admin

admin

ব্যক্তিগত নক্ষত্রমালা – সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

দু-একটা সুবিধে - সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

ভালোবাসা মানেই কেবলই যাওয়াযেখানেই থাকি না কেনউঠে পড়াপেয়ে গেলে নিকটতম যানকলকাতা কিছুতেই ফুরতে চায় নাকোনো রাস্তা ফুরতে চায় নাকখনও তুমি মিনিবাস ধরে নেবেআমি ঝংকার দেওয়া ট্রাম—তারপর থেকে কেবলই যাওয়াকাছ থেকে অনেক দূরেকিংবা সময় ঠিক করা থাকলে কাছে আসাক্যাথিড্রালের দুর্লভ ঘণ্টা…

সেই মেয়েটি – সৌমেন অনন্ত।

সেই মেয়েটি - সৌমেন অনন্ত।

সেই মেয়েটার আকাশ কালো চুল ছিলো,খোপায় গোঁজা মাতাল করা ফুল ছিলো..সেই মেয়েটার কাল সকালে স্কুল ছিলো,আজ মেয়েটা সিলিং ফ্যানে ঝুলছিলো!!এই মেয়েটার মেয়ে হওয়াই ভুল ছিলো। এই মেয়েটা নারী হতেই বাড়ছিলো,ওদের ভাষায় তার রুপেতে ধার ছিলো..নদীর শরীর- খুব স্বাভাবিক, বাঁক ছিলো,নদীর…

তিন পাহাড়ের স্বপ্ন- বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

টুসু আমার কাঁসাই জলে - আরণ্যক বসু

পাহাড়িয়া মধুপুর , মেঠো ধূলিপথদিনশেষে বৈকালি মিষ্টি শপথ;‘মোহনিয়া বন্ধুরে! আমি বালিকাতোরই লাগি গান গাই, গাঁথি মালিকা।‘আজো সন্ধ্যার শেষে খালি বিছানা;আমি শোব , পাশে মোর কেউ শোবে না—তুই ছাড়া এই দেহ কেউ ছোঁবে না।’…সুরে সুরে হাওয়া তার মিষ্টি বুলায়;সাঁওতাল মেয়ে-কটি দৃষ্টি…

বসন্তডাক – শ্রীজাত।

তফাত - শ্রীজাত

তুমি আমায় পড়িয়েছিলে গালিবআমি তোমায় আরুণি উদ্দালককে বলেছে, হাতের পাতা খালি?বসত ছিল সাদা হাঁসের পালক। বসত ছিল গঞ্জ-শহর-গ্রামেমানুষ, মিছিল, জোট বাঁধো রে সবাই…আসত চিঠি পারুল বোনের নামেরূপকথারা জানে না তার ক’ ভাই। সেসব বসত ছাই হয়েছে পুড়েমালসা ঘেঁটে পেয়েছি তার…

মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর – রুদ্র গোস্বামী।

বুকের মধ্যে বাহান্নটা আলমারি – পূর্ণেন্দু পত্রী

কোথায় যাচ্ছ ? মেঘের মাঠে ।কেন ? জিজ্ঞেস করতে ।…কি ? এতো কষ্ট নিয়ে,মেঘ কার কাছে যায় !যদি না বলে ? ফিরবো না ।তোমার তো খুব জেদ ! উঁহু, ভালবাসা ।মেঘের মাঠে মেঘ যে নেই । একটু আগে এই যে…

আরোগ্য – নবনীতা দেবসেন।

আরোগ্য - নবনীতা দেবসেন।

শুধু তুমি সুস্থ হবেআমি দিয়ে দেবো আমার কোজাগরী চাঁদ,শাদা দেয়ালের ময়ুরকন্ঠী আলো,দিয়ে দেবো বিগত বছরের মরা পাখির মমতা,আর আগামী বছরের কলাগাছটির স্বপ্ন। চলে যেতে যেতে সবাই তো ব’লে গেলো। কুন্তী নদীর গেরুয়া জল তার সবুজ ছায়া-কাঁপা ঠাণ্ডা গলায়আমাকে বলেছেশুকনো সোনালি…

বেলুড় – সুবোধ সরকার।

উনুন - সুবোধ সরকার।

আমি একটা কোনায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। দুটি ছেলে গেরুয়া বসন পরেমন্দিরের সিঁড়ি মুছছিল।এত মন দিয়েআমি কাউকে সিঁড়ি মুছতে দেখিনিএত ভালবাসা দিয়েআমি কাউকে ধুলো তুলতে দেখিনি।সিঁড়ি নয়যেন জননীর ত্বক থেকেধুলো তুলছিল।এভাবে কেউ সিঁড়ি থেকেধুলো মুছতে পারেএ আমি কোথাও দেখিনি। স্থিতপ্রজ্ঞ মহারাজকে জিজ্ঞাসা…

যার যা হারিয়ে গেছে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

আমাকে ছেড়ে যাবার পর – হুমায়ুন আজাদ

যার যা হারিয়ে গেছে কবিতা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় | বাংলা দার্শনিক কবিতা বিশ্লেষণ যার যা হারিয়ে গেছে কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ যার যা হারিয়ে গেছে কবিতা বাংলা সাহিত্যের একটি গভীর দার্শনিক, রূপকধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক রচনা যা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সবচেয়ে চিন্তা-উদ্দীপক…

যদি নির্বাসন দাও- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

বর্ষণমালা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবোআমি বিষপান করে মরে যাবো!বিষন্ন আলোয় এই বাংলাদেশনদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘপ্রান্তরে দিগন্ত নিনির্মেষ-এ আমারই সাড়ে তিন হাত ভূমিযদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবোআমি বিষপান করে মরে যাবো। ধানক্ষেতে চাপ চাপ রক্তএইখানে ঝরেছিল…

একটি সামান্য চিঠি – কৃষ্ণা বসু।

মা- বীথি চট্টোপাধ্যায়।

শ্রীচরণকমলেষু মাগো, কেমন রয়েছ তুমি কিছুই জানি না।আমি ভালো নেই, কিছু মাত্র ভালো নেই। আমি কি সমস্ত ছেড়ে চলে যাবো, মাগো?কার কাছে যাবো, বলো, কে রয়েছে আমাকে নেবার!তুমিও আশ্রিত জানি দাদার সংসারে,‘জুতিয়ে বেঁকিয়ে দেব মুখ’ বলে তোমার জামাইকাল রাতে গর্জন…