কবিতার খাতা
- 20 mins
যদি হত – তসলিমা নাসরিন।
এরকম যদি হত তুমি আছ কোথাও,
কোথাও না কোথাও আছ,
একদিন দেখা হবে,
একদিন চাঁদের আলোয় ভিজে ভিজে গল্প হবে অনেক,
যে কথাটি বলা হয়নি, হবে
যে কোনও একদিন দেখা হবে, যে স্পর্শটি করা হয়নি, হবে
আজ হতে পারে, পরশু, অথবা কুড়ি বছর পর,
যে চুমুটি খাওয়া হয়নি, হবে
অথবা দেখা হবে না, কুড়ি কেটে যাচ্ছে, দু’কুড়িও
তুমি আছ কোথাও, ভাবা যেত তুমি হাঁটছ বাগানে,
গন্ধরাজের গন্ধ নিচ্ছ
গোলাপের গোড়ায় জল দিচ্ছ, কামিনীর গা থেকে
আলগোছে সরিয়ে নিচ্ছ মাধবীলতা,
অথবা স্নান করছ, খোঁপা করছ, দু’-এক কলি গাইছ কিছু
অথবা শুয়ে আছ, দক্ষিণের জানালায় এক ঝাঁক হাওয়া নিয়ে
বসেছে লাল-ঠোঁট পাখি,
অথবা ভাবছ আমাকে, পুরনো চিঠিগুলো ছুঁয়ে দেখছ,
ছবিগুলো,
গা-পোড়া রোদ্দুর আর কোথাকার কোন ঘন মেঘ
চোখে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে তোমার…
অথবা ভাবা যেত
আমি বলে কেউ কোনওদিন কোথাও ছিলাম
তুমি ভুলে গেছ,
তবু ভাবা তো যেত।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। তসলিমা নাসরিন।
যদি হত – তসলিমা নাসরিন | যদি হত কবিতা | তসলিমা নাসরিনের কবিতা | বাংলা প্রেমের কবিতা
যদি হত: তসলিমা নাসরিনের কল্পনা, অপেক্ষা ও অসম্ভব ভালোবাসার অসাধারণ কাব্যভাষা
তসলিমা নাসরিনের “যদি হত” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা কল্পনা, অপেক্ষা, অসম্ভব ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের এক গভীর কাব্যিক অন্বেষণ। “এরকম যদি হত তুমি আছ কোথাও, / কোথাও না কোথাও আছ, / একদিন দেখা হবে, / একদিন চাঁদের আলোয় ভিজে ভিজে গল্প হবে অনেক” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক গভীর আকাঙ্ক্ষার জগৎ, যেখানে কবি কল্পনা করেন তাঁর প্রিয়তমের অস্তিত্ব, তাঁর জীবন, তাঁর দৈনন্দিনতা। তসলিমা নাসরিন (জন্ম: ১৯৬২) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখিকা, কবি ও মানবাধিকার কর্মী। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের গভীর প্রকাশ ঘটে। “যদি হত” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা বিচ্ছেদের পরেও প্রিয়তমের অস্তিত্ব কল্পনা করার এক অসাধারণ চিত্র।
তসলিমা নাসরিন: নারীচেতনার অগ্নিকন্যা
তসলিমা নাসরিন (জন্ম: ১৯৬২) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখিকা, কবি ও মানবাধিকার কর্মী। তিনি ১৯৬২ সালের ২৫ আগস্ট ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়াশোনা করলেও লেখালেখি তাঁর প্রধান পেশা। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নির্বাসনে নিজস্ব’ তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘বল্কল’, ‘বেহুলা’, ‘আমার মেয়েবেলা’, ‘মোরে দেখিবে’ প্রভৃতি। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, স্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও সামাজিক বন্ধনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি বর্তমানে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। “যদি হত” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা বিচ্ছেদের পরেও প্রিয়তমের অস্তিত্ব কল্পনা করার এক অসাধারণ চিত্র।
যদি হত কবিতার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
কবিতার শিরোনামের তাৎপর্য
“যদি হত” শিরোনামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ‘যদি হত’ — এটি একটি কল্পনা, একটি সম্ভাবনা, একটি আকাঙ্ক্ষা। যা নেই, কিন্তু থাকলে কেমন হতো — সেই ভাবনা। শিরোনামেই কবি ইঙ্গিত দিয়েছেন — এই কবিতা কল্পনার, সম্ভাবনার, না-থাকার বেদনার কবিতা।
প্রথম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“এরকম যদি হত তুমি আছ কোথাও, / কোথাও না কোথাও আছ, / একদিন দেখা হবে, / একদিন চাঁদের আলোয় ভিজে ভিজে গল্প হবে অনেক, / যে কথাটি বলা হয়নি, হবে / যে কোনও একদিন দেখা হবে, যে স্পর্শটি করা হয়নি, হবে / আজ হতে পারে, পরশু, অথবা কুড়ি বছর পর, / যে চুমুটি খাওয়া হয়নি, হবে” প্রথম স্তবকে কবি তাঁর কল্পনার জগৎ সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলেছেন — যদি এমন হতো যে তুমি কোথাও আছ, কোথাও না কোথাও আছ, তাহলে একদিন দেখা হবে। চাঁদের আলোয় ভিজে ভিজে গল্প হবে। যে কথাটি বলা হয়নি, তা হবে। যে স্পর্শটি করা হয়নি, তা হবে। আজ হতে পারে, পরশু, অথবা কুড়ি বছর পর। যে চুমুটি খাওয়া হয়নি, তা হবে।
‘তুমি আছ কোথাও’ — কল্পনার তাৎপর্য
কবি জানেন না তাঁর প্রিয়তম কোথায় আছেন, তিনি আদৌ আছেন কিনা। কিন্তু তিনি কল্পনা করেন — তিনি কোথাও না কোথাও আছেন। এই কল্পনা তাঁকে বাঁচিয়ে রাখে।
‘একদিন দেখা হবে’ — অপেক্ষার তাৎপর্য
‘একদিন দেখা হবে’ — এটি একটি আশা, একটি অপেক্ষা। তিনি জানেন না কখন, কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন একদিন দেখা হবে। সময়ের সীমা নেই — আজ, পরশু, কুড়ি বছর পর — যেকোনো সময়।
না-বলা কথা, না-করা স্পর্শ, না-খাওয়া চুমুর তাৎপর্য
যে কথাটি বলা হয়নি, যে স্পর্শটি করা হয়নি, যে চুমুটি খাওয়া হয়নি — সেগুলো একদিন হবে। এটি অতীতের অপূর্ণতার প্রতিশ্রুতি, ভবিষ্যতের সম্ভাবনা।
দ্বিতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“অথবা দেখা হবে না, কুড়ি কেটে যাচ্ছে, দু’কুড়িও / তুমি আছ কোথাও, ভাবা যেত তুমি হাঁটছ বাগানে, / গন্ধরাজের গন্ধ নিচ্ছ / গোলাপের গোড়ায় জল দিচ্ছ, কামিনীর গা থেকে / আলগোছে সরিয়ে নিচ্ছ মাধবীলতা, / অথবা স্নান করছ, খোঁপা করছ, দু’-এক কলি গাইছ কিছু / অথবা শুয়ে আছ, দক্ষিণের জানালায় এক ঝাঁক হাওয়া নিয়ে / বসেছে লাল-ঠোঁট পাখি, / অথবা ভাবছ আমাকে, পুরনো চিঠিগুলো ছুঁয়ে দেখছ, / ছবিগুলো, / গা-পোড়া রোদ্দুর আর কোথাকার কোন ঘন মেঘ / চোখে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে তোমার…” দ্বিতীয় স্তবকে কবি আরেকটি সম্ভাবনা কল্পনা করেছেন। তিনি বলেছেন — অথবা দেখা হবে না। কুড়ি বছর কেটে যাচ্ছে, দু’কুড়িও। কিন্তু তুমি আছ কোথাও। ভাবা যেত — তুমি বাগানে হাঁটছ, গন্ধরাজের গন্ধ নিচ্ছ, গোলাপের গোড়ায় জল দিচ্ছ, কামিনীর গা থেকে মাধবীলতা সরিয়ে নিচ্ছ। অথবা স্নান করছ, খোঁপা করছ, দু-এক কলি গাইছ। অথবা শুয়ে আছ, দক্ষিণের জানালায় হাওয়া নিয়ে লাল-ঠোঁট পাখি বসেছে। অথবা ভাবছ আমাকে, পুরনো চিঠিগুলো ছুঁয়ে দেখছ, ছবিগুলো দেখছ। গা-পোড়া রোদ্দুর আর কোথাকার ঘন মেঘ তোমার চোখে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে।
দেখা না হওয়ার সম্ভাবনার তাৎপর্য
কবি এখন অন্য সম্ভাবনা কল্পনা করেন — হয়তো দেখা হবে না। কুড়ি বছর কেটে গেছে, দু’কুড়িও কেটে যাবে। কিন্তু তবুও তিনি কল্পনা করেন — তুমি আছ কোথাও।
প্রিয়তমের দৈনন্দিন জীবনের কল্পনার তাৎপর্য
কবি তাঁর প্রিয়তমের দৈনন্দিন জীবন কল্পনা করেন — তিনি বাগানে হাঁটছেন, ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন, গাছে জল দিচ্ছেন, স্নান করছেন, খোঁপা করছেন, গান গাইছেন, শুয়ে আছেন। এই দৈনন্দিন কাজগুলোর কল্পনা প্রিয়তমকে জীবন্ত করে তোলে, তাঁকে কাছে নিয়ে আসে।
প্রিয়তমের কবিকে ভাবার কল্পনার তাৎপর্য
কবি কল্পনা করেন — প্রিয়তম হয়তো তাঁকে ভাবছেন, পুরনো চিঠিগুলো ছুঁয়ে দেখছেন, ছবিগুলো দেখছেন। হয়তো তাঁর চোখে বৃষ্টি ঝরছে — অর্থাৎ তিনি হয়তো কাঁদছেন, কবির জন্য। এই কল্পনা কবিকে স্বস্তি দেয়, তাঁকে বাঁচিয়ে রাখে।
তৃতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“অথবা ভাবা যেত / আমি বলে কেউ কোনওদিন কোথাও ছিলাম / তুমি ভুলে গেছ, / তবু ভাবা তো যেত।” তৃতীয় স্তবকে কবি সবচেয়ে কঠিন সম্ভাবনা কল্পনা করেছেন। তিনি বলেছেন — অথবা ভাবা যেত, আমি বলে কেউ কোনওদিন কোথাও ছিলাম, তুমি ভুলে গেছ। তবু ভাবা তো যেত।
‘আমি বলে কেউ কোনওদিন কোথাও ছিলাম’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
এটি অস্তিত্বের সবচেয়ে করুণ কল্পনা। কবি ভাবছেন — হয়তো তাঁর অস্তিত্বই ছিল না, তিনি বলে কেউ ছিলেন না। হয়তো তিনি শুধু কল্পনা, শুধু স্বপ্ন।
‘তুমি ভুলে গেছ’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
হয়তো প্রিয়তম তাঁকে ভুলে গেছেন। তাঁর কোনো স্মৃতি নেই, তাঁর কোনো অস্তিত্ব নেই প্রিয়তমের মনে। এটি বিচ্ছেদের চূড়ান্ত বেদনা।
‘তবু ভাবা তো যেত’ — শেষ পঙ্ক্তির তাৎপর্য
এই পঙ্ক্তিটি কবিতার সবচেয়ে বেদনাদায়ক ও সুন্দর অংশ। সব কিছুই যদি মিথ্যে হয়, যদি তাঁর অস্তিত্ব না থাকে, যদি প্রিয়তম তাঁকে ভুলে যান — তবুও তিনি ভাবতে পারেন। কল্পনা করার অধিকার তাঁর আছে। এই কল্পনাই তাঁকে বাঁচিয়ে রাখে।
কবিতার সামগ্রিক তাৎপর্য
“যদি হত” কবিতাটি বিচ্ছেদ, কল্পনা ও অসম্ভব ভালোবাসার এক অসাধারণ চিত্র। কবি প্রথমে কল্পনা করেন — যদি প্রিয়তম কোথাও থাকেন, তাহলে একদিন দেখা হবে, না-বলা কথা হবে, না-করা স্পর্শ হবে, না-খাওয়া চুমু হবে। তারপর তিনি কল্পনা করেন — হয়তো দেখা হবে না, কিন্তু প্রিয়তম কোথাও আছেন, তিনি বাগানে হাঁটছেন, গন্ধ নিচ্ছেন, জল দিচ্ছেন, স্নান করছেন, গান গাইছেন, হয়তো তাঁকে ভাবছেন। শেষে তিনি সবচেয়ে কঠিন কল্পনা করেন — হয়তো তাঁর কোনো অস্তিত্বই ছিল না, হয়তো প্রিয়তম তাঁকে ভুলে গেছেন। কিন্তু তবুও তিনি ভাবতে পারেন। এই ভাবনা, এই কল্পনাই তাঁর শেষ আশ্রয়।
যদি হত কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: যদি হত কবিতার লেখক কে?
যদি হত কবিতার লেখক তসলিমা নাসরিন (জন্ম: ১৯৬২)। তিনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখিকা, কবি ও মানবাধিকার কর্মী। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নির্বাসনে নিজস্ব’ তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের গভীর প্রকাশ ঘটে।
প্রশ্ন ২: যদি হত কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
যদি হত কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো বিচ্ছেদ, কল্পনা ও অসম্ভব ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা। কবি কল্পনা করেন — যদি প্রিয়তম কোথাও থাকেন, তাহলে একদিন দেখা হবে। তারপর কল্পনা করেন — হয়তো দেখা হবে না, কিন্তু প্রিয়তম বেঁচে আছেন, তাঁর দৈনন্দিন জীবন চলছে। শেষে কল্পনা করেন — হয়তো তাঁর অস্তিত্বই ছিল না। কিন্তু তবু তিনি ভাবতে পারেন।
প্রশ্ন ৩: ‘একদিন চাঁদের আলোয় ভিজে ভিজে গল্প হবে অনেক’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘একদিন চাঁদের আলোয় ভিজে ভিজে গল্প হবে অনেক’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি প্রিয়তমের সাথে মিলনের একটি রোমান্টিক চিত্র এঁকেছেন। চাঁদের আলো প্রেমের প্রতীক। সেই আলোয় ভিজে ভিজে তারা গল্প করবেন — দীর্ঘ সময় ধরে, আবেগে আপ্লুত হয়ে।
প্রশ্ন ৪: ‘যে চুমুটি খাওয়া হয়নি, হবে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘যে চুমুটি খাওয়া হয়নি, হবে’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি অপূর্ণ প্রেমের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যা কিছু অপূর্ণ ছিল, যা কিছু করা হয়নি, তা একদিন হবে। এটি আশার আলো, ভবিষ্যতের সম্ভাবনা।
প্রশ্ন ৫: ‘অথবা দেখা হবে না, কুড়ি কেটে যাচ্ছে, দু’কুড়িও’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘অথবা দেখা হবে না, কুড়ি কেটে যাচ্ছে, দু’কুড়িও’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন। হয়তো দেখা হবে না। কুড়ি বছর কেটে গেছে, দু’কুড়ি (চল্লিশ বছর) কেটে যাবে। সময় চলে যাচ্ছে, কিন্তু দেখা হচ্ছে না।
প্রশ্ন ৬: ‘আমি বলে কেউ কোনওদিন কোথাও ছিলাম / তুমি ভুলে গেছ, / তবু ভাবা তো যেত’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘আমি বলে কেউ কোনওদিন কোথাও ছিলাম / তুমি ভুলে গেছ, / তবু ভাবা তো যেত’ — এই পঙ্ক্তিটি কবিতার সবচেয়ে বেদনাদায়ক ও সুন্দর অংশ। কবি ভাবছেন — হয়তো তাঁর অস্তিত্বই ছিল না, তিনি বলে কেউ ছিলেন না। হয়তো প্রিয়তম তাঁকে ভুলে গেছেন। কিন্তু তবুও তিনি ভাবতে পারেন। কল্পনা করার অধিকার তাঁর আছে। এই কল্পনাই তাঁকে বাঁচিয়ে রাখে।
প্রশ্ন ৭: তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
তসলিমা নাসরিন (জন্ম: ১৯৬২) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখিকা, কবি ও মানবাধিকার কর্মী। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নির্বাসনে নিজস্ব’ তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর কবিতায় নারীচেতনা, প্রেম, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি বর্তমানে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন।
ট্যাগস: যদি হত, তসলিমা নাসরিন, তসলিমা নাসরিনের কবিতা, যদি হত কবিতা, বাংলা প্রেমের কবিতা, বিচ্ছেদের কবিতা, কল্পনার কবিতা, অপেক্ষার কবিতা





