কবিতার খাতা

হঠাৎ নীরার জন্য – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
বাস স্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কালস্বপ্নে বহুক্ষণদেখেছি ছুরির মতো বিঁধে থাকতে সিন্ধুপারে–দিকচিহ্নহীন–বাহান্ন তীর্থের মতো এক শরীর, হাওয়ার…

বাস স্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কালস্বপ্নে বহুক্ষণদেখেছি ছুরির মতো বিঁধে থাকতে সিন্ধুপারে–দিকচিহ্নহীন–বাহান্ন তীর্থের মতো এক শরীর, হাওয়ার…

করুণা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিওআঙ্গুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও,এটুকু…

সব কথা তোমাকে জানাবো ভেবেছিলামকিনে এনেছিলাম আকাশী রঙের বিলিতি হাওয়াই চিঠিসে চিঠির অক্ষরে অক্ষরে লেখা যেতকেন তোমাকে এখনো চিঠি লেখার…

শাহানা, তুমি গোলাপী জামা প’রে জীবন্ত গোলাপের মতোক্যাম্পাসে এসো না, আমার খারাপ লাগে। সখী পরিবৃতা হয়ে মোগল-দুহিতার মতোকরিডোরে অমন ক’রে…

তুমি ভালো না বাসলেইবুঝতে পারি ভালোবাসা আছে।তুমি ভালো না বাসলেইভালোবাসা জীবনের নাম,ভালোবাসা ভালোবাসা বলেদাঁড়ালে দু’হাত পেতেফিরিয়ে দিলেইবুঝতে পারি ভালোবাসা আছে।না…
নয়ন তোমারে পায় না দেখিতেরয়েছ নয়নে নয়নে,হৃদয় তোমারে পায় না জানিতেহৃদয়ে রয়েছ গোপনে। বাসনা বসে মন অবিরত,ধায় দশ দিশে পাগলের…

এক কোটি বছর হয় তোমাকে দেখি নাএকবার তোমাকে দেখতে পাবোএই নিশ্চয়তাটুকু পেলে-বিদ্যাসাগরের মতো আমিও সাঁতরে পারহবো ভরা দামোদর… কয়েক হাজার…

খুব কাছে এসো না কোন দিনযতটা কাছে এলে কাছে আসা বলে লোকেএ চোখ থেকে ঐ চোখের কাছে থাকাএক পা বাড়ানো…

সেই কবে থেকে জ্বলছিজ্ব’লে জ্ব’লে নিভে গেছি ব’লেতুমি দেখতে পাও নি । সেই কবে থেকে দাঁড়িয়ে রয়েছিদাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাতিস্তম্ভের মতো…

তুমি যদি আমাকে না ভালোবাসো আরএই মুখে কবিতা ফুটবে না,এই কণ্ঠ আবৃতি করবে না কোনো প্রিয় পঙ্ক্তিমালাতাহলে শুকিয়ে যাবে সব…