কবিতার খাতা
- 20 mins
যাব না কখনও – অবশেষ দাস।
ভালবাসা নেই বলে যাব না কখনও
মনে মনে যাব না কখনও
তোমাদের নড়বড়ে চৌহদ্দিতে!
সশরীরে আসা-যাওয়া ঢের হয়েছে
ভালবাসা নেই বুঝিনি তো
সজনে ফুলের মতো খুঁটে খুঁটে কুড়িয়েছি
তোমাদের ভালবাসা যত
হৃদয়ের আঘ্রাণ মেতে ওঠে
মাখামাখি ভালবাসাতে…
চড়ুই পাখির সরলতা নেমে আসে
সেই পথ ধরে
তবু আর যাব না কখনও
চোখ বুজে দেখি যদি সেসবের কণাটুকু
দ্বিধাহীন দুই হাতে অন্ধত্ব নেব।
বুকের ভেতরে যদি সেসবের চিহ্নমাত্র দেখি
প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেব
কখনও যাব না তোমাদের হলুদ চৌহদ্দিতে
ভালবাসা নেই বলে কখনও যাব না
এতদিন ধরে দুই হাতে মাটি কুড়িয়েছি
কাগজের নৌকা জলে ভেসে গেছে
ভালবাসা সোনার হরিণ,
সহজাত লুকোচুরি খেলা।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। অবশেষ দাস।
যাব না কখনও – অবশেষ দাস | যাব না কখনও কবিতা | অবশেষ দাসের কবিতা | বাংলা প্রেমের কবিতা
যাব না কখনও: অবশেষ দাসের ভালোবাসা, প্রত্যাখ্যান ও আত্মসম্মানের অসাধারণ কাব্যভাষা
অবশেষ দাসের “যাব না কখনও” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা ভালোবাসা, প্রত্যাখ্যান, আত্মসম্মান ও বিচ্ছেদের এক গভীর কাব্যিক অন্বেষণ। “ভালবাসা নেই বলে যাব না কখনও / মনে মনে যাব না কখনও / তোমাদের নড়বড়ে চৌহদ্দিতে!” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক গভীর বেদনার জগৎ, যেখানে কবি ভালোবাসার অভাবে আর কখনও ফিরে যাবেন না সেই নড়বড়ে চৌহদ্দিতে। অবশেষ দাস বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় প্রেম, বিরহ, আত্মসম্মান ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। “যাব না কখনও” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা ভালোবাসার প্রত্যাখ্যান ও আত্মসম্মানের এক অসাধারণ চিত্র।
অবশেষ দাস: আধুনিক বাংলা কবিতার শক্তিমান কণ্ঠ
অবশেষ দাস আধুনিক বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় প্রেম, বিরহ, আত্মসম্মান ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় জটিল মানসিক অবস্থা ও সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলেন। “যাব না কখনও” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা ভালোবাসার প্রত্যাখ্যান ও আত্মসম্মানের এক অসাধারণ চিত্র। অবশেষ দাসের কবিতা পাঠককে ভাবায়, আন্দোলিত করে এবং নিজের ভেতরে তাকাতে বাধ্য করে। তিনি বাংলা কবিতায় এক স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।
যাব না কখনও কবিতার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
কবিতার শিরোনামের তাৎপর্য
“যাব না কখনও” শিরোনামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি একটি শপথ, একটি প্রতিজ্ঞা, একটি প্রত্যাখ্যান। কবি বলেছেন — তিনি কখনও যাবেন না। কোথায় যাবেন না? সেই ‘চৌহদ্দিতে’, সেই জায়গায় যেখানে ভালোবাসা নেই। শিরোনামেই কবি ইঙ্গিত দিয়েছেন — এই কবিতা প্রত্যাখ্যানের, না-যাওয়ার, বিদায়ের কবিতা।
প্রথম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“ভালবাসা নেই বলে যাব না কখনও / মনে মনে যাব না কখনও / তোমাদের নড়বড়ে চৌহদ্দিতে! / সশরীরে আসা-যাওয়া ঢের হয়েছে / ভালবাসা নেই বুঝিনি তো / সজনে ফুলের মতো খুঁটে খুঁটে কুড়িয়েছি / তোমাদের ভালবাসা যত / হৃদয়ের আঘ্রাণ মেতে ওঠে / মাখামাখি ভালবাসাতে… / চড়ুই পাখির সরলতা নেমে আসে / সেই পথ ধরে / তবু আর যাব না কখনও” প্রথম স্তবকে কবি তাঁর না-যাওয়ার প্রতিজ্ঞা ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন — ভালোবাসা নেই বলে যাব না কখনও। মনে মনে যাব না কখনও তোমাদের নড়বড়ে চৌহদ্দিতে। সশরীরে আসা-যাওয়া ঢের হয়েছে। ভালোবাসা নেই বুঝিনি তো। সজনে ফুলের মতো খুঁটে খুঁটে কুড়িয়েছি তোমাদের ভালোবাসা যত। হৃদয়ের আঘ্রাণ মেতে ওঠে মাখামাখি ভালোবাসাতে। চড়ুই পাখির সরলতা নেমে আসে সেই পথ ধরে। তবু আর যাব না কখনও।
‘তোমাদের নড়বড়ে চৌহদ্দিতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘নড়বড়ে চৌহদ্দি’ — দুর্বল, অস্থির সীমানা। যে জায়গায় ভালোবাসার ভিত্তি নেই, সেখানে সব কিছু নড়বড়ে। কবি সেই জায়গায় যাবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করছেন।
‘সজনে ফুলের মতো খুঁটে খুঁটে কুড়িয়েছি / তোমাদের ভালবাসা যত’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
সজনে ফুল ছোট, সাদা, সহজে ঝরে যায়। কবি বলেছেন — তিনি সেই ফুলের মতো খুঁটে খুঁটে কুড়িয়েছেন তাঁদের ভালোবাসা। অর্থাৎ তিনি ভালোবাসার সামান্য চিহ্নও সংগ্রহ করেছেন, যত্ন করে রেখেছেন। কিন্তু সেই ভালোবাসা কি সত্যি ছিল?
‘হৃদয়ের আঘ্রাণ মেতে ওঠে / মাখামাখি ভালবাসাতে…’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
হৃদয়ের আঘ্রাণ (গন্ধ) ভালোবাসাতে মেতে ওঠে। ভালোবাসার স্পর্শে হৃদয় সজীব হয়। কিন্তু সেই অনুভূতি কি মিথ্যে ছিল?
‘চড়ুই পাখির সরলতা নেমে আসে / সেই পথ ধরে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
চড়ুই পাখি সাধারণ, সরল। তার সরলতা সেই পথ ধরে নেমে আসে — অর্থাৎ ভালোবাসার সরলতা, সহজতা। কিন্তু তবুও কবি যাবেন না।
দ্বিতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“চোখ বুজে দেখি যদি সেসবের কণাটুকু / দ্বিধাহীন দুই হাতে অন্ধত্ব নেব। / বুকের ভেতরে যদি সেসবের চিহ্নমাত্র দেখি / প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেব / কখনও যাব না তোমাদের হলুদ চৌহদ্দিতে / ভালবাসা নেই বলে কখনও যাব না” দ্বিতীয় স্তবকে কবি তাঁর প্রতিজ্ঞার তীব্রতা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন — চোখ বুজে দেখি যদি সেসবের কণাটুকু, দ্বিধাহীন দুই হাতে অন্ধত্ব নেব। বুকের ভেতরে যদি সেসবের চিহ্নমাত্র দেখি, প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেব। কখনও যাব না তোমাদের হলুদ চৌহদ্দিতে। ভালোবাসা নেই বলে কখনও যাব না।
‘দ্বিধাহীন দুই হাতে অন্ধত্ব নেব’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
যদি কবি সেই পুরনো ভালোবাসার কণামাত্র দেখতে পান, তিনি দ্বিধাহীনভাবে অন্ধত্ব নেবেন। অর্থাৎ তিনি নিজেকে অন্ধ করে নেবেন, যাতে আর দেখতে না হয়। এটি আত্মশাস্তির এক ভয়াবহ চিত্র।
‘প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেব’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
যদি বুকের ভেতরে সেই পুরনো প্রেমের চিহ্নমাত্র দেখেন, তিনি প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেবেন। অর্থাৎ তিনি নিজেকে ধ্বংস করে দেবেন, নিজের অস্তিত্ব মুছে ফেলবেন। এটি আত্মঘাতী এক প্রতিজ্ঞা।
‘হলুদ চৌহদ্দিতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রথম স্তবকে ছিল ‘নড়বড়ে চৌহদ্দি’, এখানে ‘হলুদ চৌহদ্দি’। হলুদ রং ভালোবাসার প্রতীক, উৎসবের প্রতীক, কিন্তু এখানে তা ব্যঙ্গাত্মক। সেই হলুদ চৌহদ্দিতে তিনি আর যাবেন না।
তৃতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“এতদিন ধরে দুই হাতে মাটি কুড়িয়েছি / কাগজের নৌকা জলে ভেসে গেছে / ভালবাসা সোনার হরিণ, / সহজাত লুকোচুরি খেলা” তৃতীয় স্তবকে কবি তাঁর অতীতের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন — এতদিন ধরে দুই হাতে মাটি কুড়িয়েছি। কাগজের নৌকা জলে ভেসে গেছে। ভালোবাসা সোনার হরিণ, সহজাত লুকোচুরি খেলা।
‘এতদিন ধরে দুই হাতে মাটি কুড়িয়েছি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মাটি কুড়ানো — অর্থহীন কাজ, বৃথা পরিশ্রম। তিনি এতদিন ধরে অর্থহীন কাজ করে গেছেন, ভালোবাসার পেছনে ছুটে গেছেন, কিন্তু কিছুই পাননি।
‘কাগজের নৌকা জলে ভেসে গেছে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
কাগজের নৌকা ভাসানো — শৈশবের খেলা। সেই নৌকা জলে ভেসে যায়, ডুবে যায়। কবির ভালোবাসাও তেমনি ভেসে গেছে, ডুবে গেছে।
‘ভালবাসা সোনার হরিণ, / সহজাত লুকোচুরি খেলা’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
সোনার হরিণ — রামায়ণের মিথ। সোনার হরিণ ধরা যায় না, তা লুকোচুরি খেলে। ভালোবাসাও তেমনি — তাকে ধরা যায় না, সে লুকোচুরি খেলে। কবি সেই লুকোচুরি খেলায় হার মেনেছেন।
কবিতার সামগ্রিক তাৎপর্য
“যাব না কখনও” কবিতাটি ভালোবাসার প্রত্যাখ্যান ও আত্মসম্মানের এক অসাধারণ চিত্র। কবি প্রতিজ্ঞা করেছেন — তিনি আর কখনও যাবেন না সেই নড়বড়ে চৌহদ্দিতে, যেখানে ভালোবাসা নেই। তিনি সশরীরে আসা-যাওয়া করেছেন ঢের, কিন্তু ভালোবাসা নেই বুঝতে পারেননি। তিনি সজনে ফুলের মতো খুঁটে খুঁটে কুড়িয়েছেন তাঁদের ভালোবাসা। তিনি ভালোবাসায় মেতে উঠেছেন। চড়ুই পাখির সরলতা নেমে এসেছে সেই পথ ধরে। কিন্তু তবু তিনি আর যাবেন না। তিনি চোখ বুজে যদি সেই পুরনো প্রেমের কণা দেখেন, তিনি অন্ধত্ব নেবেন। যদি বুকের ভেতরে সেই প্রেমের চিহ্ন দেখেন, তিনি প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেবেন। তিনি আর কখনও যাবেন না সেই হলুদ চৌহদ্দিতে। তিনি এতদিন মাটি কুড়িয়েছেন, কাগজের নৌকা ভাসিয়েছেন — সবই জলে ভেসে গেছে। ভালোবাসা সোনার হরিণ, লুকোচুরি খেলা। তিনি সেই খেলা বুঝেছেন, তাই আর যাবেন না।
যাব না কখনও কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: যাব না কখনও কবিতার লেখক কে?
যাব না কখনও কবিতার লেখক অবশেষ দাস। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় প্রেম, বিরহ, আত্মসম্মান ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। “যাব না কখনও” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা।
প্রশ্ন ২: যাব না কখনও কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
যাব না কখনও কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো ভালোবাসার প্রত্যাখ্যান ও আত্মসম্মানের শপথ। কবি প্রতিজ্ঞা করেছেন — তিনি আর কখনও যাবেন না সেই চৌহদ্দিতে যেখানে ভালোবাসা নেই। তিনি তাঁর ভালোবাসার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন — কীভাবে তিনি সজনে ফুলের মতো ভালোবাসা কুড়িয়েছেন, কীভাবে ভালোবাসায় মেতে উঠেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন ভালোবাসা সোনার হরিণের মতো লুকোচুরি খেলা।
প্রশ্ন ৩: ‘তোমাদের নড়বড়ে চৌহদ্দিতে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘তোমাদের নড়বড়ে চৌহদ্দিতে’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি সেই জায়গার কথা বলেছেন যেখানে ভালোবাসা নেই। ‘নড়বড়ে চৌহদ্দি’ — দুর্বল, অস্থির সীমানা। যে জায়গায় ভালোবাসার ভিত্তি নেই, সেখানে সব কিছু নড়বড়ে। কবি সেই জায়গায় আর যাবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করছেন।
প্রশ্ন ৪: ‘দ্বিধাহীন দুই হাতে অন্ধত্ব নেব’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘দ্বিধাহীন দুই হাতে অন্ধত্ব নেব’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি তাঁর প্রতিজ্ঞার তীব্রতা প্রকাশ করেছেন। যদি তিনি সেই পুরনো ভালোবাসার কণামাত্র দেখতে পান, তিনি দ্বিধাহীনভাবে অন্ধত্ব নেবেন। অর্থাৎ তিনি নিজেকে অন্ধ করে নেবেন, যাতে আর দেখতে না হয়। এটি আত্মশাস্তির এক ভয়াবহ চিত্র।
প্রশ্ন ৫: ‘প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেব’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেব’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি তাঁর প্রতিজ্ঞার চরম প্রকাশ করেছেন। যদি বুকের ভেতরে সেই পুরনো প্রেমের চিহ্নমাত্র দেখেন, তিনি প্রতিটি হাড় গুঁড়ো করে দেবেন। অর্থাৎ তিনি নিজেকে ধ্বংস করে দেবেন, নিজের অস্তিত্ব মুছে ফেলবেন। এটি আত্মঘাতী এক প্রতিজ্ঞা।
প্রশ্ন ৬: ‘ভালবাসা সোনার হরিণ, / সহজাত লুকোচুরি খেলা’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘ভালবাসা সোনার হরিণ, / সহজাত লুকোচুরি খেলা’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি ভালোবাসার চিরন্তন রহস্য তুলে ধরেছেন। সোনার হরিণ — রামায়ণের মিথ, যা ধরা যায় না, যা লুকোচুরি খেলে। ভালোবাসাও তেমনি — তাকে ধরা যায় না, সে লুকোচুরি খেলে। কবি সেই খেলায় হার মেনেছেন।
প্রশ্ন ৭: অবশেষ দাস সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
অবশেষ দাস আধুনিক বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় প্রেম, বিরহ, আত্মসম্মান ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সহজ-সরল ভাষায় জটিল মানসিক অবস্থা ফুটিয়ে তোলেন। “যাব না কখনও” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা।
ট্যাগস: যাব না কখনও, অবশেষ দাস, অবশেষ দাসের কবিতা, যাব না কখনও কবিতা, বাংলা প্রেমের কবিতা, বাংলা কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, প্রত্যাখ্যানের কবিতা






