কবিতার খাতা
- 24 mins
তোমার অবহেলার পর – সালমান হাবীব।
আমি ভাবতাম; একে অন্যের সাথে
কথা না হলে- আমরা বোধহয় বাঁচবো না।
তুমি ‘কেমন আছি’ জিজ্ঞেস না করলে
ভালো থাকতে ভুলে যাব।
অথচ অনেকদিন পর এসে বুঝলাম; এসব ভুল।
এখন দিন যায়, মাস যায়, তোমার সাথে কথা হয় না।
অথচ আমি ও আমরা দিব্যি বেঁচে আছি।
কালেভদ্রেও কেউ কাউকে জিজ্ঞেস করি না-
‘তুমি কিংবা আমি কেমন আছি’
তবুও দুজনই দিব্যি ভালো আছি।
তোমার অবহেলার পর আঁকড়ে ধরে বাঁচা
এমন অসংখ্য কুসংস্কার ভেঙেছে আমার।
যেমন তোমার কাছ থেকে ‘শুভ সকাল’ না পেলে
পৃথিবীতে শুরু হতো না দিন।
দিনশেষে ‘শুভ রাত্রি’র ক্ষুদে বার্তা না পেলে
ফুরাতো না; না ঘুমানো রাত।
শুধু তোমার অবহেলার পর জেনেছি;
কথা হীন দিনেও মানুষ দিব্যি বাঁচে,
শুভ সকাল কিংবা শুভ রাত্রি বাক্য দুটি অমূলক।
তোমার অবহেলার পর জেনেছি;
ভালো থাকা কিংবা ভালোবাসার তুলনায়
জীবনে বেঁচে থাকাটা জরুরি।
জেনেছি ভালোবাসা ছাড়াও ভালো থাকা যায়।
কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি না।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। সালমান হাবীব।
তোমার অবহেলার পর – সালমান হাবীব | তোমার অবহেলার পর কবিতা | সালমান হাবীবের কবিতা | বাংলা কবিতা
তোমার অবহেলার পর: সালমান হাবীবের অবহেলা, ভালোবাসা ও বেঁচে থাকার দর্শন
সালমান হাবীবের “তোমার অবহেলার পর” কবিতাটি বাংলা কবিতার একটি অসাধারণ সৃষ্টি, যা অবহেলা, ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা এবং বেঁচে থাকার এক গভীর দার্শনিক চিন্তাকে ধারণ করেছে। “আমি ভাবতাম; একে অন্যের সাথে কথা না হলে- আমরা বোধহয় বাঁচবো না” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক বাস্তব সত্য — মানুষ ভালোবাসা ছাড়াও বাঁচতে পারে, অবহেলা সত্ত্বেও টিকে থাকতে পারে। সালমান হাবীব আধুনিক বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় প্রেম, বিরহ, সম্পর্কের জটিলতা ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। “তোমার অবহেলার পর” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা পাঠকের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে।
সালমান হাবীব: আধুনিক বাংলা কবিতার শক্তিমান কণ্ঠ
সালমান হাবীব আধুনিক বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় প্রেম, বিরহ, সম্পর্কের জটিলতা ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় গভীর জীবনবোধ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলেন। “তোমার অবহেলার পর” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা ভালোবাসা, অবহেলা ও বেঁচে থাকার এক গভীর দর্শন দিয়েছে। সালমান হাবীবের কবিতা পাঠককে ভাবায়, আন্দোলিত করে এবং নিজের ভেতরে তাকাতে বাধ্য করে। তিনি বাংলা কবিতায় এক স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।
তোমার অবহেলার পর কবিতার বিশ্লেষণ
কবিতার মূল সুর ও বিষয়বস্তু
“তোমার অবহেলার পর” কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো অবহেলা, ভালোবাসা ও বেঁচে থাকার দর্শন। কবি শুরুতে বলেছেন — তিনি ভাবতেন, একে অন্যের সাথে কথা না হলে তারা বোধহয় বাঁচবেন না। প্রিয়জন ‘কেমন আছি’ জিজ্ঞেস না করলে তিনি ভালো থাকতে ভুলে যাবেন। অথচ অনেকদিন পর এসে তিনি বুঝেছেন — এসব ভুল। এখন দিন যায়, মাস যায়, প্রিয়জনের সাথে কথা হয় না। অথচ তিনি ও তারা দিব্যি বেঁচে আছেন। কালেভদ্রেও কেউ কাউকে জিজ্ঞেস করেন না — ‘তুমি কিংবা আমি কেমন আছি’ — তবুও দুজনই দিব্যি ভালো আছেন। তিনি বলেছেন — তোমার অবহেলার পর আঁকড়ে ধরে বাঁচা এমন অসংখ্য কুসংস্কার ভেঙেছে তার। যেমন — প্রিয়জনের কাছ থেকে ‘শুভ সকাল’ না পেলে পৃথিবীতে শুরু হতো না দিন, দিনশেষে ‘শুভ রাত্রি’র ক্ষুদে বার্তা না পেলে ফুরাতো না না ঘুমানো রাত। কিন্তু এখন তিনি জেনেছেন — কথা হীন দিনেও মানুষ দিব্যি বাঁচে, ‘শুভ সকাল’ কিংবা ‘শুভ রাত্রি’ বাক্য দুটি অমূলক। তিনি বলেছেন — তোমার অবহেলার পর জেনেছেন, ভালো থাকা কিংবা ভালোবাসার তুলনায় জীবনে বেঁচে থাকাটা জরুরি। তিনি জেনেছেন ভালোবাসা ছাড়াও ভালো থাকা যায়। কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি না।
কবিতার শৈলীগত ও কাব্যিক বিশ্লেষণ
“তোমার অবহেলার পর” কবিতাটির ভাষা সহজ-সরল অথচ গভীর তাৎপর্যময়। সালমান হাবীব অবহেলা ও ভালোবাসার জটিল সম্পর্ককে চমৎকার কাব্যিক ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। কবিতায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকল্প ও প্রতীকগুলো: ‘কথা না হলে বাঁচবো না’ — সম্পর্কের অস্তিত্বের প্রতীক; ‘কেমন আছি জিজ্ঞেস না করলে ভালো থাকতে ভুলে যাওয়া’ — প্রিয়জনের খোঁজখবরের গুরুত্বের প্রতীক; ‘দিন যায়, মাস যায়, কথা হয় না’ — সময়ের প্রবাহ ও সম্পর্কের দূরত্বের প্রতীক; ‘দিব্যি বেঁচে আছি’ — টিকে থাকার শক্তির প্রতীক; ‘কালেভদ্রে’ — মাঝে মাঝে, খুব কম; ‘অবহেলার পর আঁকড়ে ধরে বাঁচা’ — সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ব্যর্থ প্রয়াসের প্রতীক; ‘কুসংস্কার’ — ভুল ধারণা, অমূলক বিশ্বাসের প্রতীক; ‘শুভ সকাল না পেলে দিন শুরু হতো না’ — প্রিয়জনের বার্তার উপর নির্ভরশীলতার প্রতীক; ‘শুভ রাত্রির ক্ষুদে বার্তা না পেলে ফুরাতো না না ঘুমানো রাত’ — প্রিয়জনের বার্তা ছাড়া ঘুম না আসার প্রতীক; ‘কথা হীন দিন’ — যোগাযোগহীন দিনের প্রতীক; ‘শুভ সকাল, শুভ রাত্রি বাক্য দুটি অমূলক’ — প্রাত্যহিক বার্তার অর্থহীনতার প্রতীক; ‘ভালো থাকা, ভালোবাসা, বেঁচে থাকা’ — জীবনের তিনটি স্তরের প্রতীক; ‘বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি না’ — চূড়ান্ত সত্যের প্রতীক।
কবিতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ও চিত্রকল্প
প্রথম ভাগ: সম্পর্কের উপর নির্ভরশীলতা
কবিতার প্রথম ভাগে কবি সম্পর্কের উপর তার অত্যধিক নির্ভরশীলতার কথা বলেছেন। তিনি ভাবতেন — একে অন্যের সাথে কথা না হলে বাঁচবেন না। প্রিয়জন ‘কেমন আছি’ জিজ্ঞেস না করলে তিনি ভালো থাকতে ভুলে যাবেন। এই অংশে আমরা দেখি — কবি তার অস্তিত্বকে প্রিয়জনের সাথে যুক্ত করে ফেলেছেন। প্রিয়জনের খোঁজখবর, তার কথা, তার বার্তা — এসব ছাড়া তিনি নিজেকে অসম্পূর্ণ মনে করেন। এটি প্রেমের প্রথম পর্যায় — যখন প্রিয়জনই সবকিছু।
দ্বিতীয় ভাগ: বাস্তব সত্যের মুখোমুখি হওয়া
“অথচ অনেকদিন পর এসে বুঝলাম; এসব ভুল।” এই পঙ্ক্তি দিয়ে কবিতার দ্বিতীয় ভাগ শুরু। কবি বুঝেছেন — তার আগের ধারণাগুলো ভুল। এখন দিন যায়, মাস যায়, প্রিয়জনের সাথে কথা হয় না। অথচ তিনি ও তারা দিব্যি বেঁচে আছেন। কালেভদ্রেও কেউ কাউকে জিজ্ঞেস করেন না — ‘তুমি কিংবা আমি কেমন আছি’ — তবুও দুজনই দিব্যি ভালো আছেন। এটি বাস্তব সত্যের মুখোমুখি হওয়ার পর্যায়। সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলেও জীবন থেমে থাকে না। মানুষ বেঁচে থাকে।
‘তোমার অবহেলার পর’ — শিরোনামের তাৎপর্য
শিরোনাম ‘তোমার অবহেলার পর’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অবহেলা মানে উপেক্ষা, গুরুত্ব না দেওয়া। প্রিয়জনের অবহেলার পর কবি কী দেখলেন? তিনি দেখলেন — অবহেলা সত্ত্বেও জীবন চলেছে। তিনি যে কুসংস্কারগুলো আঁকড়ে ধরে বেঁচে ছিলেন — যেমন প্রিয়জনের বার্তা ছাড়া দিন শুরু হয় না, রাত ফুরায় না — সেগুলো সব ভুল প্রমাণিত হয়েছে। অবহেলাই তাকে বাস্তব সত্য শিখিয়েছে।
‘কুসংস্কার’ শব্দের তাৎপর্য
“তোমার অবহেলার পর আঁকড়ে ধরে বাঁচা এমন অসংখ্য কুসংস্কার ভেঙেছে আমার” — এখানে ‘কুসংস্কার’ শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কবি তার আগের ধারণাগুলোকে কুসংস্কার বলেছেন। যেমন — প্রিয়জনের ‘শুভ সকাল’ না পেলে দিন শুরু হয় না, ‘শুভ রাত্রি’ না পেলে ঘুম আসে না। এসব ধারণা তিনি কুসংস্কার বলেছেন — কারণ এগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। অবহেলা তাকে এই সত্য বুঝতে সাহায্য করেছে।
‘শুভ সকাল’ ও ‘শুভ রাত্রি’র প্রতীকী তাৎপর্য
‘শুভ সকাল’ ও ‘শুভ রাত্রি’ — এগুলো প্রাত্যহিক জীবনের সাধারণ বার্তা। কিন্তু কবির কাছে এগুলো ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ছাড়া তার দিন শুরু হতো না, তার রাত ফুরাতো না। এই বার্তাগুলো ছিল প্রিয়জনের সাথে তার সম্পর্কের প্রতীক, তার অস্তিত্বের ভিত্তি। কিন্তু অবহেলার পর তিনি জেনেছেন — এই বাক্য দুটি অমূলক। সম্পর্ক না থাকলেও জীবন চলে, দিন শুরু হয়, রাত ফুরায়।
শেষাংশের দার্শনিক তাৎপর্য
“তোমার অবহেলার পর জেনেছি; ভালো থাকা কিংবা ভালোবাসার তুলনায় জীবনে বেঁচে থাকাটা জরুরি। জেনেছি ভালোবাসা ছাড়াও ভালো থাকা যায়। কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি না।” শেষাংশে কবি জীবনের এক গভীর দর্শন দিয়েছেন। তিনি তিনটি স্তরের কথা বলেছেন — বেঁচে থাকা, ভালো থাকা, ভালোবাসা। ভালোবাসা সবচেয়ে উপরের স্তর, কিন্তু তা ছাড়াও ভালো থাকা যায়। আর ভালো না থাকলেও বেঁচে থাকা যায়। বেঁচে থাকাটাই সবচেয়ে জরুরি। ভালোবাসা বেঁচে থাকার জন্য জরুরি নয়। এটি এক কঠিন বাস্তব সত্য।
তোমার অবহেলার পর কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: তোমার অবহেলার পর কবিতার লেখক কে?
তোমার অবহেলার পর কবিতার লেখক সালমান হাবীব। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় প্রেম, বিরহ, সম্পর্কের জটিলতা ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। “তোমার অবহেলার পর” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা ভালোবাসা, অবহেলা ও বেঁচে থাকার এক গভীর দর্শন দিয়েছে।
প্রশ্ন ২: তোমার অবহেলার পর কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
তোমার অবহেলার পর কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো অবহেলা, ভালোবাসা ও বেঁচে থাকার দর্শন। কবি প্রথমে ভাবতেন — প্রিয়জনের সাথে কথা না হলে বাঁচবেন না, তার বার্তা ছাড়া দিন শুরু হবে না, রাত ফুরাবে না। কিন্তু অবহেলার পর তিনি বুঝেছেন — এসব ধারণা ভুল। এখন কথা না হলেও তিনি বেঁচে আছেন, ভালো আছেন। তিনি জেনেছেন — ভালোবাসা ছাড়াও ভালো থাকা যায়, কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি না।
প্রশ্ন ৩: ‘আমি ভাবতাম; একে অন্যের সাথে কথা না হলে- আমরা বোধহয় বাঁচবো না’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘আমি ভাবতাম; একে অন্যের সাথে কথা না হলে- আমরা বোধহয় বাঁচবো না’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি সম্পর্কের উপর তার অত্যধিক নির্ভরশীলতার কথা বলেছেন। তিনি ভাবতেন, প্রিয়জনের সাথে কথা না হলে তিনি বাঁচবেন না। এটি প্রেমের প্রথম পর্যায় — যখন প্রিয়জনকেই জীবনের কেন্দ্র মনে হয়, যখন তার উপস্থিতি ছাড়া জীবন অর্থহীন মনে হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বুঝেছেন — এটি ছিল একটি ভুল ধারণা।
প্রশ্ন ৪: ‘শুধু তোমার অবহেলার পর জেনেছি; কথা হীন দিনেও মানুষ দিব্যি বাঁচে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘শুধু তোমার অবহেলার পর জেনেছি; কথা হীন দিনেও মানুষ দিব্যি বাঁচে’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি অবহেলার শিক্ষার কথা বলেছেন। প্রিয়জনের অবহেলা তাকে শিখিয়েছে যে যোগাযোগহীন দিনেও মানুষ বাঁচতে পারে। আগে তিনি ভাবতেন, প্রিয়জনের বার্তা ছাড়া দিন শুরু হয় না, রাত ফুরায় না। কিন্তু অবহেলা প্রমাণ করেছে — এসব ধারণা অমূলক। মানুষ কথা ছাড়াও বাঁচতে পারে।
প্রশ্ন ৫: ‘ভালো থাকা কিংবা ভালোবাসার তুলনায় জীবনে বেঁচে থাকাটা জরুরি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘ভালো থাকা কিংবা ভালোবাসার তুলনায় জীবনে বেঁচে থাকাটা জরুরি’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি জীবনের এক গভীর দর্শন দিয়েছেন। তিনি জীবনের তিনটি স্তরের কথা বলেছেন — বেঁচে থাকা, ভালো থাকা, ভালোবাসা। ভালোবাসা সবচেয়ে উপরের স্তর, কিন্তু তা ছাড়াও ভালো থাকা যায়। আর ভালো না থাকলেও বেঁচে থাকা যায়। বেঁচে থাকাটাই সবচেয়ে জরুরি। এটি এক কঠিন বাস্তব সত্য যা অবহেলা তাকে শিখিয়েছে।
প্রশ্ন ৬: ‘বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি না’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি না’ — এই পঙ্ক্তিটি কবিতার শেষ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কবি বলেছেন, ভালোবাসা জীবনের একটি অংশ, কিন্তু তা ছাড়াও জীবন চলে। মানুষ ভালোবাসা ছাড়াও বাঁচতে পারে। এটি প্রেম-বিরহের কবিতার একটি বিরল উচ্চারণ। সাধারণত প্রেমের কবিতায় বলা হয় — ভালোবাসা ছাড়া বাঁচা যায় না। কিন্তু সালমান হাবীব বলছেন — ভালোবাসা ছাড়াও বাঁচা যায়, বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা জরুরি নয়। এটি বাস্তব জীবনের এক কঠিন সত্য।
প্রশ্ন ৭: সালমান হাবীব সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
সালমান হাবীব আধুনিক বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় প্রেম, বিরহ, সম্পর্কের জটিলতা ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় গভীর জীবনবোধ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলেন। “তোমার অবহেলার পর” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা ভালোবাসা, অবহেলা ও বেঁচে থাকার এক গভীর দর্শন দিয়েছে।
ট্যাগস: তোমার অবহেলার পর, সালমান হাবীব, সালমান হাবীবের কবিতা, তোমার অবহেলার পর কবিতা, বাংলা কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, প্রেমের কবিতা, অবহেলার কবিতা, বেঁচে থাকার কবিতা






