কবিতার খাতা
- 21 mins
মাসিপিসি – জয় গোস্বামী।
ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায় , জল ছুঁয়ে ঠোঁটে
ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে
শুকতারাটি ছাদের ধারে , চাঁদ থামে তালগাছে
ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি ছাড়া কাপড় কাচে
দু এক ফোঁটা শিশির তাকায় ঘাসের থেকে ঘাসে
ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি ট্রেন ধরতে আসে
ঘুমপাড়ানি মাসিপিসির মস্ত পরিবার
অনেকগুলো পেট বাড়িতে , একমুঠো রোজগার
ঘুমপাড়ানি মাসিপিসির পোঁটলা পুঁটলি কোথায় ?
রেল বাজারের হোমগার্ডরা সাত ঝামেলা জোটায়
সাল মাহিনার হিসেবে তো নেই , জষ্টি কি বৈশাখ
মাসিপিসির কোলে – কাঁখে চালের বস্তা থাক
শতবর্ষ এগিয়ে আসে ——-শতবর্ষ যায়
চাল তোলো গো মাসিপিসি লালগোলা বনগাঁ য়
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। জয় গোস্বামী।
মাসিপিসি – জয় গোস্বামী | মাসিপিসি কবিতা | জয় গোস্বামীর কবিতা | বাংলা কবিতা
মাসিপিসি: জয় গোস্বামীর গ্রামীণ নারী, জীবনসংগ্রাম ও মমতার অসাধারণ কাব্যভাষা
জয় গোস্বামীর “মাসিপিসি” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা গ্রামীণ নারী, জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য ও মমতার এক গভীর কাব্যিক অন্বেষণ। “ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায় , জল ছুঁয়ে ঠোঁটে / ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে মাসিপিসি নামের এক নারীর জীবনচিত্র, যিনি রাত থাকতে উঠে কাজে নামেন, সংসারের জন্য চাল তোলেন, ট্রেন ধরেন, কিন্তু তাঁর নিজের কোনো সময় নেই। জয় গোস্বামী (জন্ম: ১৯৫৪) বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর কবিতায় প্রেম, ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন ও মানবিক সম্পর্কের গভীর প্রকাশ ঘটে। “মাসিপিসি” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা গ্রামীণ বাংলার এক সাধারণ নারীর অসাধারণ চিত্র।
জয় গোস্বামী: আধ্যাত্মিক চেতনার কবি
জয় গোস্বামী (জন্ম: ১৯৫৪) বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঘুমিয়েছিল ঘড়ি’ (১৯৭৬) তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পাগলী তোমার সঙ্গে’, ‘জলের মধ্যে লেখাজোখা’, ‘মাঝখানে’, ‘সারা দুপুরের গান’, ‘মাসিপিসি’ প্রভৃতি। তাঁর কবিতায় প্রেম, ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন ও মানবিক সম্পর্কের গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি রামকৃষ্ণ পরমহংস ও শ্রীরামকৃষ্ণ আদর্শে গভীরভাবে প্রভাবিত। “মাসিপিসি” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা গ্রামীণ বাংলার এক সাধারণ নারীর অসাধারণ চিত্র।
মাসিপিসি কবিতার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
কবিতার শিরোনামের তাৎপর্য
“মাসিপিসি” শিরোনামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ‘মাসি’ — খালা, মায়ের বোন। ‘পিসি’ — ফুফু, বাবার বোন। ‘মাসিপিসি’ — একটি মিশ্র সম্বোধন, যা সম্ভবত কোনো নির্দিষ্ট নারীকে বোঝায় না, বরং এক ধরনের নারীচরিত্রকে বোঝায় — যিনি সবার মাসি, সবার পিসি, যিনি সবার জন্য কাজ করেন। শিরোনামেই কবি ইঙ্গিত দিয়েছেন — এই কবিতা একজন সাধারণ, পরিশ্রমী, গ্রামীণ নারীকে নিয়ে।
প্রথম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায় , জল ছুঁয়ে ঠোঁটে / ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে” প্রথম স্তবকে কবি মাসিপিসির ভোরবেলা ওঠার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায়, জল ছুঁয়ে ঠোঁটে। ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে।
‘ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায় , জল ছুঁয়ে ঠোঁটে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
এটি একটি অসাধারণ চিত্রকল্প। ফুল চোখের পাতা ছুঁয়ে যায় — অর্থাৎ ভোরের বাতাস, ভোরের সৌন্দর্য। জল ঠোঁট ছুঁয়ে যায় — সম্ভবত শিশির? নাকি জল ছোঁয়ার অনুভূতি? প্রকৃতির সাথে মাসিপিসির মিশে থাকার চিত্র।
‘ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি — যে ঘুম পাড়ায়, অর্থাৎ যিনি শিশুদের ঘুম পাড়ান, তিনি নিজে রাত থাকতে উঠে যান। তিনি ঘুমান না, কাজ করেন।
দ্বিতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“শুকতারাটি ছাদের ধারে , চাঁদ থামে তালগাছে / ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি ছাড়া কাপড় কাচে” দ্বিতীয় স্তবকে কবি রাতের চিত্র এঁকেছেন। তিনি বলেছেন — শুকতারাটি ছাদের ধারে, চাঁদ থামে তালগাছে। ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি ছাড়া কাপড় কাচে।
‘শুকতারাটি ছাদের ধারে , চাঁদ থামে তালগাছে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শুকতারা ভোরের তারা, ছাদের ধারে দেখা যায়। চাঁদ থামে তালগাছে — চাঁদ তালগাছের ডগায় বসে। রাতের শেষে ভোরের আগে এই চিত্র।
‘ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি ছাড়া কাপড় কাচে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মাসিপিসি কাপড় কাচেন। ‘ছাড়া’ শব্দটি অদ্ভুত — সম্ভবত ‘ছড়া’ বা ‘ছড়া’ অর্থে? নাকি ‘ছাড়া’ মানে মুক্ত? তিনি কাপড় কাচেন।
তৃতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“দু এক ফোঁটা শিশির তাকায় ঘাসের থেকে ঘাসে / ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি ট্রেন ধরতে আসে” তৃতীয় স্তবকে কবি মাসিপিসির ট্রেন ধরার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — দু-এক ফোঁটা শিশির তাকায় ঘাসের থেকে ঘাসে। ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি ট্রেন ধরতে আসে।
‘দু এক ফোঁটা শিশির তাকায় ঘাসের থেকে ঘাসে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শিশির ঘাস থেকে ঘাসে তাকায় — অর্থাৎ শিশিরের ফোঁটা এক ঘাস থেকে অন্য ঘাসে পড়ে। প্রকৃতির এই চিত্র মাসিপিসির চলাফেরার সাথে মিলে যায়।
‘ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি ট্রেন ধরতে আসে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মাসিপিসি ট্রেন ধরেন — সম্ভবত তিনি বাজার করতে যান, বা কাজে যান। ট্রেন তাঁর জীবনের অংশ।
চতুর্থ স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“ঘুমপাড়ানি মাসিপিসির মস্ত পরিবার / অনেকগুলো পেট বাড়িতে , একমুঠো রোজগার” চতুর্থ স্তবকে কবি মাসিপিসির পরিবারের কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — ঘুমপাড়ানি মাসিপিসির মস্ত পরিবার। অনেকগুলো পেট বাড়িতে, একমুঠো রোজগার।
‘অনেকগুলো পেট বাড়িতে , একমুঠো রোজগার’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মাসিপিসির পরিবার বড়, অনেক সদস্য। কিন্তু তাঁর রোজগার খুবই সামান্য — একমুঠো। এই বৈপরীত্য তাঁর জীবনসংগ্রামের গভীরতা বুঝিয়ে দেয়।
পঞ্চম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“ঘুমপাড়ানি মাসিপিসির পোঁটলা পুঁটলি কোথায় ? / রেল বাজারের হোমগার্ডরা সাত ঝামেলা জোটায়” পঞ্চম স্তবকে কবি মাসিপিসির সমস্যার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — ঘুমপাড়ানি মাসিপিসির পোঁটলা পুঁটলি কোথায়? রেল বাজারের হোমগার্ডরা সাত ঝামেলা জোটায়।
‘পোঁটলা পুঁটলি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
পোঁটলা — মালপত্রের বান্ডিল। পুঁটলি — ছোট পুঁটলি। মাসিপিসির জিনিসপত্র, তাঁর সম্বল। সেগুলো কোথায়? হয়তো হারিয়ে গেছে, বা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
‘রেল বাজারের হোমগার্ডরা সাত ঝামেলা জোটায়’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
রেল বাজারের হোমগার্ডরা তাঁকে নানা ঝামেলায় ফেলে। হয়তো তাঁর পোঁটলা আটকায়, হয়তো তাঁকে বিরক্ত করে। দরিদ্র নারীর প্রতি সমাজের নিষ্ঠুরতার চিত্র।
ষষ্ঠ স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“সাল মাহিনার হিসেবে তো নেই , জষ্টি কি বৈশাখ / মাসিপিসির কোলে – কাঁখে চালের বস্তা থাক” ষষ্ঠ স্তবকে কবি মাসিপিসির কাজের কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — সাল মাহিনার হিসেবে তো নেই, জ্যৈষ্ঠ কি বৈশাখ? মাসিপিসির কোলে-কাঁখে চালের বস্তা থাক।
‘সাল মাহিনার হিসেবে তো নেই , জষ্টি কি বৈশাখ’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মাসিপিসির কাজের কোনো নির্দিষ্ট হিসাব নেই। কোন মাস, কোন ঋতু — তাতে কিছু যায় আসে না। সব সময় তাঁকে কাজ করতে হয়।
‘মাসিপিসির কোলে – কাঁখে চালের বস্তা থাক’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মাসিপিসির সব সময় চালের বস্তা থাকে কোলে-কাঁখে। তিনি চাল তোলেন, বাজার করেন, সংসার চালান। তাঁর জীবন চাল কেন্দ্রিক।
সপ্তম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“শতবর্ষ এগিয়ে আসে ——-শতবর্ষ যায় / চাল তোলো গো মাসিপিসি লালগোলা বনগাঁ য়” সপ্তম স্তবকে কবি মাসিপিসির চিরন্তনতার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — শতবর্ষ এগিয়ে আসে, শতবর্ষ যায়। চাল তোলো গো মাসিপিসি লালগোলা বনগাঁয়।
‘শতবর্ষ এগিয়ে আসে ——-শতবর্ষ যায়’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শতবর্ষ চলে যায়, আর শতবর্ষ আসে। সময় বদলায়, কিন্তু মাসিপিসির জীবন বদলায় না। তিনি চিরকাল একই কাজ করেন।
‘চাল তোলো গো মাসিপিসি লালগোলা বনগাঁ য়’ — শেষ পঙ্ক্তির তাৎপর্য
লালগোলা ও বনগাঁ — পশ্চিমবঙ্গের দুই শহর। মাসিপিসি সেখানে চাল তোলেন। এই আহ্বান চিরন্তন — যুগ যুগ ধরে এই চাল তোলা চলছে।
কবিতার সামগ্রিক তাৎপর্য
“মাসিপিসি” কবিতাটি গ্রামীণ বাংলার এক সাধারণ নারীর অসাধারণ চিত্র। কবি প্রথমে মাসিপিসির ভোরবেলা ওঠার কথা বলেছেন — ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায়, জল ছুঁয়ে ঠোঁটে। তিনি রাত থাকতে ওঠেন। শুকতারা ছাদের ধারে, চাঁদ তালগাছে থামে, তিনি কাপড় কাচেন। শিশির ঘাস থেকে ঘাসে তাকায়, তিনি ট্রেন ধরতে আসেন। তাঁর পরিবার বড়, কিন্তু রোজগার একমুঠো। তাঁর পোঁটলা পুঁটলি কোথায়? হোমগার্ডরা ঝামেলা জোটায়। তাঁর কাজের কোনো হিসাব নেই, কোন মাস, কোন ঋতু — তাতে কিছু যায় আসে না। তিনি সব সময় চালের বস্তা কোলে-কাঁখে নিয়ে থাকেন। শতবর্ষ এগিয়ে আসে, শতবর্ষ যায় — তিনি চাল তোলেন লালগোলা বনগাঁয়।
মাসিপিসি কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: মাসিপিসি কবিতার লেখক কে?
মাসিপিসি কবিতার লেখক জয় গোস্বামী (জন্ম: ১৯৫৪)। তিনি বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঘুমিয়েছিল ঘড়ি’ (১৯৭৬) তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর কবিতায় প্রেম, ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও মানবিক সম্পর্কের গভীর প্রকাশ ঘটে।
প্রশ্ন ২: মাসিপিসি কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
মাসিপিসি কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ বাংলার এক সাধারণ নারীর জীবনসংগ্রাম। কবি মাসিপিসি নামের এক নারীর দৈনন্দিন জীবনের চিত্র এঁকেছেন — তিনি রাত থাকতে ওঠেন, কাপড় কাচেন, ট্রেন ধরেন, চাল তোলেন। তাঁর পরিবার বড় কিন্তু রোজগার সামান্য। সমাজের নানা ঝামেলার মুখেও তিনি কাজ করে যান।
প্রশ্ন ৩: ‘ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি মাসিপিসির পরিশ্রমের কথা বলেছেন। ‘ঘুমপাড়ানি’ অর্থ যিনি ঘুম পাড়ান, তিনি নিজে রাত থাকতে উঠে যান। অর্থাৎ তিনি অন্যদের ঘুম পাড়িয়ে নিজে কাজে নামেন।
প্রশ্ন ৪: ‘অনেকগুলো পেট বাড়িতে , একমুঠো রোজগার’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘অনেকগুলো পেট বাড়িতে , একমুঠো রোজগার’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি মাসিপিসির দারিদ্র্যের কথা বলেছেন। তাঁর পরিবার বড়, অনেক সদস্য। কিন্তু তাঁর রোজগার খুবই সামান্য — একমুঠো। এই বৈপরীত্য তাঁর জীবনসংগ্রামের গভীরতা বুঝিয়ে দেয়।
প্রশ্ন ৫: ‘শতবর্ষ এগিয়ে আসে ——-শতবর্ষ যায় / চাল তোলো গো মাসিপিসি লালগোলা বনগাঁ য়’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘শতবর্ষ এগিয়ে আসে ——-শতবর্ষ যায় / চাল তোলো গো মাসিপিসি লালগোলা বনগাঁ য়’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি মাসিপিসির চিরন্তনতার কথা বলেছেন। শতবর্ষ চলে যায়, আর শতবর্ষ আসে। সময় বদলায়, কিন্তু মাসিপিসির জীবন বদলায় না। তিনি চিরকাল একই কাজ করেন — লালগোলা বনগাঁয় চাল তোলেন।
প্রশ্ন ৬: জয় গোস্বামী সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
জয় গোস্বামী (জন্ম: ১৯৫৪) বাংলা কবিতার একজন শক্তিমান কবি। তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঘুমিয়েছিল ঘড়ি’ (১৯৭৬) তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর কবিতায় প্রেম, ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও মানবিক সম্পর্কের গভীর প্রকাশ ঘটে।
ট্যাগস: মাসিপিসি, জয় গোস্বামী, জয় গোস্বামীর কবিতা, মাসিপিসি কবিতা, বাংলা কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, গ্রামীণ কবিতা, নারীচেতনার কবিতা, দারিদ্র্যের কবিতা






