কবিতার খাতা
- 20 mins
বাসনা – জয়দেব বসু।
খাওয়া হয়নি শালিধানের চিঁড়ে
খাওয়া হয়নি সোনামুগের ডাল,
দেখা হয়নি পুণ্যিপুকুর ব্রত
স্বপ্নে আমার বউ আসেনি কাল
ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি-
ছোঁয়া হয়নি বাদার মুথা ঘাস
ভ্রমরকালো সোনাই দীঘির জল,
ঘোরা হয়নি বনবিবির থান
মাজার জুড়ে চেরাগ ঝলোমল
ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি-
আজো তোমায় দেখা হয়নি সুখি
ধরা হয়নি লতিয়ে উঠা হাত,
লেখা হয়নি কবিতা একটিও
সারা হয়নি আখেরি মোনাজাত।
ও জ্বর প্লিজ, তুমি এসোনা এক্ষুণি-
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। জয়দেব বসু।
বাসনা – জয়দেব বসু | বাসনা কবিতা | জয়দেব বসুর কবিতা | বাংলা কবিতা
বাসনা: জয়দেব বসুর অপূর্ণতা, স্বপ্ন ও মৃত্যুঞ্জয়ের অসাধারণ কাব্যভাষা
জয়দেব বসুর “বাসনা” কবিতাটি বাংলা কবিতার একটি অনন্য সৃষ্টি, যা অপূর্ণতা, স্বপ্ন, বাসনা ও মৃত্যুর এক গভীর দার্শনিক অন্বেষণ। “খাওয়া হয়নি শালিধানের চিঁড়ে / খাওয়া হয়নি সোনামুগের ডাল” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক বিষাদময় জগৎ, যেখানে জীবনের নানা অপূর্ণতা ধরা পড়েছে। জয়দেব বসু বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি, মানবিক সম্পর্ক ও মৃত্যুর গভীর প্রকাশ ঘটে। “বাসনা” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা পাঠকের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে। এই কবিতায় তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে মানুষের জীবনে অনেক কিছু অপূর্ণ থেকে যায় — খাওয়া হয়নি, দেখা হয়নি, ছোঁয়া হয়নি, ঘোরা হয়নি, লেখা হয়নি, সারা হয়নি। আর এই অপূর্ণতার মাঝেই মৃত্যু (জ্বর) এসে হাজির হতে চায়। কিন্তু কবি জ্বরকে বলছেন — এসো না এখনি।
জয়দেব বসু: গ্রামীণ জীবনের কবি
জয়দেব বসু বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি, মানবিক সম্পর্ক ও মৃত্যুর গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় জটিল জীবনবোধ ও গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত রূপ ফুটিয়ে তোলেন। “বাসনা” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা অপূর্ণতা, বাসনা ও মৃত্যুর এক অসাধারণ চিত্র এঁকেছে। জয়দেব বসুর কবিতা পাঠককে ভাবায়, আন্দোলিত করে এবং নিজের ভেতরে তাকাতে বাধ্য করে। তিনি বাংলা কবিতায় এক স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।
বাসনা কবিতার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
কবিতার শিরোনামের তাৎপর্য
“বাসনা” শিরোনামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাসনা মানে ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, প্রার্থনা। কিন্তু কবিতায় আমরা দেখি — কবির অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে গেছে। খাওয়া হয়নি, দেখা হয়নি, ছোঁয়া হয়নি, ঘোরা হয়নি, লেখা হয়নি, সারা হয়নি। এই সব অপূর্ণতাই তার বাসনা। তিনি চেয়েছিলেন সব কিছু করতে, সব কিছু পেতে, সব কিছু অনুভব করতে। কিন্তু সময় ফুরিয়ে আসছে। মৃত্যু (জ্বর) এসে হাজির। তাই তিনি শেষ বাসনা জানাচ্ছেন — ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি।
প্রথম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“খাওয়া হয়নি শালিধানের চিঁড়ে / খাওয়া হয়নি সোনামুগের ডাল, / দেখা হয়নি পুণ্যিপুকুর ব্রত / স্বপ্নে আমার বউ আসেনি কাল / ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি-” প্রথম স্তবকে কবি তার অপূর্ণতার কথা বলেছেন। শালিধানের চিঁড়ে খাওয়া হয়নি — শালিধান এক প্রকার ধান, তার চিঁড়ে একটি বিশেষ খাবার। সোনামুগের ডাল — সোনামুগ এক প্রকার মুগ ডাল। এই দুটি সাধারণ গ্রামীণ খাবার, যা তিনি খেতে পারেননি। পুণ্যিপুকুর ব্রত — পুণ্যিপুকুরে কোনো ব্রত বা পূজা? তিনি তা দেখতে পারেননি। স্বপ্নে তার বউ আসেনি কাল — গত রাতে স্বপ্নে তার স্ত্রী আসেনি। এই সব অপূর্ণতার পর তিনি জ্বরকে বলছেন — তুমি এসো না এখনি।
শালিধানের চিঁড়ে ও সোনামুগের ডালের তাৎপর্য
শালিধানের চিঁড়ে ও সোনামুগের ডাল — এগুলো সাধারণ গ্রামীণ খাবার। কিন্তু কবির কাছে এগুলো জীবনের সরল সুখের প্রতীক। তিনি এই সরল সুখগুলোও পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেননি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি মনে করছেন — এই সরল সুখগুলোও তিনি পাননি।
পুণ্যিপুকুর ব্রতের তাৎপর্য
পুণ্যিপুকুর ব্রত — এটি কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান। তিনি তা দেখতে পারেননি। ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সামাজিক মিলনমেলা — এসব থেকেও তিনি বঞ্চিত হয়েছেন।
স্বপ্নে বউ না আসার তাৎপর্য
স্বপ্নে তার বউ আসেনি কাল — তিনি চেয়েছিলেন তার স্ত্রী স্বপ্নে আসুক, কিন্তু আসেনি। এটি এক গভীর নিঃসঙ্গতার চিত্র। মৃত্যুর আগে তিনি প্রিয়জনের স্মৃতি চান, কিন্তু তা-ও তিনি পাননি।
দ্বিতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“ছোঁয়া হয়নি বাদার মুথা ঘাস / ভ্রমরকালো সোনাই দীঘির জল, / ঘোরা হয়নি বনবিবির থান / মাজার জুড়ে চেরাগ ঝলোমল / ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি-” দ্বিতীয় স্তবকে কবি আরও অপূর্ণতার কথা বলেছেন। ছোঁয়া হয়নি বাদার মুথা ঘাস — বাদা অঞ্চলের মুথা ঘাস? তিনি তা ছুঁতে পারেননি। ভ্রমরকালো সোনাই দীঘির জল — সোনাই দীঘির জল, যা ভ্রমরের মতো কালো। তিনি তা দেখতে পাননি? ঘোরা হয়নি বনবিবির থান — বনবিবির থানে তিনি যেতে পারেননি। মাজার জুড়ে চেরাগ ঝলোমল — মাজারে চেরাগ জ্বলছে, তিনি তা দেখতে পারেননি? এই সব অপূর্ণতার পর আবার তিনি জ্বরকে বলছেন — এসো না এখনি।
বাদার মুথা ঘাসের তাৎপর্য
বাদার মুথা ঘাস — এটি প্রকৃতির একটি অংশ। তিনি প্রকৃতিকে ছুঁতে পারেননি, প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে পারেননি।
সোনাই দীঘির জলের তাৎপর্য
সোনাই দীঘির জল, ভ্রমরকালো — এটি একটি দীঘির বর্ণনা। দীঘি গ্রামীণ বাংলার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি সেই দীঘির জল দেখতে পাননি, উপভোগ করতে পারেননি।
বনবিবির থান ও মাজার জুড়ে চেরাগের তাৎপর্য
বনবিবির থান — বনবিবির মন্দির বা পবিত্র স্থান। মাজার জুড়ে চেরাগ ঝলোমল — মাজারে চেরাগ জ্বলছে। এগুলো ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক স্থান। তিনি সেখানে যেতে পারেননি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি।
তৃতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“আজো তোমায় দেখা হয়নি সুখি / ধরা হয়নি লতিয়ে উঠা হাত, / লেখা হয়নি কবিতা একটিও / সারা হয়নি আখেরি মোনাজাত। / ও জ্বর প্লিজ, তুমি এসোনা এক্ষুণি-” তৃতীয় স্তবকে কবি সবচেয়ে ব্যক্তিগত অপূর্ণতার কথা বলেছেন। আজও তাকে দেখা হয়নি সুখি — ‘সুখি’ কে? সম্ভবত প্রিয় কেউ? ধরা হয়নি লতিয়ে ওঠা হাত — কারো হাত তিনি ধরতে পারেননি। লেখা হয়নি কবিতা একটিও — তিনি কবিতা লেখেন, কিন্তু একটি কবিতাও লেখা হয়নি? সম্ভবত একটি বিশেষ কবিতা? সারা হয়নি আখেরি মোনাজাত — শেষ প্রার্থনা, শেষ নামাজ? তিনি তা আদায় করতে পারেননি। শেষে তিনি আবার জ্বরকে বলছেন — প্লিজ, এসো না এখনি।
‘সুখি’র তাৎপর্য
‘সুখি’ — এটি একটি নাম। সম্ভবত প্রিয় কোনো মানুষ। কবি আজও তাকে দেখতে পাননি। এটি একটি গভীর ব্যক্তিগত অপূর্ণতা।
লতিয়ে উঠা হাত ধরার তাৎপর্য
লতিয়ে ওঠা হাত — কোমল, স্নেহময় হাত। তিনি সেই হাত ধরতে পারেননি। এটি প্রেমের অপূর্ণতা, সম্পর্কের অপূর্ণতা।
কবিতা লেখা ও আখেরি মোনাজাতের তাৎপর্য
লেখা হয়নি কবিতা একটিও — কবি হয়তো একটি বিশেষ কবিতা লিখতে চেয়েছিলেন, যা তিনি লিখতে পারেননি। সারা হয়নি আখেরি মোনাজাত — শেষ প্রার্থনা তিনি আদায় করতে পারেননি। এটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক অপূর্ণতা।
‘ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি’ — এই পঙ্ক্তির পুনরাবৃত্তির তাৎপর্য
প্রতিটি স্তবকের শেষে ‘ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি’ পঙ্ক্তিটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে। জ্বর এখানে মৃত্যুর প্রতীক। কবি মৃত্যুকে জ্বর বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি মৃত্যুকে অনুরোধ করছেন — এখনই এসো না। তার অনেক কিছু অপূর্ণ আছে। খাওয়া হয়নি, দেখা হয়নি, ছোঁয়া হয়নি, ঘোরা হয়নি, লেখা হয়নি, সারা হয়নি। তিনি চান আরও কিছু সময়, আরও কিছু সুযোগ। এই পুনরাবৃত্তি কবিতাকে একটি বিশেষ ছন্দ দিয়েছে এবং কবির মৃত্যুঞ্জয়ের বাসনাকে তীব্র করেছে।
কবিতার সামগ্রিক তাৎপর্য
“বাসনা” কবিতাটি অপূর্ণতা, বাসনা ও মৃত্যুর এক অসাধারণ চিত্র। কবির জীবনে অনেক কিছু অপূর্ণ থেকে গেছে — সাধারণ গ্রামীণ খাবার থেকে শুরু করে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, প্রকৃতির সান্নিধ্য থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, কবিতা লেখা থেকে শুরু করে শেষ প্রার্থনা। এই সব অপূর্ণতার মাঝেই মৃত্যু এসে হাজির হতে চায়। কিন্তু কবি মৃত্যুকে বলছেন — এসো না এখনি। তিনি আরও কিছু সময় চান, আরও কিছু সুযোগ চান। এটি মানবজীবনের এক চিরন্তন সত্য — আমরা সবাই চাই আমাদের অপূর্ণতা পূর্ণ করতে, কিন্তু সময় ফুরিয়ে আসে।
বাসনা কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: বাসনা কবিতার লেখক কে?
বাসনা কবিতার লেখক জয়দেব বসু। তিনি বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি, মানবিক সম্পর্ক ও মৃত্যুর গভীর প্রকাশ ঘটে। “বাসনা” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা অপূর্ণতা, বাসনা ও মৃত্যুর এক অসাধারণ চিত্র এঁকেছে।
প্রশ্ন ২: বাসনা কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
বাসনা কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো অপূর্ণতা, বাসনা ও মৃত্যুর বেদনা। কবির জীবনে অনেক কিছু অপূর্ণ থেকে গেছে — খাওয়া হয়নি, দেখা হয়নি, ছোঁয়া হয়নি, ঘোরা হয়নি, লেখা হয়নি, সারা হয়নি। এই অপূর্ণতার মাঝেই মৃত্যু এসে হাজির হতে চায়। কিন্তু কবি মৃত্যুকে (জ্বর) বলছেন — এসো না এখনি। তিনি আরও কিছু সময় চান, আরও কিছু সুযোগ চান।
প্রশ্ন ৩: ‘ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি’ — এই পঙ্ক্তিতে জ্বর মৃত্যুর প্রতীক। কবি মৃত্যুকে অনুরোধ করছেন — এখনই এসো না। তার অনেক কিছু অপূর্ণ আছে। খাওয়া হয়নি, দেখা হয়নি, ছোঁয়া হয়নি, ঘোরা হয়নি, লেখা হয়নি, সারা হয়নি। তিনি চান আরও কিছু সময়, আরও কিছু সুযোগ। এটি মানবজীবনের এক চিরন্তন আকুতি।
প্রশ্ন ৪: কবিতায় কোন কোন অপূর্ণতার কথা বলা হয়েছে?
কবিতায় বেশ কিছু অপূর্ণতার কথা বলা হয়েছে: শালিধানের চিঁড়ে খাওয়া হয়নি, সোনামুগের ডাল খাওয়া হয়নি, পুণ্যিপুকুর ব্রত দেখা হয়নি, স্বপ্নে বউ আসেনি, বাদার মুথা ঘাস ছোঁয়া হয়নি, সোনাই দীঘির জল দেখা হয়নি, বনবিবির থানে ঘোরা হয়নি, মাজারের চেরাগ দেখা হয়নি, সুখিকে দেখা হয়নি, লতিয়ে ওঠা হাত ধরা হয়নি, কবিতা লেখা হয়নি, আখেরি মোনাজাত সারা হয়নি।
প্রশ্ন ৫: ‘সুখি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘সুখি’ সম্ভবত একটি নাম। এটি প্রিয় কোনো মানুষ হতে পারে — স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু বা প্রেমিকা। কবি আজও তাকে দেখতে পাননি। এটি একটি গভীর ব্যক্তিগত অপূর্ণতা।
প্রশ্ন ৬: ‘লেখা হয়নি কবিতা একটিও’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘লেখা হয়নি কবিতা একটিও’ — কবি হয়তো একটি বিশেষ কবিতা লিখতে চেয়েছিলেন, যা তিনি লিখতে পারেননি। এটি সৃজনশীল অপূর্ণতা। অথবা এটি রূপক অর্থে — জীবনের গল্প, ভালোবাসার গল্প লেখা হয়নি।
প্রশ্ন ৭: জয়দেব বসু সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
জয়দেব বসু বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি, মানবিক সম্পর্ক ও মৃত্যুর গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় জটিল জীবনবোধ ও গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত রূপ ফুটিয়ে তোলেন। “বাসনা” তার একটি বহুপঠিত কবিতা যা অপূর্ণতা, বাসনা ও মৃত্যুর এক অসাধারণ চিত্র এঁকেছে।
ট্যাগস: বাসনা, জয়দেব বসু, জয়দেব বসুর কবিতা, বাসনা কবিতা, বাংলা কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, অপূর্ণতার কবিতা, মৃত্যুর কবিতা, বাসনার কবিতা




