কবিতার খাতা
- 20 mins
দু-একটা সুবিধে – সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।
শহরবাসের একটা সুবিধে এই
যা যা সে কেড়ে নেয়
তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে
তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয়
এই এত গাছপালা
নয়ন ভোলানো কত রঙের সবুজ
এসব যে আমার কাছ থেকে
কেড়ে নেওয়া হয়েছিল
সে তো আমি কবেই না ভুলেছি
এখন পার্বতী অরণ্যের মধ্যে আসতেই
ওদের নামগুলো ওরা বলতে থাকে
ধুপি টুন মহানিম খয়ের শিরীষ
অনাবিস্কৃত ডোবায় বুনো শাপলা –
আমি ওদের কথা শুনতে পাই
সেগুন মঞ্জরীর ম্যাজেন্টা লাল পোশাক
সবই দেখতে পাই
ফিরে আসার একটা সুবিধে এই
সবই মনে পড়ে !
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।
দু-একটা সুবিধে – সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় | দু-একটা সুবিধে কবিতা | সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা | বাংলা কবিতা
দু-একটা সুবিধে: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শহর, অরণ্য ও স্মৃতির অসাধারণ কাব্যভাষা
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের “দু-একটা সুবিধে” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা শহর, অরণ্য, স্মৃতি ও ফিরে আসার এক গভীর কাব্যিক অন্বেষণ। “শহরবাসের একটা সুবিধে এই / যা যা সে কেড়ে নেয় / তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে / তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয়” — এই পঙ্ক্তি দিয়ে শুরু হওয়া কবিতাটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত করে এক গভীর সত্য — শহর আমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু কেড়ে নেয়, কিন্তু সেই অভাবের দুঃখও ভুলিয়ে দেয়। আর অরণ্যে ফিরে এলে সব মনে পড়ে যায়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৫-২০২০) বাংলা চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রধানত একজন অভিনেতা হলেও তাঁর কবিতাও বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, শহর, স্মৃতি ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। “দু-একটা সুবিধে” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা শহর ও প্রকৃতির দ্বন্দ্বকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়: কিংবদন্তি অভিনেতা ও কবি
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৫-২০২০) বাংলা চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৩৫ সালের ১৯ জানুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রে তাঁর অসাধারণ অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত। ‘অপুর সংসার’, ‘দেবী’, ‘চারুলতা’, ‘ঘরে বাইরে’, ‘হীরক রাজার দেশে’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। কিন্তু তিনি শুধু অভিনেতাই নন, একজন শক্তিমান কবিও ছিলেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একটি কবিতা’ (১৯৭৫) তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘জলে ভিজতে চাই’, ‘ভালোবাসার শব্দ’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘দু-একটা সুবিধে’ প্রভৃতি। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, শহর, স্মৃতি ও মানবিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটে। তিনি ২০২০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। “দু-একটা সুবিধে” তাঁর একটি বহুপঠিত কবিতা যা শহর ও প্রকৃতির দ্বন্দ্বকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
দু-একটা সুবিধে কবিতার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
কবিতার শিরোনামের তাৎপর্য
“দু-একটা সুবিধে” শিরোনামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ‘দু-একটা’ — কয়েকটি, কিছু। ‘সুবিধে’ — সুবিধা, ভালো দিক। কবি এখানে শহরবাসের কয়েকটি সুবিধার কথা বলেছেন — কিন্তু সেই সুবিধাগুলো আসলে সুবিধা কি না, তা পাঠককে ভাবতে হবে। শিরোনামেই ইঙ্গিত — শহরের কিছু সুবিধে আছে, আবার ফিরে আসারও কিছু সুবিধে আছে।
প্রথম স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“শহরবাসের একটা সুবিধে এই / যা যা সে কেড়ে নেয় / তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে / তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয়” প্রথম স্তবকে কবি শহরবাসের একটি সুবিধার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — শহরবাসের একটা সুবিধে এই — যা যা সে কেড়ে নেয়, তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে, তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয়।
‘যা যা সে কেড়ে নেয়’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শহর আমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু কেড়ে নেয় — প্রকৃতি, গাছপালা, নীরবতা, শান্তি। শহর নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা এই সব হারাই।
‘তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে / তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয়’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
এটি শহরের এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য। যা কিছু কেড়ে নেয়, তার অভাবের দুঃখও শহর ভুলিয়ে দেয়। শহরের ব্যস্ততা, কোলাহল, কর্মযজ্ঞ আমাদের এমনভাবে মগ্ন রাখে যে আমরা হারানো জিনিসের কথা ভুলে যাই।
দ্বিতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“এই এত গাছপালা / নয়ন ভোলানো কত রঙের সবুজ / এসব যে আমার কাছ থেকে / কেড়ে নেওয়া হয়েছিল / সে তো আমি কবেই না ভুলেছি” দ্বিতীয় স্তবকে কবি তাঁর হারানো প্রকৃতির কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — এই এত গাছপালা, নয়ন ভোলানো কত রঙের সবুজ — এসব যে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, সে তো আমি কবেই না ভুলেছি।
‘নয়ন ভোলানো কত রঙের সবুজ’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রকৃতির সৌন্দর্য, গাছপালার বিভিন্ন রঙের সবুজ। শহরে এই সবুজ নেই, আছে শুধু কংক্রিটের জঙ্গল।
‘এসব যে আমার কাছ থেকে / কেড়ে নেওয়া হয়েছিল / সে তো আমি কবেই না ভুলেছি’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
শহর তাঁর কাছ থেকে প্রকৃতি কেড়ে নিয়েছিল। আর শহরের সেই প্রথম সুবিধে অনুযায়ী, তিনি সেই অভাবের দুঃখ ভুলে গিয়েছিলেন। শহর তাকে ভুলিয়ে দিয়েছিল।
তৃতীয় স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“এখন পার্বতী অরণ্যের মধ্যে আসতেই / ওদের নামগুলো ওরা বলতে থাকে / ধুপি টুন মহানিম খয়ের শিরীষ / অনাবিস্কৃত ডোবায় বুনো শাপলা – / আমি ওদের কথা শুনতে পাই / সেগুন মঞ্জরীর ম্যাজেন্টা লাল পোশাক / সবই দেখতে পাই” তৃতীয় স্তবকে কবি অরণ্যে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন — এখন পার্বতী অরণ্যের মধ্যে আসতেই ওদের নামগুলো ওরা বলতে থাকে — ধুপি, টুন, মহানিম, খয়ের, শিরীষ। অনাবিস্কৃত ডোবায় বুনো শাপলা। আমি ওদের কথা শুনতে পাই। সেগুন মঞ্জরীর ম্যাজেন্টা লাল পোশাক — সবই দেখতে পাই।
‘পার্বতী অরণ্য’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
পার্বতী অরণ্য — একটি নির্দিষ্ট অরণ্যের নাম? নাকি পার্বতী অর্থাৎ পাহাড়ি অরণ্য? এটি সম্ভবত কোনো প্রকৃত অরণ্যের নাম, অথবা কল্পিত অরণ্য।
গাছের নামের তাৎপর্য
ধুপি, টুন, মহানিম, খয়ের, শিরীষ — এই সব গাছের নাম। অরণ্যে প্রবেশ করতেই গাছগুলো নিজেদের নাম বলতে থাকে। অর্থাৎ প্রকৃতি তাঁকে আবার চিনিয়ে নিচ্ছে, তাঁর সাথে কথা বলছে।
‘অনাবিস্কৃত ডোবায় বুনো শাপলা’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
অনাবিস্কৃত ডোবা — যে ডোবা এখনও আবিষ্কৃত হয়নি, প্রকৃতির গোপন কোণ। সেখানে বুনো শাপলা ফুটে আছে। প্রকৃতির অজানা সৌন্দর্য।
‘সেগুন মঞ্জরীর ম্যাজেন্টা লাল পোশাক’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
সেগুন গাছের মঞ্জরী (ফুলের থোকা) ম্যাজেন্টা লাল রঙের পোশাক পরে আছে। এটি প্রকৃতির রঙিন সৌন্দর্যের চিত্র।
‘আমি ওদের কথা শুনতে পাই / সবই দেখতে পাই’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
অরণ্যে ফিরে এসে তিনি প্রকৃতির সঙ্গে আবার যোগাযোগ স্থাপন করতে পেরেছেন। তিনি গাছের কথা শুনতে পান, তাদের রঙ দেখতে পান। শহরের ভুলে যাওয়া সব কিছু আবার মনে পড়ে যায়।
চতুর্থ স্তবকের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
“ফিরে আসার একটা সুবিধে এই / সবই মনে পড়ে !” চতুর্থ স্তবকে কবি ফিরে আসার সুবিধার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন — ফিরে আসার একটা সুবিধে এই — সবই মনে পড়ে!
‘ফিরে আসার একটা সুবিধে এই’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রথম স্তবকে ছিল শহরবাসের সুবিধে — ভুলিয়ে দেওয়া। এখানে ফিরে আসার সুবিধে — মনে পড়ে যাওয়া। শহর ভুলায়, অরণ্য মনে করায়।
‘সবই মনে পড়ে !’ — শেষ পঙ্ক্তির তাৎপর্য
এই পঙ্ক্তিটি কবিতার চূড়ান্ত বার্তা। অরণ্যে ফিরে এসে তাঁর সব কিছু মনে পড়ে যায় — গাছের নাম, তাদের রঙ, তাদের কথা। শহর তাঁকে ভুলিয়ে দিয়েছিল, অরণ্য আবার মনে করিয়ে দিয়েছে।
কবিতার সামগ্রিক তাৎপর্য
“দু-একটা সুবিধে” কবিতাটি শহর ও অরণ্যের দ্বন্দ্ব, ভোলা ও মনে পড়ার চক্রের এক অসাধারণ চিত্র। কবি প্রথমে বলেছেন — শহরবাসের একটা সুবিধে এই যে যা যা সে কেড়ে নেয়, তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে, তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয়। তিনি নিজেই উদাহরণ দিয়েছেন — গাছপালা, নয়ন ভোলানো সবুজ — যা তাঁর কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, তিনি তা ভুলে গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পার্বতী অরণ্যে আসতেই গাছগুলো নিজেদের নাম বলতে থাকে — ধুপি, টুন, মহানিম, খয়ের, শিরীষ। অনাবিস্কৃত ডোবায় বুনো শাপলা। তিনি ওদের কথা শুনতে পান, সেগুন মঞ্জরীর ম্যাজেন্টা লাল পোশাক সবই দেখতে পান। শেষে তিনি বলেছেন — ফিরে আসার একটা সুবিধে এই — সবই মনে পড়ে!
দু-একটা সুবিধে কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: দু-একটা সুবিধে কবিতার লেখক কে?
দু-একটা সুবিধে কবিতার লেখক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৫-২০২০)। তিনি বাংলা চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রে তাঁর অসাধারণ অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত। পাশাপাশি তিনি একজন শক্তিমান কবিও ছিলেন।
প্রশ্ন ২: দু-একটা সুবিধে কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
দু-একটা সুবিধে কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো শহর ও অরণ্যের দ্বন্দ্ব, ভোলা ও মনে পড়ার চক্র। কবি দেখিয়েছেন — শহর আমাদের কাছ থেকে প্রকৃতি কেড়ে নেয়, কিন্তু সেই অভাবের দুঃখও ভুলিয়ে দেয়। অরণ্যে ফিরে এলে সব আবার মনে পড়ে যায়।
প্রশ্ন ৩: ‘শহরবাসের একটা সুবিধে এই / যা যা সে কেড়ে নেয় / তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে / তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভولিয়ে দেয়’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘শহরবাসের একটা সুবিধে এই / যা যা সে কেড়ে নেয় / তাদের অভাবে যে দুঃখ আসে / তা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয়’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি শহরের একটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন। শহর আমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু কেড়ে নেয় — প্রকৃতি, গাছপালা, নীরবতা। কিন্তু শহরের ব্যস্ততা, কোলাহল আমাদের সেই অভাবের দুঃখ ভুলিয়ে দেয়।
প্রশ্ন ৪: ‘এখন পার্বতী অরণ্যের মধ্যে আসতেই / ওদের নামগুলো ওরা বলতে থাকে / ধুপি টুন মহানিম খয়ের শিরীষ’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘এখন পার্বতী অরণ্যের মধ্যে আসতেই / ওদের নামগুলো ওরা বলতে থাকে / ধুপি টুন মহানিম খয়ের শিরীষ’ — এই পঙ্ক্তিতে কবি অরণ্যে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। অরণ্যে প্রবেশ করতেই গাছগুলো নিজেদের নাম বলতে থাকে। অর্থাৎ প্রকৃতি তাঁকে আবার চিনিয়ে নিচ্ছে, তাঁর সাথে কথা বলছে।
প্রশ্ন ৫: ‘ফিরে আসার একটা সুবিধে এই / সবই মনে পড়ে !’ — বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘ফিরে আসার একটা সুবিধে এই / সবই মনে পড়ে !’ — এই পঙ্ক্তিটি কবিতার চূড়ান্ত বার্তা। প্রথম স্তবকে ছিল শহরবাসের সুবিধে — ভুলিয়ে দেওয়া। এখানে ফিরে আসার সুবিধে — মনে পড়ে যাওয়া। অরণ্যে ফিরে এসে তাঁর সব কিছু মনে পড়ে যায় — গাছের নাম, তাদের রঙ, তাদের কথা।
প্রশ্ন ৬: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৫-২০২০) বাংলা চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রে তাঁর অসাধারণ অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত। পাশাপাশি তিনি একজন শক্তিমান কবিও ছিলেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একটি কবিতা’ (১৯৭৫) তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়।
ট্যাগস: দু-একটা সুবিধে, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা, দু-একটা সুবিধে কবিতা, বাংলা কবিতা, আধুনিক বাংলা কবিতা, শহরের কবিতা, অরণ্যের কবিতা, স্মৃতির কবিতা






