কবিতার খাতা
- 20 mins
তাই এত শুকনো হয়ে আছো – শঙ্খ ঘোষ।
অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি
তাই এত শুকনো হয়ে আছো এসো তোমার মুখ মুছিয়ে দিই
সকলেই শিল্প খোঁজে রূপ খোঁজে আমাদের শিল্পরূপে কাজ নেই
আমরা এখানে বসে দু-একটি মুহূর্তের শস্যফলনের কথা বলি
এখন কেমন আছো বহুদিন ছুঁয়ে তো দেখিনি শুধু জেনে গেছি ফাটলে ফাটলে
নীল ভগ্নাবশেষ জমে আছে
দেখো এই বীজগুলি ভিখারির অধম ভিখারি তারা জল চায় বৃষ্টি চায়
ওতপ্রোত অন্ধকারও চায়
তুমিও চেয়েছ ট্রামে ফিরে আসবার আগে এবার
তাহলে কোনো দীর্ঘতম শেষকথা হোক
অবশ্য, কাকেই-বা বলে শেষ কথা। শুধু
দৃষ্টি পেলে সমস্ত শরীর গলে ঝরে যায় মাটির উপরে,
আর ভিখারিরও কাতরতা
ফেটে যায় শস্যের দানায় এসো মেঘ ছুঁয়ে বসি আজ বহুদিন পর ;
এই হলুদডোবানো সন্ধ্যাবেলা।।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। শঙ্খ ঘোষ।
তাই এত শুকনো হয়ে আছো – শঙ্খ ঘোষ | তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতা | শঙ্খ ঘোষের কবিতা | বাংলা কবিতা
তাই এত শুকনো হয়ে আছো: শঙ্খ ঘোষের মেঘ, শস্য ও মানবিক সম্পর্কের অসাধারণ কাব্যভাষা
শঙ্খ ঘোষের “তাই এত শুকনো হয়ে আছো” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা মেঘ, শস্য, মানবিক সম্পর্ক, শিল্প ও প্রকৃতির এক গভীর কাব্যিক অন্বেষণ। “অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি / তাই এত শুকনো হয়ে আছো এসো তোমার মুখ মুছিয়ে দিই / সকলেই শিল্প খোঁজে রূপ খোঁজে আমাদের শিল্পরূপে কাজ নেই” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক গভীর বেদনা, যেখানে কবি তাঁর প্রিয়জনকে বলেন — তুমি অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি, তাই এত শুকনো হয়ে আছো। শঙ্খ ঘোষ (১৯৩২-২০২১) বাংলা কবিতার এক কিংবদন্তি কবি, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। তাঁর কবিতায় দর্শন, অস্তিত্ব, সময় ও মানবিক সম্পর্কের গভীর প্রকাশ ঘটে। “তাই এত শুকনো হয়ে আছো” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা মানবিক সম্পর্ক ও প্রকৃতির এক অসাধারণ চিত্র।
শঙ্খ ঘোষ: দার্শনিক চিন্তার কবি
শঙ্খ ঘোষ (১৯৩২-২০২১) বাংলা কবিতার এক কিংবদন্তি কবি, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুরে (বর্তমান বাংলাদেশ) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মণীন্দ্রচন্দ্র ঘোষ এবং মাতা রেণুকা দেবী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং দীর্ঘদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দিনগুলি রাতগুলি’ (১৯৫৬) তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘মুখ ঢাকে সেই মুখ’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘পাণ্ডুলিপি’, ‘নিহিত পাতার কোলাহল’, ‘শঙ্খ ঘোষের শ্রেষ্ঠ কবিতা’, ‘তাই এত শুকনো হয়ে আছো’ প্রভৃতি। তাঁর কবিতায় দর্শন, অস্তিত্ব, সময় ও মানবিক সম্পর্কের গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ও পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন। তিনি ২০২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। “তাই এত শুকনো হয়ে আছো” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা মানবিক সম্পর্ক ও প্রকৃতির এক অসাধারণ চিত্র।
তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
কবিতার শিরোনামের তাৎপর্য
“তাই এত শুকনো হয়ে আছো” শিরোনামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি একটি প্রশ্ন, একটি সম্বোধন, একটি আবিষ্কার। কবি তাঁর প্রিয়জনকে বলছেন — তুমি তাই এত শুকনো হয়ে আছো? কারণ অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি। শিরোনামেই কবি ইঙ্গিত দিয়েছেন — এই কবিতা প্রকৃতি ও মানবিক সম্পর্কের অপূর্ব সম্মিলন।
প্রথম অংশের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি / তাই এত শুকনো হয়ে আছো এসো তোমার মুখ মুছিয়ে দিই / সকলেই শিল্প খোঁজে রূপ খোঁজে আমাদের শিল্পরূপে কাজ নেই / আমরা এখানে বসে দু-একটি মুহূর্তের শস্যফলনের কথা বলি” প্রথম অংশে কবি তাঁর প্রিয়জনকে সম্বোধন করেছেন। তিনি বলেছেন — অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি, তাই এত শুকনো হয়ে আছো। এসো তোমার মুখ মুছিয়ে দিই। সকলেই শিল্প খোঁজে, রূপ খোঁজে, আমাদের শিল্পরূপে কাজ নেই। আমরা এখানে বসে দু-একটি মুহূর্তের শস্যফলনের কথা বলি।
‘অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মেঘ প্রকৃতির প্রতীক। মেঘের সঙ্গে কথা বলা মানে প্রকৃতির সাথে সংযোগ রাখা, প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকা। তিনি অনেকদিন প্রকৃতির সাথে মেলামেশা করেননি, তাই তাঁর মধ্যে শুষ্কতা এসেছে।
‘এত শুকনো হয়ে আছো’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শুকনো — রসহীন, প্রাণহীন, শুষ্ক। প্রিয়জন হয়তো মানসিকভাবে শুষ্ক হয়ে গেছেন, আবেগহীন হয়ে গেছেন।
‘এসো তোমার মুখ মুছিয়ে দিই’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
মুখ মুছিয়ে দেওয়া — সান্ত্বনা দেওয়া, ভালোবাসা দেওয়া, শুষ্কতা দূর করা।
‘সকলেই শিল্প খোঁজে রূপ খোঁজে আমাদের শিল্পরূপে কাজ নেই’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
সবাই শিল্প খোঁজে, রূপ খোঁজে, কিন্তু তাঁদের কাজ শিল্পরূপে নয়, তাঁরা সাধারণ জীবনযাপন করেন।
‘আমরা এখানে বসে দু-একটি মুহূর্তের শস্যফলনের কথা বলি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
তাঁরা শিল্পের কথা না বলে, সাধারণ জীবনের কথা বলেন — শস্যের ফলন, মুহূর্তের আনন্দ।
দ্বিতীয় অংশের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“এখন কেমন আছো বহুদিন ছুঁয়ে তো দেখিনি শুধু জেনে গেছি ফাটলে ফাটলে / নীল ভগ্নাবশেষ জমে আছে / দেখো এই বীজগুলি ভিখারির অধম ভিখারি তারা জল চায় বৃষ্টি চায় / ওতপ্রোত অন্ধকারও চায় / তুমিও চেয়েছ ট্রামে ফিরে আসবার আগে এবার” দ্বিতীয় অংশে কবি প্রিয়জনের অবস্থা জানতে চেয়েছেন। তিনি বলেছেন — এখন কেমন আছো? বহুদিন ছুঁয়ে তো দেখিনি, শুধু জেনে গেছি ফাটলে ফাটলে নীল ভগ্নাবশেষ জমে আছে। দেখো এই বীজগুলি ভিখারির অধম ভিখারি — তারা জল চায়, বৃষ্টি চায়, ওতপ্রোত অন্ধকারও চায়। তুমিও চেয়েছ ট্রামে ফিরে আসবার আগে এবার।
‘ফাটলে ফাটলে নীল ভগ্নাবশেষ জমে আছে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ফাটলে ফাটলে — চোখের ফাটলে? মনের ফাটলে? নীল ভগ্নাবশেষ — নীল রঙের অবশেষ। হয়তো দুঃখ, কষ্টের চিহ্ন জমে আছে।
‘এই বীজগুলি ভিখারির অধম ভিখারি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
বীজগুলি ভিখারির মতো — তারা জল চায়, বৃষ্টি চায়, অন্ধকার চায়। তাদের কিছুই নেই, তারা শুধু চায়।
‘তুমিও চেয়েছ ট্রামে ফিরে আসবার আগে এবার’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রিয়জনও কিছু চেয়েছেন — ট্রামে ফিরে আসার আগে। হয়তো শেষবারের মতো কিছু চাওয়া।
তৃতীয় অংশের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“তাহলে কোনো দীর্ঘতম শেষকথা হোক / অবশ্য, কাকেই-বা বলে শেষ কথা। শুধু / দৃষ্টি পেলে সমস্ত শরীর গলে ঝরে যায় মাটির উপরে, / আর ভিখারিরও কাতরতা / ফেটে যায় শস্যের দানায় এসো মেঘ ছুঁয়ে বসি আজ বহুদিন পর ; / এই হলুদডোবানো সন্ধ্যাবেলা।।” তৃতীয় অংশে কবি শেষ কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — তাহলে কোনো দীর্ঘতম শেষকথা হোক। অবশ্য, কাকেই-বা বলে শেষ কথা। শুধু দৃষ্টি পেলে সমস্ত শরীর গলে ঝরে যায় মাটির উপরে। আর ভিখারিরও কাতরতা ফেটে যায় শস্যের দানায়। এসো মেঘ ছুঁয়ে বসি আজ বহুদিন পর — এই হলুদডোবানো সন্ধ্যাবেলা।
‘দীর্ঘতম শেষকথা’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শেষবারের মতো কিছু কথা বলা। কিন্তু শেষ কথা বলে কি কিছু আছে?
‘কাকেই-বা বলে শেষ কথা’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শেষ কথার কোনো সংজ্ঞা নেই। যা শেষ বলে মনে হয়, তা আসলে শেষ নয়।
‘দৃষ্টি পেলে সমস্ত শরীর গলে ঝরে যায় মাটির উপরে’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
দৃষ্টি — ভালোবাসার দৃষ্টি, মমতার দৃষ্টি। সেই দৃষ্টি পেলে মানুষ গলে যায়, মাটির সাথে মিশে যায়।
‘ভিখারিরও কাতরতা ফেটে যায় শস্যের দানায়’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ভিখারির কাতরতা, তার আকুতি — তা শস্যের দানায় ফেটে যায়। প্রকৃতি সব কিছু শুষে নেয়।
‘এসো মেঘ ছুঁয়ে বসি আজ বহুদিন পর ; / এই হলুদডোবানো সন্ধ্যাবেলা।।’ — শেষ পঙ্ক্তির তাৎপর্য
মেঘ ছুঁয়ে বসা — প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়া। হলুদডোবানো সন্ধ্যা — সোনালি সন্ধ্যা। এই সন্ধ্যায় তাঁরা মেঘ ছুঁয়ে বসবেন, প্রকৃতির সাথে মিশে যাবেন।
কবিতার সামগ্রিক তাৎপর্য
“তাই এত শুকনো হয়ে আছো” কবিতাটি মানবিক সম্পর্ক ও প্রকৃতির এক অসাধারণ চিত্র। কবি প্রথমে বলেছেন — অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি, তাই এত শুকনো হয়ে আছো। তিনি প্রিয়জনের মুখ মুছিয়ে দিতে চান। সবাই শিল্প খোঁজে, কিন্তু তাঁরা সাধারণ জীবনের কথা বলেন — শস্যফলনের কথা। তিনি জানতে চান — এখন কেমন আছো? বহুদিন ছোঁয়া হয়নি, কিন্তু জানেন ফাটলে ফাটলে নীল ভগ্নাবশেষ জমে আছে। বীজগুলি ভিখারির মতো — তারা জল চায়, বৃষ্টি চায়, অন্ধকার চায়। প্রিয়জনও কিছু চেয়েছেন ট্রামে ফিরে আসার আগে। তিনি বলেন — তাহলে দীর্ঘতম শেষকথা হোক। কিন্তু শেষ কথা বলে কি কিছু আছে? দৃষ্টি পেলে শরীর গলে মাটিতে মিশে যায়। ভিখারির কাতরতা ফেটে যায় শস্যের দানায়। তিনি আহ্বান জানান — এসো মেঘ ছুঁয়ে বসি বহুদিন পর, এই হলুদডোবানো সন্ধ্যাবেলা।
তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতার লেখক কে?
তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতার লেখক শঙ্খ ঘোষ (১৯৩২-২০২১)। তিনি বাংলা কবিতার এক কিংবদন্তি কবি, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। তাঁর কবিতায় দর্শন, অস্তিত্ব, সময় ও মানবিক সম্পর্কের গভীর প্রকাশ ঘটে।
প্রশ্ন ২: তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো মানবিক সম্পর্ক ও প্রকৃতির মেলবন্ধন। কবি তাঁর প্রিয়জনকে বলেন — অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি, তাই এত শুকনো হয়ে আছো। তিনি তাঁকে সান্ত্বনা দিতে চান, তাঁর মুখ মুছিয়ে দিতে চান। শেষে তিনি আহ্বান জানান — মেঘ ছুঁয়ে বসতে।
প্রশ্ন ৩: ‘অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি / তাই এত শুকনো হয়ে আছো’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘অনেকদিন মেঘের সঙ্গে কথা বলোনি / তাই এত শুকনো হয়ে আছো’ — মেঘ প্রকৃতির প্রতীক। মেঘের সঙ্গে কথা বলা মানে প্রকৃতির সাথে সংযোগ রাখা। তিনি অনেকদিন প্রকৃতির সাথে মেলামেশা করেননি, তাই তাঁর মধ্যে শুষ্কতা এসেছে।
প্রশ্ন ৪: ‘দেখো এই বীজগুলি ভিখারির অধম ভিখারি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘দেখো এই বীজগুলি ভিখারির অধম ভিখারি’ — বীজগুলি ভিখারির মতো — তারা জল চায়, বৃষ্টি চায়, অন্ধকার চায়। তাদের কিছুই নেই, তারা শুধু চায়।
প্রশ্ন ৫: ‘এসো মেঘ ছুঁয়ে বসি আজ বহুদিন পর ; / এই হলুদডোবানো সন্ধ্যাবেলা’ — শেষ পঙ্ক্তির তাৎপর্য কী?
‘এসো মেঘ ছুঁয়ে বসি আজ বহুদিন পর ; / এই হলুদডোবানো সন্ধ্যাবেলা’ — মেঘ ছুঁয়ে বসা মানে প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়া। হলুদডোবানো সন্ধ্যা — সোনালি সন্ধ্যা। এই সন্ধ্যায় তাঁরা মেঘ ছুঁয়ে বসবেন, প্রকৃতির সাথে মিশে যাবেন।
প্রশ্ন ৬: শঙ্খ ঘোষ সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
শঙ্খ ঘোষ (১৯৩২-২০২১) বাংলা কবিতার এক কিংবদন্তি কবি, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দিনগুলি রাতগুলি’ (১৯৫৬) তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ও পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন।
ট্যাগস: তাই এত শুকনো হয়ে আছো, শঙ্খ ঘোষ, শঙ্খ ঘোষের কবিতা, তাই এত শুকনো হয়ে আছো কবিতা, বাংলা কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, প্রকৃতির কবিতা, মানবিক সম্পর্কের কবিতা






