কবিতার খাতা
দাঁড়াও রোদ্দুর – আরণ্যক বসু।
তার একটা সাধের জীবন ছিল
আর একটা অন্তর্গত আকাশ ছিল
আার ছিল তিলার্ধ বেদনার মতো কালো মুখশ্রী
কবিতা লিখতে না পারার যন্ত্রণা, তাও ছিল।
একটা সুশ্রী মন ছিল
মনের মানুষ ছিল না
বাগানের সমস্ত ফুল ফোটাত মনে মনে
নীলাঞ্জনছায়া ঘনাত সেখানে
ওগো মন – পবনের নাও ভাসাও অচিনপুরের ছেলে
নতুন বর্ষার কিশোর রূপ নিয়ে দেখা দিল না
কালো মেয়ের জন্য কারও কবিতা লেখা হল না।
ও মেয়ে,আমি তোমার দুঃখ জানি
কবিতা লিখতে জানিনা
ও মেয়ে,আমি তোমায় ভালোবাসি
ছবি আঁকতে জানিনা
ভালোবাসার কথা শোনাবো যে
গান গাইতেও পারিনা
পারিনা, পারিনা
তোমার হাতে রক্তকরবী এনে দিতে
আমার শুধু প্রতীক্ষা আছে
সে মেয়ের গল্প সবাইকে শোনাই
কবি বিশ্বাস করেনা,বলে…
আমি যেমন কবিতায় বলি, সেইভাবে বলো
ঈশ্বরের মতো একাকী সেই মেয়ে
একরাশ নিচু মেঘের মতো
জল থরথর ভালোবাসা নিয়ে
ঝুল বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে
তার বয়স বাড়ছে
দাঁড়াও রোদ্দুর
ও মেয়ে,মুখ ফেরাও;
এ আলোয় একবার দেখে রাখি
যদি কোনোদিন, কোনো জন্মে কবিতা লিখতে পারি
ছবি আঁকতে পারি
গান গাইতে পারি
তোমাকে নিয়ে লিখব নক্সিকাঁথার লোকগাথা
আঁকব মধুবনী চিত্রকলা
গেয়ে উঠব….. সোনা বন্ধুরে, আমি তোমার নাম লইয়া কাঁদি
দাঁড়াও রোদ্দুর
ও মেয়ে,মুখ তোলো!
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। আরণ্যক বসু।





