কবিতার খাতা
- 23 mins
এরই নাম প্রেম – নির্মলেন্দু গুণ ।
–সাত-সকালে সলতে পাকাচ্ছো কেন?
–সন্ধ্যাবাতি জ্বালবো তো, তার জন্য।
–তাই? আমি ভাবলাম, –আমার জন্য।
তুমি বললে, — ইস্, বালাই ষাট,
তোমার আগে আমিই যেন যাই।
হঠাৎ শুনে চমকে উঠলাম আমি,
বললাম, তুমি আমার ছোট্ট পাখি,
আমি বড়ো, –আমি তোমার স্বামী।
আমিই আগে যাব, এ তো জানা কথাই।
তুমি সলতে পাকানো বন্ধ করে দিলে।
ফিরে তাকাতেই আমি দেখলাম–
তোমার জঙ্ঘা উন্মুক্ত, মুখ ঢাকা।
বাঁশের ডালায় কতগুলো সলতে…..
ভাবলাম, আমি তো মিথ্যে বলিনি কিছু।
তবুও মাথাটি তার সত্যের ভারে নীচু।
আমি ঘোমটা সরিয়ে দেখলাম তার
বহুবার দেখা মুখ, দেখলাম তার চোখে জল।
পৃথিবীতে যেন আর কোনো নারী নেই,
এই ভেবে আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম বুকে।
বললাম, ঠিক আছে, তুমিই যাবে আগে।
এইবার চোখ মুছে, বুক খুলে হাসো।
তুমি বললে, ইস তুমিই তো বেশি ভালোবাসো।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। নির্মলেন্দু গুণ ।
এরই নাম প্রেম – নির্মলেন্দু গুণ | বাংলা প্রেমের কবিতা বিশ্লেষণ
এরই নাম প্রেম কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ
নির্মলেন্দু গুণের “এরই নাম প্রেম” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর প্রেমের কবিতা যা দাম্পত্য জীবনের গভীর আবেগ, মৃত্যুচিন্তা এবং নিঃশর্ত ভালোবাসার এক অনন্য প্রকাশ। “–সাত-সকালে সলতে পাকাচ্ছো কেন?/–সন্ধ্যাবাতি জ্বালবো তো, তার জন্য।/–তাই? আমি ভাবলাম, –আমার জন্য।” – এই সহজ কিন্তু গভীর সংলাপমূলক শুরুর লাইনগুলি কবিতার মূল প্রেমের দ্বান্দ্বিকতা ও নিঃশর্ত ভালোবাসাকে প্রকাশ করে। নির্মলেন্দু গুণের এই কবিতায় দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ ঘটনার মধ্য দিয়ে অসাধারণ প্রেমের প্রকাশ, জীবন-মৃত্যুর ভাবনা এবং সম্পর্কের গভীরতা অত্যন্ত শিল্পিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কবিতা “এরই নাম প্রেম” পাঠকদের হৃদয়ে দাম্পত্য প্রেমের শুদ্ধ রূপের গভীর প্রভাব বিস্তার করে এবং বাংলা প্রেমের কবিতার ধারাকে চিরন্তন করে তুলেছে।
কবি নির্মলেন্দু গুণের সাহিত্যিক পরিচিতি
নির্মলেন্দু গুণ (জন্ম: ২১ জুন, ১৯৪৫) বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, চিত্রশিল্পী ও লেখক। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর এবং বাংলাদেশের কবিতায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। তাঁর কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ভাষায় গভীর দার্শনিক ভাবনা, চিত্রময় বর্ণনা এবং বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের প্রতিফলন। “এরই নাম প্রেম” কবিতায় তাঁর দাম্পত্য প্রেমের নিখাদ প্রকাশ, জীবন-মৃত্যুর ভাবনা এবং নারী-পুরুষ সম্পর্কের গভীর বোধ বিশেষভাবে লক্ষণীয়। নির্মলেন্দু গুণের ভাষা অত্যন্ত প্রাঞ্জল, ছন্দময় ও হৃদয়স্পর্শী। তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে “প্রেমাংশুর রক্ত চাই”, “না প্রেমিক না বিপ্লবী”, “দীর্ঘ দিন দীর্ঘ রজনীর প্রেম”, “চিত্রকর” প্রভৃতি।
এরই নাম প্রেম কবিতার ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক প্রেক্ষাপট
নির্মলেন্দু গুণ রচিত “এরই নাম প্রেম” কবিতাটি রচিত হয়েছে বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে, যখন বাংলা কবিতায় প্রেমের কবিতা নতুন মাত্রা ও গভীরতা খুঁজছিল। কবি তাঁর সময়ের দাম্পত্য সম্পর্কের সূক্ষ্ম আবেগ, জীবন-মৃত্যুর চিন্তা এবং নিঃশর্ত ভালোবাসার ধারণা এই কবিতার মাধ্যমে চিত্রিত করেছেন। কবিতাটি নির্মলেন্দু গুণের ব্যক্তিগত দাম্পত্য জীবনের প্রতিফলন বলে ধারণা করা হয়, যা কবিতাকে আরও আবেগময় ও বাস্তবনিষ্ঠ করেছে। “তুমি বললে, — ইস্, বালাই ষাট,/ তোমার আগে আমিই যেন যাই।” – এই লাইন দিয়ে তিনি জীবনসঙ্গীর মৃত্যুচিন্তার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত গভীর ভালোবাসার চিত্র তুলে ধরেন। কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে প্রেমের কবিতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্থান পেয়েছে।
এরই নাম প্রেম কবিতার সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য ও শৈলীগত বিশ্লেষণ
“এরই নাম প্রেম” কবিতাটির ভাষা অত্যন্ত সংলাপমূলক, সহজবোধ্য ও আবেগপ্রবণ। কবি নির্মলেন্দু গুণ সংলাপের মাধ্যমে গল্প বলার শৈলী ব্যবহার করে কবিতাটিকে জীবনমুখী ও বাস্তবনিষ্ঠ করেছেন। কবিতার গঠন একটি ক্ষুদ্র নাটকীয় দৃশ্যের মতো, যেখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ আবেগপূর্ণ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। “হঠাৎ শুনে চমকে উঠলাম আমি,/ বললাম, তুমি আমার ছোট্ট পাখি,/ আমি বড়ো, –আমার তোমার স্বামী।/ আমিই আগে যাব, এ তো জানা কথাই।” – এই চরণে কবি পুরুষের রক্ষণশীলতা ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ করেন। কবিতায় ব্যবহৃত রূপক ও প্রতীকগুলি দৈনন্দিন জীবন থেকে নেওয়া, যা কবিতাকে সাধারণ পাঠকের কাছে সহজবোধ্য করেছে।
কবিতার প্রধান থিম ও বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ
এই কবিতার মূল থিমগুলো হলো:
- নিঃশর্ত দাম্পত্য প্রেম: জীবনসঙ্গীর জন্য ত্যাগ ও ভালোবাসা
- জীবন-মৃত্যুর চিন্তা: কে আগে মারা যাবে এই সংলাপের মধ্য দিয়ে মৃত্যুচিন্তা
- লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা
- দৈনন্দিন জীবনের কবিতা: সাধারণ ঘটনার মধ্য দিয়ে অসাধারণ আবেগ প্রকাশ
- সংলাপমূলক কাব্যশৈলী: কথোপকথনের মাধ্যমে কবিতা রচনা
- বাস্তবনিষ্ঠ প্রেম: রোমান্টিকতার বাইরে বাস্তব জীবনের প্রেম
এরই নাম প্রেম কবিতার কাঠামোগত বিশ্লেষণ
| পর্ব | লাইন | বিষয়বস্তু | আবেগ |
|---|---|---|---|
| প্রথম পর্ব | ১-৫ | সলতে পাকানো ও সংলাপ | কৌতূহল, হালকা মেজাজ |
| দ্বিতীয় পর্ব | ৬-১০ | মৃত্যুচিন্তার প্রকাশ | চমক, আবেগ |
| তৃতীয় পর্ব | ১১-১৫ | পুরুষের প্রতিক্রিয়া | রক্ষণশীলতা, দায়িত্ববোধ |
| চতুর্থ পর্ব | ১৬-২০ | নীরব প্রতিক্রিয়া | বেদনা, নীরবতা |
| পঞ্চম পর্ব | ২১-২৫ | পুরুষের উপলব্ধি | অনুশোচনা, সহানুভূতি |
| ষষ্ঠ পর্ব | ২৬-৩০ | মিলন ও স্বীকারোক্তি | প্রেম, স্বীকৃতি |
কবিতায় ব্যবহৃত প্রধান প্রতীক ও রূপকসমূহ
- সলতে: দৈনন্দিন জীবন, প্রস্তুতি, মৃত্যুর প্রস্তুতি
- সন্ধ্যাবাতি: শেষ বয়স, জীবনসায়াহ্ন
- ছোট্ট পাখি: সুরক্ষিত জীবনসঙ্গী, কোমলতা
- ঘোমটা: আবেগের আড়াল, সামাজিক মুখোশ
- বাঁশের ডালা: সঞ্চয়, অতীত স্মৃতি
- জল: আবেগ, বেদনা, ভালোবাসা
- বুক খুলে হাসো: মুক্ত আবেগ প্রকাশ
এরই নাম প্রেম কবিতার দার্শনিক ও মানবিক তাৎপর্য
নির্মলেন্দু গুণের “এরই নাম প্রেম” কবিতায় কবি দাম্পত্য প্রেমের দর্শন, জীবন-মৃত্যুর সম্পর্ক এবং মানবিক আবেগের গভীরতা প্রকাশ করেছেন। “ভাবলাম, আমি তো মিথ্যে বলিনি কিছু।/ তবুও মাথাটি তার সত্যের ভারে নীচু।” – এই চরণে কবি দেখিয়েছেন কিভাবে সত্য বলার পরেও অন্য মানুষের আবেগের কারণে আমরা নত হতে পারি। কবিতাটি পাঠককে প্রেমের প্রকৃত অর্থ, সম্পর্কে নিঃশর্ততা এবং জীবনসঙ্গীর প্রতি দায়বদ্ধতা সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে। কবি দেখিয়েছেন যে প্রকৃত প্রেম হলো জীবনসঙ্গীর সুখ-দুঃখে অংশীদার হওয়া, তার আবেগ বুঝতে পারা এবং প্রয়োজন হলে নিজের অহং ভুলে যাওয়া।
কবিতার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রাসঙ্গিকতা
“এরই নাম প্রেম” কবিতাটি বাংলা সমাজের দাম্পত্য সম্পর্কের ঐতিহ্যগত ধারণাকে প্রতিফলিত করে। কবিতায় পুরুষের “আমি বড়ো, –আমি তোমার স্বামী।/ আমিই আগে যাব” এই উক্তি বাংলা সমাজের পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। কিন্তু কবিতার শেষে যখন পুরুষটি বলেন “ঠিক আছে, তুমিই যাবে আগে”, তখন এটি সম্পর্কের গতিশীলতা ও পরিবর্তনশীলতাও প্রকাশ করে। কবিতাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের চিত্রও ফুটিয়ে তোলে, যেখানে সলতে পাকানো, বাঁশের ডালা ইত্যাদি দৈনন্দিন জীবনযাপনের অংশ।
এরই নাম প্রেম কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
এরই নাম প্রেম কবিতার লেখক কে?
এরই নাম প্রেম কবিতার লেখক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
এরই নাম প্রেম কবিতার প্রথম লাইন কি?
এরই নাম প্রেম কবিতার প্রথম লাইন হলো: “–সাত-সকালে সলতে পাকাচ্ছো কেন?/–সন্ধ্যাবাতি জ্বালবো তো, তার জন্য।/–তাই? আমি ভাবলাম, –আমার জন্য।”
এরই নাম প্রেম কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
এরই নাম প্রেম কবিতার মূল বিষয় হলো দাম্পত্য জীবনের গভীর প্রেম, জীবনসঙ্গীর জন্য ত্যাগ, জীবন-মৃত্যুর ভাবনা এবং নিঃশর্ত ভালোবাসার প্রকাশ। কবিতাটি একটি সাধারণ দৈনন্দিন ঘটনার মধ্য দিয়ে অসাধারণ প্রেমের গল্প বলে।
কবিতায় “সলতে” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কবিতায় “সলতে” একটি প্রতীক যা একদিকে দৈনন্দিন জীবনের কাজ, অন্যদিকে মৃত্যুর প্রস্তুতি নির্দেশ করে। সন্ধ্যাবাতি জ্বালানোর জন্য সলতে পাকানো রূপকভাবে জীবনের শেষ প্রস্তুতি বোঝায়।
নির্মলেন্দু গুণের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা কোনগুলো?
নির্মলেন্দু গুণের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতার মধ্যে রয়েছে “হুল্লোড়”, “আফ্রিকার প্রেমের কবিতা”, “মানুষ”, “চলো যাই”, “প্রেমাংশুর রক্ত চাই”, “কবিতা” প্রভৃতি।
কবিতায় নারীর চোখে জল আসার কারণ কী?
কবিতায় নারীর চোখে জল আসার কারণ হলো তার জীবনসঙ্গীর একগুঁয়ে মনোভাব। যখন স্বামী বলেন যে তিনি আগে মারা যাবেন কারণ তিনি বড় ও স্বামী, তখন স্ত্রীর মনে হয় যে স্বামী তার ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে পারছেন না।
কবিতার শেষ লাইনের গুরুত্ব কী?
“তুমি বললে, ইস তুমিই তো বেশি ভালোবাসো।” এই শেষ লাইনটি কবিতার চূড়ান্ত উপলব্ধি প্রকাশ করে। এটি দেখায় যে ভালোবাসার পরিমাপ নয়, বরং ভালোবাসার গভীরতা ও প্রকাশই গুরুত্বপূর্ণ। উভয়ই একে অপরকে বেশি ভালোবাসে এই উপলব্ধি দিয়েই কবিতা শেষ হয়েছে।
এই কবিতাটি কোন সাহিত্যিক ধারার অন্তর্গত?
এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রেমের কবিতা, দাম্পত্য কবিতা, বাস্তববাদী কবিতা এবং সংলাপমূলক কবিতার ধারার অন্তর্গত। এটি নির্মলেন্দু গুণের স্বতন্ত্র কাব্যশৈলীর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
কবিতায় পুরুষ চরিত্রের পরিবর্তন কীভাবে ঘটে?
কবিতার শুরুতে পুরুষ চরিত্রটি রক্ষণশীল ও পুরুষতান্ত্রিক (“আমি বড়ো, আমি তোমার স্বামী”)। কিন্তু কবিতার শেষের দিকে তিনি পরিবর্তিত হয়ে নম্র ও সমঝোতাপ্রবণ হয়ে ওঠেন (“ঠিক আছে, তুমিই যাবে আগে”)। এই পরিবর্তন প্রেমের শক্তিকে নির্দেশ করে।
কবিতার নাম “এরই নাম প্রেম” কেন দেওয়া হয়েছে?
কবিতার নাম “এরই নাম প্রেম” দেওয়া হয়েছে কারণ কবিতাটি প্রেমের একটি নির্দিষ্ট রূপ উপস্থাপন করে – যে প্রেমে জীবনসঙ্গীর সুখ-দুঃখে অংশীদার হওয়া, তার আবেগ বুঝতে পারা এবং নিজের অহং ত্যাগ করা যায়। এটি দাম্পত্য প্রেমের শুদ্ধতম রূপ।
এরই নাম প্রেম কবিতার সাহিত্যিক মূল্যায়ন
নির্মলেন্দু গুণের “এরই নাম প্রেম” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। কবিতাটি তার সহজবোধ্যতা, গভীর আবেগ ও শিল্পিত প্রকাশের জন্য পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। এটি বাংলা সাহিত্যে দাম্পত্য প্রেমের কবিতার একটি ক্লাসিক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত। কবিতাটির সাহিত্যিক মূল্য অসীম কারণ এটি সাধারণ জীবন থেকে অসাধারণ কবিতা সৃষ্টির ক্ষমতা প্রদর্শন করে। কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ পাঠকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য।
কবিতাটি পড়ার পর করণীয়
- জীবনসঙ্গীর সাথে সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে চিন্তা করা
- দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তের গুরুত্ব উপলব্ধি করা
- প্রেমে নিঃশর্ততা ও ত্যাগের গুরুত্ব বোঝা
- সংলাপের মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নের কৌশল শেখা
- জীবন-মৃত্যুর চিন্তাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা
সম্পর্কিত কবিতা পড়ার সুপারিশ
- “প্রেমের কবিতা” – জীবনানন্দ দাশ
- “দীর্ঘ দিন দীর্ঘ রজনীর প্রেম” – নির্মলেন্দু গুণ
- “স্ত্রীর কাছে প্রার্থনা” – বেগম সুফিয়া কামাল
- “প্রেম” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- “দাম্পত্য” – আল মাহমুদ
ট্যাগস: এরই নাম প্রেম, এরই নাম প্রেম কবিতা, নির্মলেন্দু গুণ, নির্মলেন্দু গুণ কবিতা, বাংলা প্রেমের কবিতা, দাম্পত্য কবিতা, ভালোবাসার কবিতা, বাংলা কবিতা, নির্মলেন্দু গুণের কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, সংলাপ কবিতা, জীবনানন্দ পরবর্তী কবিতা, বাংলাদেশী কবিতা, বাংলা সাহিত্য, কবিতা সংগ্রহ, কবিতা বিশ্লেষণ, ক্লাসিক কবিতা






