকে অঝোর ধারায় নেমেছিল বৃষ্টিআর, ঐ বৃষ্টির মধ্যেই, এক পয়সায়…

বোহেমিয়ান হতে চেয়েছিলাম – রুমানা শাওন।

বোহেমিয়ান হতে চেয়েছিলাম- রুমানা শাওন।

বোহেমিয়ান হতে চেয়েছিলাম,এক মুঠো হাওয়া হতে চেয়েছিলামচেয়েছিলাম খালি পায়ে শিশির জড়ানো ঘাসে পা রাখতেবিনা কারণেই কোনো ট্রেন ধরে দূরেএএএএএ চলে যেতে। চেয়েছিলাম—সন্ধ্যা হলে শহরের ভিড়ে হারিয়ে যাই,বন্ধুদের সঙ্গে চা-ভাষার আড্ডায় কবিতা আওড়াই,দুপুরবেলা শুয়ে থাকতে খোলা জানালার পাশেএকটা বই, কিছু কবিতা,…

অভিশাপ দিচ্ছি – শামসুর রাহমান।

অভিশাপ দিচ্ছি – শামসুর রাহমান

না আমি আসিনি ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রাচীন পাতা ফুঁড়ে,দুর্বাশাও নই, তবু আজ এখানে দাঁড়িয়ে এই রক্ত গোধূলিতে অভিশাপ দিচ্ছি।আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক কৃষ্ণপক্ষ দিয়েছিলো সেঁটেমগজের কোষে কোষে যারা পুঁতেছিলআমাদেরই আপন জনেরই লাশ দগ্ধ, রক্তাপ্লুতযারা গণহত্যা করেছে শহরে গ্রামে টিলায় নদীতে…

সেই সব স্বপ্ন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

আট বছর আগে একদিন- জীবনানন্দ দাশ।

কারাগারের ভিতরে পড়েছিল জোছনাবাইরে হাওয়া, বিষম হাওয়াসেই হাওয়ায় নশ্বরতার গন্ধতবু ফাঁসির আগে দীনেশ গুপ্ত চিঠি লিখেছিল তার বৌদিকে,“আমি অমর, আমাকে মারিবার সাধ্য কাহারও নাই।” মধ্যরাত্রির আর বেশি দেরি নেইপ্রহরের ঘণ্টা বাজে, সান্ত্রীও ক্লান্ত হয়শিয়রের কাছে এসে মৃত্যুও বিমর্ষ বোধ করে।কনডেমড…

খরা – রুমানা শাওন।

হেমন্তরাতে - জীবনানন্দ দাশ।

একমুঠো বৃষ্টি চাইআর কিছু না হলেও চলবেখরায় পুড়েছে কন্ঠখানিকিভাবে ভালবাসি বলবে? আঁচল পেতেছি ঝড়ো বাতাসের আশায়হতাশ আমি মেঘেদের ভাষায়।আমার হৃদয়ে খট খটে রোদমুখের ভাষায় নিদারুন ক্ষোভ চোখের তারায় শুধুই খরাতোমার আমার নেই বোঝাপড়ামধুমাস তবু নেই মিষ্টতামন এলোমেলো, চায় শিষ্টতা এভাবেই…