আজ পয়লা শ্রাবণ।
খোকন, আজ তোর জন্মদিন।
তুই যখন জন্মেছিলি, আমরা তখন যাদবপুরে
নতুন গড়ে ওঠা কলোনীর টালির ঘরে
তোর ইস্কুল মাস্টার বাবা
সেই হ্যারিকেনের আলো জ্বলা ঘরেই
আনন্দে আর খুশিতে ঝলমলে হয়ে উঠেছিলেন
তুই আসার পর। তোর নাম রেখেছিলেন- সুকল্যাণ।
মানুষটার মনটা ছিল শিশুর মতন
অভাবে অনটনে, বেঁচে থাকার নানা দুর্বিপাকেও
ভেঙ্গে পড়তেন না কখনও। সকলের ভাল চাইতেন মন থেকে।
বলতেন দেখো একদিন এই দেশের মানুষ
ঠিক খুঁজে পাবে মুক্তির পথ। শোষণ থেকে মুক্তি
দারিদ্র থেকে মুক্তি অশিক্ষা থেকে মুক্তি…
আজ পয়লা শ্রাবণ
খোকন, আজ তোর জন্মদিন।
ছোটবেলায়, তোর মনে আছে? আমাদের ভাঙ্গা মেঝেতে
বাক্স থেকে বার করা মেজো-মাসীর হাতে তৈরি আসনটা
পেতে দিতাম। সামনে রাখতাম ঠাকুরের আসনের প্রদীপখানা।
তুই বসতিস বাবু হয়ে চুপটি করে।
তোকে আমরা একে একে ধান দুব্বো মাথায় দিয়ে আশীর্বাদ করতাম।
বাবা বলতেন বড় হও মানুষ হও।
তোর বাবার সেই বন্ধু-ঘোষ কাকা তিনি বলতেন
বেঁচে বর্তে থাকো।
তুই জিগ্যেস করতিস-মা, বর্তে মানে কি মা?
আমি শুধু তোর মাথায় ধান-দুব্বোই দিতাম।
বলতাম না কিছুই। শুধু মনে মনে বলতাম
ঠাকুর, আমার খোকনকে মস্ত বড় মানুষ করে তোলো
আমার খোকন যেন সত্যিই মানুষ হয়।
ওর যেন কখনো কোনো বিপদ না হয় ঠাকুর।
অভাবের সংসারে ওই একটা দিন-পয়লা শ্রাবণ
কষ্টের পয়সায় একটু বাড়তি দুধ নিতাম।
পায়েস রান্না করে দিতাম তোকে।
তুই খুব ভালবাসতিস পায়েস খেতে।
তোর বাবা বাসস্টান্ডের দোকান থেকে নিয়ে আসতেন
তোর প্রিয় মিষ্টি ছানার গজা।
সামান্য ইস্কুল মাস্টারিতে কীই বা আয় হত;
ঘরে বসে ছাত্র পড়িয়ে আসতো কিছু।
দাউ দাউ অভাবের আগুনে সে রসদ পুড়তে সময় লাগত না।
তোর বাবার জামা সেলাই করতাম আর বার বার বলতাম
আসছে মাসে একটা জামা বানিয়ে নিও।
উনি হেসে উঠে বলতেন; বাদ দাও তো, খোকন বড় হচ্ছে।
ওর জন্য ভাবছি দুধ রাখতে হবে আরো আধসের-
দুধে শক্তি বাড়ে। বুদ্ধি বাড়ে। শক্তি আরে বুদ্ধি না হলে
তোমার খোকন মস্ত বড় মানুষ হয়ে উঠবে কি করে?
ভাবছি আরো দুটো টিউশনি নেব।
ছাত্র পড়িয়ে পড়িয়ে মানুষটা দিনের শেষে ক্লান্ত হয়ে যেতেন।
বারান্দার ধার ঘেঁষে যখন রাতের অন্ধকারে জোনাকির ব্যস্ততা,
আর ঘরে তোর পড়া মুখস্থ করার একটানা সুর
আমাদের কলোনীর ভাঙ্গাচূড়া বাড়িটাকে জীবন্ত করে রাখতো-
তখন বলতেন আমায়; খাওয়া দাওয়া একটু করো- তোমার চেহারাটা
বড় ভেঙ্গে পড়ছে দিন দিন… শাড়িটাও তো দেখছি বেশ ছিঁড়েছে-
কালই আমি ফেরার পথে একটা শাড়ি নিয়ে আসব। ধারেই আনব।
আমি বলতাম-ধুর। সামনে খোকনের উঁচু ক্লাস-
কত বই পত্তর কিনতে হবে- কত খরচ।
উনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে চুপ করে যেতেন।
জোনাকিরা নিঃশব্দ অদৃশ্য আলোর আলপনা আঁকত
উঠনের আগাছার ঝোপে।
আবহ সঙ্গীতের মত তুই ভেতরে বসে বসে পড়া মুখস্থ করতিস।
ইতিহাস, ভূগোল, গ্রামার।
ঈশ্বর আমাদের নিরাশ করেননি।
তুই কত বড় হলি।
সব পরীক্ষায় কত ভাল ফল হল তোর।
বাবা বললেন; আরও পড়। উচ্চ শিখাই উচ্চ সম্মানের
এক মাত্র পথ। তুই আরও পড়লি।
তারপর…
তোর চাকরি হল কত বড় অফিসে
মনে আছে খোকা? প্রথম মাসের মাইনে হাতে পেয়েই
তুই কত কী কিনে এনেছিলি?
তখন তো আমরা উঠে এসেছি শ্যামবাজারে।
দু’কামরার বেশ সাজানো ঘোচানো গোছানো বড় ফ্লাট।
তোর অফিস থেকেই তো দিয়েছিল।
সেই বাড়ি সেই ঘর সেই বেলকনি- কত স্মৃতি- কত ছবি!
ঐ বাড়িতেই তো
আশ্বিনের ঝড়ো বিকেলে- তোর মনে আছে খোকন?
তোর বাবা যেদিনটাতে চলে গেলেন- মনে আছে?
তুই বাবার বুকের ওপর পড়ে যখন কাঁদছিলি হাপুস নয়নে
সদ্য স্বামীহারা, আমি সেদিন তোর সেই অসহায় মুখ দেখে
আরো বেশি করে ভেঙ্গে পড়েছিলাম।
তোকে বুকে টেনে নিয়েছিলাম ছোটবেলার মত।
বলেছিলাম-
কাঁদিস না খোকা। আমিতো আছি।
আজ পয়লা শ্রাবণ
কলকাতা থেকে অনেক দুরে মফস্বলের এই বৃদ্ধাশ্রমে
আমি একেবারে একা, খোকন।
তোকে বড় দেখতে ইচ্ছে করছে রে।
তোকে, বৌমাকে আর ছোট্ট বিল্টুকে।
তোরা এখন কত দুরে-
সল্ট-লেকের মার্বেল বসানো ঝকঝকে বাড়িতে।
আজ তোর জন্মদিনের নিশ্চয়ই খুব বড় পার্টি হচ্ছে-
তাই নারে খোকন? লোকজন, হৈচৈ, খাওয়া-দাওয়া।
খুব ভাল, খুব ভাল।
খোকন, আজ পয়লা শ্রাবণ
আমার বড় মনে পড়ছে যাদবপুরের ভাঙ্গা ঘরে রাত্রে
তুই আমার পাশে শুয়ে মাঝে মধ্যে হঠাৎ খুব ভয় পেয়ে
জড়িয়ে ধরতিস আমাকে। আমি বলতাম, ভয় কী রে?
আমি তো আছি। মা তো আছে খোকনের। যার মা থাকে
তাকে কী ভুতে ধরে?
তুই নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়তিস আমার বুক জুড়ে।
তোর আধুনিক সংসারে
এই বুড়িটার একটু ঠাই হল নারে?
প্রতিমাও তো মা। ওরও তো আছে আমার খোকনেরই মত
কোল আলো- করা এক চাঁদের টুকরো।
কিন্তু সময়ের কী আশ্চর্য পরিবর্তন!
খোকন!
তুই বোধহয় আর এখন পায়েস খাস না- তাই নারে?
তুই জানিস না খোকন
আজ আমি সকালে পায়েস রান্না করেছি। হ্যাঁ
তোরই পাঠানো টাকায়।
সারাদিন সেই পায়েসের বাটি সামনে নিয়ে বসে আছি রে।
এখানে এই বৃদ্ধাশ্রমে
আমার একলা ঘরে
আর কেউ নেই।
তুই একবার আসবি খোকন।
একবার.. শুধু
একবার।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। শুভ দাশগুপ্ত।
জন্মদিন কবিতা – শুভ দাশগুপ্ত | বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ
জন্মদিন কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ
জন্মদিন কবিতা বাংলা সাহিত্যের একটি হৃদয়স্পর্শী রচনা। “আজ পয়লা শ্রাবণ। / খোকন, আজ তোর জন্মদিন।” – এই প্রথম লাইন দিয়ে শুরু হওয়া জন্মদিন কবিতা পাঠককে সরাসরি একটি মায়ের আবেগী monologue-এ নিয়ে যায়। শুভ দাশগুপ্ত রচিত এই জন্মদিন কবিতা মাতৃত্ব, বিস্মৃতি ও একাকীত্বের গভীর অনুভূতি প্রকাশ করে। জন্মদিন কবিতা পড়লে মনে হয় যেন কবি শুধু কবিতা লিখেননি, প্রতিটি শব্দ দিয়ে একটি মায়ের হৃদয়ের বেদনা তুলে ধরেছেন। শুভ দাশগুপ্তের জন্মদিন কবিতা বাংলা সাহিত্যে আধুনিক কবিতার ধারায় একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
জন্মদিন কবিতার কাঠামো ও শৈলী
জন্মদিন কবিতা গদ্যকাব্যের ধারায় রচিত কিন্তু এর মধ্যে কাব্যিক আবেগের প্রবাহ রয়েছে। “আজ পয়লা শ্রাবণ / খোকন, আজ তোর জন্মদিন।” – শুভ দাশগুপ্ত জন্মদিন কবিতাতে এই refrain-টি বারবার ব্যবহার করে কবিতার মূল সুরকে জোরালো করেছেন। শুভ দাশগুপ্তের জন্মদিন কবিতাতে ভাষা অত্যন্ত সরল কিন্তু গভীর আবেগময়। জন্মদিন কবিতা পড়ার সময় প্রতিটি স্তবকে মায়ের স্মৃতি, বর্তমানের একাকীত্ব এবং ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে দোলাচল দেখা যায়। শুভ দাশগুপ্ত জন্মদিন কবিতাতে এমন কাব্যিক দক্ষতা দেখিয়েছেন যা পাঠকের হৃদয় সরাসরি স্পর্শ করে।
শুভ দাশগুপ্তের কবিতার বৈশিষ্ট্য
শুভ দাশগুপ্ত বাংলা সাহিত্যের একজন আধুনিক কবি যার কবিতায় মধ্যবিত্ত জীবন, পারিবারিক সম্পর্ক ও সামাজিক বাস্তবতার গভীর চিত্রণ পাওয়া যায়। শুভ দাশগুপ্তের কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ভাষায় জটিল মানবিক আবেগের প্রকাশ। শুভ দাশগুপ্ত জন্মদিন কবিতাতে মাতৃত্বের গভীর অনুভূতি, সময়ের পরিবর্তন এবং আধুনিক সমাজের বিচ্ছিন্নতাকে অসাধারণভাবে চিত্রিত করেছেন। শুভ দাশগুপ্তের অন্যান্য কবিতার মতো জন্মদিন কবিতাতেও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সার্বজনীন রূপ পেয়েছে। শুভ দাশগুপ্তের কবিতায় ভাষার সরলতা ও ভাবের গভীরতার অনন্য সমন্বয় দেখা যায়।
জন্মদিন কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
জন্মদিন কবিতার লেখক কে?
জন্মদিন কবিতার লেখক বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবি শুভ দাশগুপ্ত।
জন্মদিন কবিতার প্রথম লাইন কী?
জন্মদিন কবিতার প্রথম লাইন: “আজ পয়লা শ্রাবণ। / খোকন, আজ তোর জন্মদিন।”
জন্মদিন কবিতার মূল বিষয় কী?
জন্মদিন কবিতার মূল বিষয় মাতৃত্ব, স্মৃতি, বিস্মৃতি, একাকীত্ব এবং আধুনিক সমাজে পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা।
শুভ দাশগুপ্ত কে?
শুভ দাশগুপ্ত বাংলা সাহিত্যের একজন আধুনিক কবি ও লেখক।
জন্মদিন কবিতা কেন বিশেষ?
জন্মদিন কবিতা বিশেষ কারণ এটি একটি মায়ের monologue-এর মাধ্যমে আধুনিক সমাজের পারিবারিক সম্পর্কের সংকটকে গভীরভাবে প্রকাশ করেছে।
শুভ দাশগুপ্তের কবিতার বৈশিষ্ট্য কী?
শুভ দাশগুপ্তের কবিতার বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ভাষায় জটিল মানবিক আবেগের প্রকাশ এবং সামাজিক বাস্তবতার কাব্যিক চিত্রণ।
জন্মদিন কবিতা কোন যুগের?
জন্মদিন কবিতা আধুনিক যুগের, যখন শহুরে জীবনে পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা নতুন সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
জন্মদিন কবিতা থেকে কী শিক্ষা পাওয়া যায়?
জন্মদিন কবিতা থেকে মাতৃভক্তির গুরুত্ব, পারিবারিক বন্ধনের মূল্য এবং বৃদ্ধ বয়সের একাকীত্ব সম্পর্কে সচেতনতা পাওয়া যায়।
শুভ দাশগুপ্তের অন্যান্য কবিতা কী কী?
শুভ দাশগুপ্তের অন্যান্য কবিতার মধ্যে রয়েছে “মা”, “স্মৃতি”, “কলকাতা” ইত্যাদি।
জন্মদিন কবিতা পড়ার সেরা সময় কখন?
জন্মদিন কবিতা পড়ার সেরা সময় হলো যখন মন স্থির থাকে এবং পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে চিন্তা করার ইচ্ছা থাকে।
জন্মদিন কবিতার গুরুত্বপূর্ণ লাইন বিশ্লেষণ
“আজ পয়লা শ্রাবণ। / খোকন, আজ তোর জন্মদিন।” – জন্মদিন কবিতার শুরুতে বারবার ফিরে আসা refrain যা কবিতার মূল সুর স্থাপন করে।
“তুই যখন জন্মেছিলি, আমরা তখন যাদবপুরে” – শুভ দাশগুপ্ত অতীতের স্মৃতিচারণার মাধ্যমে কবিতার narrative শুরু করেন।
“আজ পয়লা শ্রাবণ / খোকন, আজ তোর জন্মদিন।” – এই পুনরাবৃত্তি কবিতার কাঠামো দেয় এবং সময়ের ধারণাকে জোরালো করে।
“আজ পয়লা শ্রাবণ / কলকাতা থেকে অনেক দুরে মফস্বলের এই বৃদ্ধাশ্রমে” – শুভ দাশগুপ্ত বর্তমানের বাস্তবতা এবং মায়ের একাকীত্বের চিত্র এঁকেছেন।
“তুই একবার আসবি খোকন। / একবার.. শুধু / একবার।” – জন্মদিন কবিতার শেষে মায়ের আকুতি যা পাঠকের হৃদয় ভেঙে দেয়।
জন্মদিন কবিতার সামাজিক তাৎপর্য
জন্মদিন কবিতা শুধু একটি ব্যক্তিগত আবেগের প্রকাশ নয়, এটি আধুনিক সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে। শুভ দাশগুপ্ত জন্মদিন কবিতাতে দেখিয়েছেন কিভাবে আধুনিক নগর জীবনে পারিবারিক বন্ধন শিথিল হয়ে যায়, কিভাবে সন্তানেরা সফল হয়ে উঠলে মা-বাবার সাথে তাদের দূরত্ব বাড়ে। জন্মদিন কবিতা পড়লে বোঝা যায় যে শুভ দাশগুপ্ত শুধু কবি নন, একজন গভীর সমাজবীক্ষকও বটে। জন্মদিন কবিতা আধুনিক সমাজের nuclear family system, বৃদ্ধাশ্রমের বাস্তবতা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের একটি শিল্পিত দলিল। শুভ দাশগুপ্তের জন্মদিন কবিতা এই সমস্যা নিয়ে চিন্তা করতে বাধ্য করে।
জন্মদিন কবিতার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
জন্মদিন কবিতার গভীর মনস্তাত্ত্বিক দিক রয়েছে। কবিতাটি একটি মায়ের মানসিক অবস্থার সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করে। শুভ দাশগুপ্ত জন্মদিন কবিতাতে দেখিয়েছেন কিভাবে একজন মা অতীতের সুখস্মৃতি এবং বর্তমানের একাকীত্বের মধ্যে দোলাচল অনুভব করেন। “আজ আমি সকালে পায়েস রান্না করেছি। হ্যাঁ / তোরই পাঠানো টাকায়।” – এই লাইনগুলিতে মায়ের অন্তর্দ্বন্দ্ব, স্বাধীনতা ও নির্ভরতার দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে। শুভ দাশগুপ্ত জন্মদিন কবিতাতে মায়ের মানসিক যন্ত্রণা, সন্তানের প্রতি আকাঙ্ক্ষা এবং বৃদ্ধ বয়সের helplessness-এর মনস্তত্ত্ব অসাধারণ দক্ষতায় চিত্রিত করেছেন।
জন্মদিন কবিতা পড়ার সঠিক পদ্ধতি
- জন্মদিন কবিতা প্রথমে সম্পূর্ণভাবে একবার পড়ুন
- কবিতার মধ্যে থাকা মায়ের আবেগ নিজের মধ্যে অনুভব করার চেষ্টা করুন
- শুভ দাশগুপ্তের জীবনী ও লেখার শৈলী সম্পর্কে জানুন
- কবিতার সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝার চেষ্টা করুন
- নিজের জীবনের সাথে কবিতার বিষয়বস্তুর সংযোগ খুঁজুন
- কবিতার বার্তা ও শিক্ষা নিজের জীবনে প্রয়োগ করার চিন্তা করুন
- অন্যের সাথে কবিতাটি নিয়ে আলোচনা করুন
শুভ দাশগুপ্তের অন্যান্য কবিতা
- মা
- স্মৃতি
- কলকাতা
- বৃদ্ধাশ্রম
- সময়
জন্মদিন কবিতা নিয়ে শেষ কথা
জন্মদিন কবিতা বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ। শুভ দাশগুপ্ত রচিত এই কবিতাটি শুধু কবিতা নয়, আধুনিক সমাজের একটি mirror। জন্মদিন কবিতা পড়লে পাঠক বুঝতে পারেন কিভাবে কবিতা সামাজিক বাস্তবতা ও মানবিক আবেগের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে। শুভ দাশগুপ্তের জন্মদিন কবিতা বিশেষভাবে আজকের যুবসমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যারা কর্মব্যস্ত জীবনে মা-বাবার সাথে সময় দিতে পারে না। জন্মদিন কবিতা সকলের পড়া উচিত যারা পারিবারিক মূল্যবোধ, মাতৃত্বের গভীরতা এবং সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে ভাবেন। শুভ দাশগুপ্তের জন্মদিন কবিতা timeless, এর আবেদন চিরন্তন।
ট্যাগস: জন্মদিন কবিতা, জন্মদিন কবিতা বিশ্লেষণ, শুভ দাশগুপ্ত, শুভ দাশগুপ্তের কবিতা, বাংলা কবিতা, মায়ের কবিতা, পারিবারিক কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, বাংলা সাহিত্য, কবিতা সংগ্রহ