হিরনবালা - হেলাল হাফিজ।

প্রস্থান- হেলাল হাফিজ।

এখন তুমি কোথায় আছো কেমন আছো, পত্র দিয়ো। এক বিকেলে মেলায় কেনা খামখেয়ালীর তাল পাখাটাখুব নিশীথে তোমার হাতে কেমন আছে,…

আরো পড়ুনপ্রস্থান- হেলাল হাফিজ।
দুজনের ভাত - নির্মলেন্দু গুণ।

ভগবান যা বললেন- নির্মলেন্দু গুণ।

ভগবান যা বললেন – নির্মলেন্দু গুণ | বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ ও সংগ্রহ ভগবান যা বললেন কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ নির্মলেন্দু…

আরো পড়ুনভগবান যা বললেন- নির্মলেন্দু গুণ।
ইয়েস বস - মল্লিকা সেনগুপ্ত।

মা- মল্লিকা সেনগুপ্ত।

মা শুনলে ভেসে ওঠে সিঁদুরের টিপলাল পেড়ে শাড়ি, কোলে দুধের সন্তানযামিনী রায়ের ছবি, সে তো তুমি নও !কোথায় লুকিয়ে আছ…

আরো পড়ুনমা- মল্লিকা সেনগুপ্ত।
এক প্রেমিকের স্বপ্ন - সিকদার আমিনুল হক।

এক প্রেমিকের স্বপ্ন – শিকদার আমিনুল হক।

তোমাকে আমার চাই, এই কথা ভুলি না কখনো!আপিসের দায় সেরে যখন রিকশায় বাড়ি ফিরি,লাঞ্চে রেস্তোরাঁয় গিয়ে এই মন্ত্র জপি মনে…

আরো পড়ুনএক প্রেমিকের স্বপ্ন – শিকদার আমিনুল হক।
হতে পারতো- রুদ্র গোস্বামী ।

হতে পারতো- রুদ্র গোস্বামী ।

আকাশ দেখতে আমার খুব ভালো লাগেহতে পারতো, ওই আকাশ দেখার জন্যইকেউ আমাকে ভালোবাসতো সমুদ্রে আমি যাইনি কখনওআমি নদী ভালোবাসিহতে পারতো,…

আরো পড়ুনহতে পারতো- রুদ্র গোস্বামী ।
পাখির কাছে ফুলের কাছে - আল মাহমুদ।

পাখির কাছে ফুলের কাছে – আল মাহমুদ।

নারকেলের ঐ লম্বা মাথায় হঠাৎ দেখি কালডাবের মতো চাঁদ উঠেছে ঠান্ডা ও গোলগাল।ছিটকিনিটা আস্তে খুলে পেরিয়ে গেলাম ঘরঝিমধরা এই মন্ত…

আরো পড়ুনপাখির কাছে ফুলের কাছে – আল মাহমুদ।
একদিন খুঁজেছিনু যারে - জীবনানন্দ দাস।

কুড়ি বছর পরে -জীবনানন্দ দাশ।

আবার বছর কুড়ি পরে তার সাথে দেখা হয় যদি!আবার বছর কুড়ি পরে-হয়তো ধানের ছড়ার পাশেকার্তিকের মাসে-তখন সন্ধ্যার কাক ঘরে ফেরে-তখন…

আরো পড়ুনকুড়ি বছর পরে -জীবনানন্দ দাশ।
মাটির শ্লোক – শ্রীজাত।

সাঁকো – শ্রীজাত

‘চলে গেলে কেন?’– এ-প্রশ্ন করা সোজা।‘থাকলেই হতো’– এ-কথা বলাও সহজ।দূর থেকে তবু কিছুতে যায় না বোঝা,কার বেঁচে থাকা কতখানি ভারবহ।…

আরো পড়ুনসাঁকো – শ্রীজাত
অনেক বছর পরে - পূর্ণেন্দু পত্রী।

চলে এলুম- দাউদ হায়দার।

চলে এলুম, তোমায় ছেড়ে চলে এলুমরইলো পড়ে ছেঁড়া মাদুর, ভাঙা সানকিজীর্ণ কাঁথা মলিন বালিশমুলিবাঁশের ছিদ্রবেড়া পঁচা ডোবামাটির ঝাঁপি পুরোনো কোদাল…

আরো পড়ুনচলে এলুম- দাউদ হায়দার।
সেই মেয়েটি - সৌমেন অনন্ত।

এক গাঁয়ে- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

আমরা দুজন একটি গাঁয়ে থাকি।সেই আমাদের একটিমাত্র সুখ।তাদের গাছে গায় যে দোয়েল পাখিতাহার গানে আমার নাচে বুক।তাহার দুটি পার্লন-করা ভেড়াচরে…

আরো পড়ুনএক গাঁয়ে- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।