admin

admin

নিছক প্রেমের গল্প – সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়

ভালোবাসা - আর্যতীর্থ

দু’আনা তার দুঃখ ছিল।চোদ্দো আনা সুখজানালাপারের গন্ধমাখা।চম্পাবরণ মুখসেও যদি যায় ঝাপসা হয়েসমীকরণ স্পষ্টদু’আনা তার সুখ বাঁচে ‘আরচোদ্দো আনা কষ্ট কন্যে মুখে কিছুই বলাে নাকন্যে তােমার সকল ছলনা ডাইনির মতন চুল এলাে করে ওইভাবে জানালার পাশে বসে আছিস কেন? কী হয়েছে…

তোমাকে ভুলতে চেয়ে আরো বেশী ভালোবেসে ফেলি – মহাদেব সাহা।

নতুন - শ্রীজাত

তোমাকে ভুলতে চেয়ে আরো বেশিভালোবেসে ফেলিতোমাকে ছাড়াতে গিয়ে আরোবেশি গভীরে জড়াই,যতোই তোমাকে ছেড়ে যেতে চাইদূরেততোই তোমার হাতে বন্দি হয়ে পড়ি,তোমাকে এড়াতে গেলে এভাবেইআষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা পড়ে যাই এভাবেই সম্পূর্ণ আড়ষ্ট হয়ে পড়ি;তোমাকে ছাড়াতে গেলে আরো ক্রমশজড়িয়ে যাই আমিআমার কিছুই আর করার…

আক্রোশ – নির্মলেন্দু গুণ ।             

এখন আকাশে চাঁদ নেই - আসাদ চৌধুরী।

আকাশের তারা ছিঁড়ে ফেলি আক্রোশে,বিরহের মুখে স্বপ্নকে করি জয়ী;পরশমথিত ফেলে আসা দিনগুলিভুলে গেলে এতো দ্রুতো,হে ছলনাময়ী? পোড়াতে পোড়াতে চৌচির চিতা নদীচন্দনবনে আগ্নির মতো জ্বলে,ভূকম্পনের শিখরে তোমার মুখহঠাৎ স্মৃতির পরশনে গেছে গলে । ফিরে গেলে তবু প্রেমাহত পাখি একা,ঝড় কি ছিলো…

সুখে থাকো – শক্তি চট্টোপাধ্যায়।

সুখে থাকো - শক্তি চট্টোপাধ্যায়

চক্রাকারে বসেছি পাঁচজনেমাঠে, পিছনে পড়ছে আলোঅন্ধকার সন্ধ্যা নামে বিড়ালের মতো ধীর পায়েতুমি এসে বসেছো আসনে অকস্মাৎ।হঠাৎই পথে ঘুরতে-ঘুরতে কীভাবে এসেছোএকেবারে পাশে,তোমার গায়ের গন্ধ নাকে এসে লাগেবৃদ্ধের রোমাঞ্চ হয়!খুব ভালো আছো?অন্তত এখন, তুমি?তুমি ঠিক আছো?না থাকার মানে হয়বিশেষত যখন এসেছোকৃপা করে।কৃপা…

এসেছিলে তবু আসো নাই – জয় গোস্বামী।

এই বা মন্দ কি - তারাপদ রায়।

যেভাবে বৃষ্টির জল তোড়ে বয়ে যায়ঢালুদিকেসেইভাবে, আমার জীবনআজ অধোগামী। সালোয়ার একটু উঁচু ক’রেতুমি সেই জল ভেঙে ভেঙে রাস্তা পার হয়ে গেলে—এত যত্নে, সাবধানে, যেন বা জলের গায়েআঘাত না লাগে! পড়ন্ত জীবন শুধু মনে রাখবে অপরূপ চলে যাওয়াটিকে। আরো কবিতা পড়তে…

তুমি যেখানেই যাও – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

রক্তগোলাপ - বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

তুমি যেখানেই যাওআমি সঙ্গে আছি।মন্দিরের পাশে তুমি শোনো নি নিঃশ্বাস?লঘু মরালীর মতো হাওয়া উড়ে যায়জ্যোৎস্না রাতে নক্ষত্রেরা স্থান বদলায়ভ্রমণকারিণী হয়ে তুমি গেলে কার্শিয়াংঅন্য এক পদশব্দ পেছনে শোনো নি?তোমার গালের পাশে ফুঁদিয়ে কে সরিয়েছে চুর্ণ অলক? তুমি সাহসিনী,তুমি সব জানলা খুলে…

দুঃস্বপ্নের ফাঁসি – রুমানা শাওন।

দুঃস্বপ্নের ফাঁসি - রুমানা শাওন

আমি আমার দুঃস্বপ্নের ফাঁসি চাই—যে স্বপ্ন আমাকে জাগিয়ে রাখে রাতে,মনে করায় প্রতিটি বিশ্বাসঘাতকতা,বঞ্চনা, প্রতারণা, আর ঘৃণার আড়ালেলুকিয়ে থাকা ক্ষণিকের ভালোবাসার ছায়া।যে স্বপ্ন চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়আমার অপূর্ণতা, ব্যর্থতা,আর অবিরাম না-পাওয়ার যন্ত্রণা—আমি চাই তার মৃত্যু।বাঁধো তার হাত-পা, ঝুলাও ফাঁসির দড়িতে,কেটে ফেলো…

অসভ্য শয়ন – নির্মলেন্দু গুণ।

মানুষ মানুষের কাঁধে - নির্মলেন্দু গুণ

তুমি এলেই দেখতে পেতে, শুয়ে-থাকাটাই ঘুম নয়,চারদিকে মশারির মতো নেমে-আসা সমস্যার ভিতরেকিছু নেই, কেবল কবর খোঁড়ে অন্ধকার চোখের ব্যথায়।আমি যত কাছে টানি, আলো তত দূরে সরে যায়।তুমি এলেই দেখতে পেতে, শুয়ে-থাকাটাই ঘুম নয়।আমার বুকের মধ্যে একটি এনোফিলিস্ কেন সারারাতজেগে থাকে,…

ভালোবাসার টাকা – নির্মলেন্দু গুণ।

ভালোবাসার টাকা - নির্মলেন্দু গুণ

একটি টাকা রেখে দিলুম, কাল সকালেটিফিন করে তোমার মুখ দেখতে যাবো।একটি টাকা বুক-পকেটে রেখে দিলুমকাল সকালে তোমাকে আমি দেখতে যাবো।বুকের কাছে একটি টাকা ঘুমিয়ে আছে,কাল সকালে জলের দামে শহীদ হবে।আমার চোখ তোমার দেহে হাজার চোখ,একটি টাকা হাজার টাকা সে-উৎসবে।আগামীকাল সকাল…

মানুষ – নির্মলেন্দু গুণ।

প্রতিদান - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন

মানুষ কবিতা – নির্মলেন্দু গুণ | বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ মানুষ কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ মানুষ কবিতা বাংলা আধুনিক কবিতার একটি অস্তিত্ববাদী, আত্মসংলাপমূলক ও পরিচয় সংকটের গভীর রচনা যা নির্মলেন্দু গুণের সবচেয়ে মর্মস্পর্শী ও দার্শনিক কবিতাগুলির মধ্যে অন্যতম। নির্মলেন্দু গুণ রচিত…