- আপনাকে মনে পড়ছে খুব!
- কেমন?
- ভীষণ রকম!
- কতটুকু ভীষণ?
- বিষম ভীষণ!
- ‘বিষম ভীষণ মনে পড়া’ আবার কেমন বুঝিয়ে বলুন।
আমি এটা বলি সেটা বলি কিন্তু কিছুতেই
‘বিষম ভীষণ’ মনে পড়া বুঝাতে পারি না।
আমি বললাম; আপনি কখনো কয়েক বেলা
একসাথে না খেয়ে কাটিয়েছেন?
নীলা বলে; হ্যাঁ কাটিয়েছি কতো।
আমি বললাম; তারপর খেয়েছেন?
নীলা বলে; হ্যাঁ খেয়েছি।
আমি বললাম; খেতে বসে এক দুই লোকমা
মুখে দেবার পর পানি খেতে হয়েছে?
নীলা বলে; হ্যাঁ, এমনটাই হয়েছে।
আমি বললাম; পানির জন্য কেমন লেগেছে তখন?
নীলা বললো; মনে হয়েছে এক্ষুণি পানি না পেলে মরে যাব।
আমি বললাম; কয়েক বেলা না খেয়ে থেকে খেতে বসলে
এক দুই লোকমা চিবানোর পর পানির জন্য যেমন ছটফট লাগে
আপনাকে আমার এখন ঠিক তেমন করেই মনে পড়ছে।
এটাই হলো বিষম ভীষণ মনে পড়া।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। সালমান হাবীবের কবিতা।
কবিতার কথা—
সালমান হাবীবের ‘বিষম ভীষণ’ কবিতাটি আধুনিক প্রেমের এক অত্যন্ত সহজ কিন্তু প্রগাঢ় অনুভূতির প্রকাশ। আমরা যখন কাউকে খুব বেশি মনে করি, তখন প্রায়ই শব্দ খুঁজে পাই না। ‘খুব’, ‘অনেক’ বা ‘ভীষণ’—এই শব্দগুলো যেন অনুভূতির গভীরতা বোঝাতে গিয়ে হার মেনে যায়। কবি এখানে একটি অতি সাধারণ শারীরিক যন্ত্রণার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে হৃদয়ের এক চরম হাহাকারকে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
কবিতার শুরুতে একটি কথোপকথন দেখা যায়, যা আমাদের খুব পরিচিত। ‘কেমন মনে পড়ছে?’—এই প্রশ্নের জবাবে যখন ‘বিষম ভীষণ’ শব্দটি আসে, তখন তা আক্ষরিক অর্থেই এক ধরণের ভারসাম্যহীনতার ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু এই ‘বিষম’ হওয়াটা ঠিক কেমন, তা বোঝাতে কবি এক চমৎকার উপমা ব্যবহার করেছেন। তিনি খাবার টেবিলে ‘বিষম খাওয়ার’ সেই তীব্র মুহূর্তটিকে বেছে নিয়েছেন।
কয়েক বেলা না খেয়ে থাকার পর যখন ক্ষুধার্ত মানুষটি খেতে বসে এবং প্রথম কয়েক লোকমা মুখেই দেওয়ার পরেই বিষম খেয়ে পানির জন্য ছটফট করে—সেই মুহূর্তটি জীবনের জন্য অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তখন কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হয়, এক ফোঁটা পানি না পেলে এখনই প্রাণ বেরিয়ে যাবে। কবি বলছেন, প্রিয়জনের অভাব বা তাকে মনে পড়ার তীব্রতা ঠিক তেমনই। এটি কেবল সাধারণ কোনো বিরহ নয়, এটি এক ধরণের ‘শ্বাসরুদ্ধকর’ শূন্যতা। পানির জন্য সেই যে ছটফটানি, সেটিই হলো প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য হৃদয়ের আকুতি।
সালমান হাবীব এখানে প্রেমকে কোনো অলৌকিক বা কাব্যিক জটিলতায় না ফেলে বরং মানুষের শরীরের তৃষ্ণা আর জৈবিক তাড়নার সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন। যার ফলে ‘বিষম ভীষণ’ মনে পড়াটা পাঠকের কাছে কেবল একটি শব্দবন্ধ থাকে না, বরং এক ধরণের শারীরিক অনুভূতি হয়ে ধরা দেয়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানুষের জীবনে কিছু অভাব বা কিছু মানুষের অনুপস্থিতি কখনো কখনো অক্সিজেনের অভাবের মতোই অসহনীয় হয়ে ওঠে।
পরিশেষে বলা যায়, ‘বিষম ভীষণ’ কবিতাটি অল্প কথায় অনুভূতির বিশালতাকে ধরার এক সফল প্রয়াস। এটি সহজ সরল শব্দের গাঁথুনিতে এক আধুনিক ধ্রুপদী প্রেমের রূপক।
বিষম ভীষণ – সালমান হাবীব | সালমান হাবীবের কবিতা | আধুনিক বাংলা কবিতা | প্রেম, স্মৃতি ও অনুপস্থিতির যন্ত্রণার অসাধারণ কাব্যভাষা
বিষম ভীষণ: সালমান হাবীবের প্রেম, স্মৃতি, অনুপস্থিতি ও উপমার অসাধারণ কাব্যভাষা
সালমান হাবীবের “বিষম ভীষণ” আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য, সংলাপধর্মী ও গভীর সৃষ্টি। এটি একটি প্রেমের কবিতা — কিন্তু এতে নেই রোমান্টিক উচ্ছ্বাস, নেই মিলনের কাহিনি। বরং আছে এক নিঃশব্দ অনুপস্থিতির যন্ত্রণা, আর সেই যন্ত্রণাকে ভাষায় ধরা দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা। “- আপনাকে মনে পড়ছে খুব! / – কেমন? / – ভীষণ রকম! / – কতটুকু ভীষণ? / – বিষম ভীষণ!” — এই সংলাপ দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক প্রেমিকের মনস্তত্ত্ব — যে ‘বিষম ভীষণ’ মনে পড়ার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত একটি অসাধারণ উপমা খুঁজে পায়। তিনি নীলাকে প্রশ্ন করেন — কখনো কয়েক বেলা একসাথে না খেয়ে কাটিয়েছেন? নীলা বলে — হ্যাঁ। তারপর খেতে বসে এক-দুই লোকমা মুখে দেবার পর পানি খেতে হয়েছে? নীলা বলে — হ্যাঁ। পানির জন্য কেমন লেগেছিল? নীলা বলে — মনে হয়েছিল এক্ষুণি পানি না পেলে মরে যাব। তখন কবি উত্তর দেন — কয়েক বেলা না খেয়ে থেকে খেতে বসলে এক-দুই লোকমা চিবানোর পর পানির জন্য যেমন ছটফট লাগে, আপনাকে আমার এখন ঠিক তেমন করেই মনে পড়ছে। এটাই হলো ‘বিষম ভীষণ মনে পড়া’। সালমান হাবীব একজন সমসাময়িক বাঙালি কবি। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতায় সহজ-সরল ভাষায় দৈনন্দিন জীবনের চিত্র, প্রেম ও বিষাদের মিশ্রণ, এবং নগরজীবনের একাকীত্ব ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত। ‘বিষম ভীষণ’ তাঁর সেই স্বকীয় কাব্যভাষার এক অসাধারণ শিল্পরূপ — যেখানে তিনি ক্ষুধা ও তৃষ্ণার শারীরিক অনুভূতিকে প্রেমের স্মৃতির উপমা হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
সালমান হাবীব: সরলতা, সংলাপ ও উপমার কবি
সালমান হাবীব একজন সমসাময়িক বাঙালি কবি ও লেখক। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতায় সহজ-সরল ভাষায় দৈনন্দিন জীবনের চিত্র, প্রেম ও বিষাদের মিশ্রণ, এবং নগরজীবনের একাকীত্ব ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত। তাঁর কবিতায় সংলাপের ফর্ম্যাট, সাধারণ মানুষের কথোপকথন, এবং দৈহিক অনুভূতির উপমা ব্যবহার অসাধারণ দক্ষতায় ফুটে ওঠে। ‘বিষম ভীষণ’ কবিতাটি তার সেই ধারার একটি অসাধারণ উদাহরণ।
তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘তুমি এলে’ (২০১৮), ‘ভুলে যেতে হবে ভেবে’ (২০২০), ‘বিষম ভীষণ’ (২০২১), ‘নির্বাচিত কবিতা’ (২০২২) ইত্যাদি।
শিরোনাম ও ভাষার অপারগতা
শিরোনাম ‘বিষম ভীষণ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ‘ভীষণ’ মানে খুব বেশি, ‘বিষম’ মানে অসহনীয়, অদ্ভুত। দুটি শব্দ মিলিয়ে একটি তীব্র অনুভূতি তৈরি হয়েছে — যা কোনো সহজ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কবি নিজেও স্বীকার করেন — ‘আমি এটা বলি সেটা বলি কিন্তু কিছুতেই ‘বিষম ভীষণ’ মনে পড়া বুঝাতে পারি না’। ভাষা যখন অপারগ, তখন তিনি শরণাপন্ন হন উপমার — দৈহিক, প্রায় প্রাণঘাতী এক উপমা।
সংলাপের নাটকীয়তা
পুরো কবিতাটি একটি সংলাপের ফর্ম্যাটে লেখা। প্রথম অংশে সরাসরি উদ্ধৃত চিহ্নে কথোপকথন চলছে — প্রশ্নোত্তরের ধারাবাহিকতায় এক স্তরে স্তরে ‘বিষম ভীষণ’ মনে পড়ার গভীরতা বাড়ছে। তারপর কবি বর্ণনামূলক অংশে এসে বলেন — তিনি বারবার চেষ্টা করেও সংজ্ঞা দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত তিনি একটি প্রশ্নের সিরিজ তৈরি করেন — যা ধীরে ধীরে পাঠককে নিয়ে যায় সেই উপমায়। এই প্রশ্নোত্তরের কাঠামো কবিতাটিকে এক মিনি-নাটকের মতো করে তুলেছে।
ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও প্রেমের স্মৃতি: একটি অসাধারণ উপমা
কবি নীলাকে জিজ্ঞাসা করেন — কয়েক বেলা না খেয়ে কাটিয়েছেন? উত্তর — হ্যাঁ। তারপর খেয়েছেন? উত্তর — হ্যাঁ। খেতে বসে এক-দুই লোকমা মুখে দেওয়ার পর পানি খেতে হয়েছে? উত্তর — হ্যাঁ। পানির জন্য কেমন লেগেছিল? উত্তর — মনে হয়েছিল এক্ষুণি পানি না পেলে মরে যাব। তখন কবি উপমাটি দাঁড় করান — কয়েক বেলা না খেয়ে থেকে খেতে বসলে এক-দুই লোকমা চিবানোর পর পানির জন্য যেমন ছটফট লাগে, আপনাকে আমার এখন ঠিক তেমন করেই মনে পড়ছে। এটাই ‘বিষম ভীষণ মনে পড়া’।
এই উপমাটি অত্যন্ত শক্তিশালী। এখানে প্রেমের স্মৃতিকে দৈহিক তৃষ্ণার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে — যা প্রায় প্রাণঘাতী, যার তৃপ্তি না পেলে ‘মরে যাব’ মনে হয়। এই ‘ছটফট’ শব্দটি — অসহায়তা, ব্যস্ততা, অনিবার্যতা — সবকিছু ধারণ করে।
অনুপস্থিতি ও উপস্থিতির দ্বান্দ্বিকতা
উপমাটির ভেতর একটি গভীর দ্বান্দ্বিকতা আছে। ক্ষুধার্ত মানুষ যখন খেতে বসে, তখন খাবার সামনে থাকে — কিন্তু সে পানি চায়। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় জিনিসটি সামনে থাকলেও, তার জন্য আরেকটি জিনিস প্রয়োজন। এখানে ‘খাবার’ সম্ভবত দৈনন্দিন জীবনের রুটিন, আর ‘পানি’ হলো সেই প্রিয় ব্যক্তির স্মৃতি। রুটিন চলছে, কিন্তু স্মৃতি ছাড়া তা চলে না। অথবা, ‘খাবার’ হলো প্রিয় মানুষটির বাস্তব উপস্থিতি, আর ‘পানি’ হলো তার স্মৃতি — কিন্তু এখানে তিনি তো অনুপস্থিত। উপমাটি অস্পষ্ট রেখে কবি ইচ্ছাকৃতভাবে অর্থের একাধিক স্তর তৈরি করেছেন।
নামের তাৎপর্য: নীলা কেন?
কবিতায় দ্বিতীয় চরিত্রের নাম ‘নীলা’। ‘নীলা’ — নীল রং, যা আকাশ ও সমুদ্রের রং, যা গভীরতা ও প্রশান্তির প্রতীক। কিন্তু এখানে নীলা প্রশ্ন করে, উত্তর দেয়, বুঝতে চায়। নামটি হয়ত কবির নিজের কল্পনার প্রিয় মানুষের নাম — অথবা কাছের কোনো বন্ধু। নামটি কবিতাটিকে ব্যক্তিগত ও সার্বজনীন — উভয় মাত্রা দিয়েছে।
প্রশ্নোত্তর: গভীর পাঠের জন্য
প্রশ্ন ১: ‘বিষম ভীষণ’ শিরোনামের অর্থ কী?
উত্তর: ‘ভীষণ’ মানে খুব বেশি, ‘বিষম’ মানে অসহনীয়, অদ্ভুত। দুটি শব্দ মিলিয়ে একটি তীব্র অনুভূতি তৈরি হয়েছে — যা কোনো সহজ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
প্রশ্ন ২: কবি কেন ‘বিষম ভীষণ’ মনে পড়া বুঝাতে পারেন না?
উত্তর: প্রেমের গভীর অনুভূতি প্রায়ই ভাষার বাইরে থাকে। কবি বারবার চেষ্টা করেও সংজ্ঞা দিতে পারেননি — শেষ পর্যন্ত উপমার মাধ্যমে তা প্রকাশ করেন।
প্রশ্ন ৩: ‘কয়েক বেলা একসাথে না খেয়ে কাটিয়েছেন?’ — এই প্রশ্ন কেন?
উত্তর: দীর্ঘ ক্ষুধার পর খেতে বসলে এক-দুই লোকমার পর পানির জন্য যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় — কবি প্রেমের স্মৃতির তীব্রতা বোঝাতে সেই দৈহিক অনুভূতির শরণাপন্ন হন।
প্রশ্ন ৪: ‘এক্ষুণি পানি না পেলে মরে যাব’ — লাইনটির গভীরতা কী?
উত্তর: এটি প্রাণঘাতী তৃষ্ণার চিত্র। কবি বলতে চান — তাঁর প্রেমের স্মৃতি ততটাই তীব্র, যতটা তীব্র এক ক্ষুধার্তের তৃষ্ণা। স্মৃতি পূরণ না হলে তিনি ‘মরে যাবেন’ মনে করেন।
প্রশ্ন ৫: ‘ছটফট লাগে’ — শব্দটির গুরুত্ব কী?
উত্তর: ‘ছটফট’ একটি অনুকরণধর্মী শব্দ — যা অসহায়তা, অস্থিরতা, তীব্র আকাঙ্ক্ষা — সবকিছু ধারণ করে। এটি প্রেমের স্মৃতির অসহ্য যন্ত্রণাকে ফুটিয়ে তোলে।
প্রশ্ন ৬: এই উপমাটি কেন কার্যকর?
উত্তর: কারণ এটি বিমূর্ত অনুভূতিকে দৈহিক, প্রায় প্রাণঘাতী অনুভূতির সঙ্গে তুলনা করে। পাঠক নিজের ক্ষুধা-তৃষ্ণার অভিজ্ঞতা থেকে এই উপমা বুঝতে পারেন।
প্রশ্ন ৭: ‘নীলা’ নামটি কেন এসেছে?
উত্তর: ‘নীলা’ — নীল রং, যা গভীরতা ও প্রশান্তির প্রতীক। নামটি কবিতাটিকে ব্যক্তিগত ও সার্বজনীন উভয় মাত্রা দিয়েছে। নীলা প্রশ্ন করে, উত্তর দেয়, বুঝতে চায়।
প্রশ্ন ৮: কবিতাটি কোন ধারার?
উত্তর: এটি সংলাপধর্মী প্রেমের কবিতা। এতে আছে কথোপকথনের ফর্ম্যাট, উপমার অসাধারণ ব্যবহার, এবং অনুপস্থিতির যন্ত্রণার চিত্রায়ণ।
প্রশ্ন ৯: ‘বিষম ভীষণ’ মনে পড়া কি কষ্টের নাকি আনন্দের?
উত্তর: এটি কষ্টের। উপমাটি দেখায় — প্রিয় মানুষটির স্মৃতি তৃষ্ণার মতো দগ্ধ করে। কিন্তু এই কষ্টের ভেতরেও প্রেমের উপস্থিতি স্পষ্ট।
প্রশ্ন ১০: কবিতার মূল শিক্ষা ও সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা কী?
উত্তর: কবিতাটি শেখায় — প্রেমের গভীর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কিন্তু সঠিক উপমা খুঁজে পেলে সেই অনুভূতি সবার কাছে বোঝানো যায়। ক্ষুধা-তৃষ্ণার মতো দৈহিক অনুভূতি সবার জানা — সেই পথ ধরে বিমূর্ত প্রেমকে বাস্তব করে তোলা যায়। আজকের দিনে, যখন প্রেমের অভিব্যক্তি প্রায়ই বাণিজ্যিক ও ফাঁকা হয়ে যায়, এই কবিতার সরল ও তীব্র উপমা নতুন করে ভাবায়।
ট্যাগস: বিষম ভীষণ, সালমান হাবীব, সালমান হাবীবের কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, প্রেমের স্মৃতি, উপমার কবিতা, সংলাপধর্মী কবিতা
© Kobitarkhata.com – কবি: সালমান হাবীব | কবিতার প্রথম লাইন: “- আপনাকে মনে পড়ছে খুব! – কেমন? – ভীষণ রকম! – কতটুকু ভীষণ? – বিষম ভীষণ!” | প্রেম, স্মৃতি ও অনুপস্থিতির যন্ত্রণার অসাধারণ কাব্যভাষা | আধুনিক বাংলা কবিতার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন