কবিতার খাতা
- 22 mins
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক – তসলিমা নাসরিন।
ওদেরই তাহলে স্বাধীনতা দেওয়া হোক,
ওদের জন্যই খুলে দেওয়া হোক অতপর অস্ত্রাগার।
তলোয়ারগুলো তুলে নিক, কোমরে গুঁজে নিক পিস্তল,
হাতে হাত-বোমা, দারুল ইসলামএর মন্ত্র মাথায় নিয়ে ওরা
না হয় বেরিয়ে পড়ুক, যেদিকে যত মুরতাদ পাক মুণ্ডু কেটে নিক।
মেয়েদের মারুক,
মেরে ফেলুক।
নতমস্তক নারীদের গায়ে বোরখা চাপিয়ে দিক,
ঘরবন্দি করুক।
ঘন ঘন পুত্র পয়দা করতে ঘরে ঘরে ধর্ষণ চলুক।
পৃথিবীর যত পুরুষ আছে, এক যোগে সবাই না হয় তালিবান হয়ে যাক,
আর্জেন্টিনা থেকে আইসল্যান্ড, মালদ্বীপ থেকে মরককো,
বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন ওদের দখলে চলে আসুক।
ইসলামের পবিত্র জমিতে পরম শ্রদ্ধায় মাথা ঠেকাক আমাদের জননেতাগণ।
মুকুট পরিয়ে দিক এক একটা জঙ্গির মাথায়।
কৃতকর্মের জন্য করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থণা করুক জননেতাগণ।
ধর্মান্ধর পা-ধোয়া পানি পান করে পূণ্যবান হোক আমাদের জননেতাগণ।
আরো কবিতা পড়তে ক্লিক করুন। তসলিমা নাসরিন।
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক – তসলিমা নাসরিন | বিতর্কিত বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ
তসলিমা নাসরিনের “ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিতর্কিত, প্রগতিশীল ও সামাজিক-রাজনৈতিক সমালোচনামূলক রচনা যা ধর্মীয় মৌলবাদ, নারী নির্যাতন ও রাজনৈতিক দ Opportunism এর তীব্র সমালোচনা করে। “ওদেরই তাহলে স্বাধীনতা দেওয়া হোক,/ ওদের জন্যই খুলে দেওয়া হোক অতপর অস্ত্রাগার।” – এই বিদ্রূপাত্মক ও তীক্ষ্ণ শুরুর লাইনগুলি কবিতার মূল সামাজিক-রাজনৈতিক সমালোচনার সুর নির্ধারণ করে। তসলিমা নাসরিনের এই কবিতায় ধর্মীয় মৌলবাদের ভয়াবহতা, নারীর প্রতি সহিংসতা, রাজনৈতিক সুবিধাবাদ এবং ধর্মনিরপেক্ষতার সংকট অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে উপস্থাপন করা হয়েছে। কবিতা “ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক” পাঠকদের হৃদয়ে সামাজিক সচেতনতা ও রাজনৈতিক প্রশ্নের গভীর প্রভাব বিস্তার করে এবং বাংলা সাহিত্যে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
কবি তসলিমা নাসরিনের সাহিত্যিক পরিচিতি
তসলিমা নাসরিন (জন্ম: ২৫ আগস্ট ১৯৬২) একজন বাংলাদেশী বহিষ্কৃত চিকিৎসক, নারীবাদী লেখিকা, ঔপন্যাসিক ও কবি। তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মে ধর্মীয় মৌলবাদ, নারী অধিকার ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সোচ্চার ভূমিকার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। ১৯৯৪ সালে ফতোয়া জারি হওয়ার পর তিনি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন এবং বর্তমানে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। তাঁর রচনাবলির মধ্যে “লজ্জা” উপন্যাস, “দুঃখবাদ” কবিতাসংগ্রহ, এবং “আমার ময়ূবাণী” স্মৃতিচারণমূলক রচনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তসলিমা নাসরিন ১৯৯৪ সালে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সাখারভ পুরস্কার লাভ করেন।
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতার ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
তসলিমা নাসরিন রচিত “ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক” কবিতাটি ১৯৯০-২০০০ সময়কালে রচিত, যখন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান, নারীর অধিকার লঙ্ঘন ও রাজনৈতিক ইসলামের প্রসার ঘটছিল। কবি তাঁর সময়ের তালিবান শাসন, নারী নির্যাতন, এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিবিদদের দ Opportunism এর বিরুদ্ধে এই কবিতার মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। “তলোয়ারগুলো তুলে নিক, কোমরে গুঁজে নিক পিস্তল,/ হাতে হাত-বোমা, দারুল ইসলামএর মন্ত্র মাথায় নিয়ে ওরা/ না হয় বেরিয়ে পড়ুক” – এই লাইন দিয়ে তিনি ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদের চিত্র তুলে ধরেন। কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে নারীবাদী প্রতিবাদের একটি মাইলফলক হিসেবে স্থান পেয়েছে।
কবিতার সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য ও শৈলীগত বিশ্লেষণ
“ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক” কবিতাটির ভাষা অত্যন্ত বিদ্রূপাত্মক, তীক্ষ্ণ ও প্রাবন্ধিক। কবি তসলিমা নাসরিন সরাসরি সম্বোধন ও বিদ্রূপের মাধ্যমে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। কবিতার গঠন একটি বক্তৃতার মতো, যেখানে কবি প্রথমে সমস্যা চিত্রিত করেছেন, পরে সমাধান বা বিকল্প প্রস্তাব করেছেন। “পৃথিবীর যত পুরুষ আছে, এক যোগে সবাই না হয় তালিবান হয়ে যাক,/ আর্জেন্টিনা থেকে আইসল্যান্ড, মালদ্বীপ থেকে মরককো” – এই চরণে কবি ধর্মীয় মৌলবাদের বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণের ভয়াবহতাকে বিদ্রূপের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। কবিতায় ব্যবহৃত ভাষা সরাসরি, নাটকীয় ও প্রভাবশালী।
কবিতার প্রধান থিম ও বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ
- ধর্মীয় মৌলবাদের সমালোচনা: ইসলামিক মৌলবাদের তীব্র বিরোধিতা
- নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ: বোরখা, ঘরবন্দিত্ব ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কণ্ঠ
- রাজনৈতিক সুবিধাবাদের সমালোচনা: জননেতাদের ধর্মান্ধদের প্রতি নতজানুতা
- সাম্প্রদায়িকতার বিরোধিতা: ধর্মভিত্তিক বিভাজন ও সহিংসতা
- প্রগতিশীল মানবতাবাদ: ধর্মনিরপেক্ষতা ও নারী অধিকারের পক্ষে অবস্থান
- বিদ্রূপাত্মক বর্ণনা: সমস্যার চরম রূপ কল্পনা করে সমালোচনা
কবিতার কাঠামোগত বিশ্লেষণ
| অংশ | লাইন | মূল বিষয় | অলংকার |
|---|---|---|---|
| প্রথম পর্ব | ১-৬ | মৌলবাদীদের স্বাধীনতা দেওয়ার বিদ্রূপ | অতিরঞ্জন, বিদ্রূপ |
| দ্বিতীয় পর্ব | ৭-১২ | নারী নির্যাতনের বর্ণনা | প্রত্যক্ষ বর্ণনা, চিত্রকল্প |
| তৃতীয় পর্ব | ১৩-২০ | বিশ্বব্যাপী মৌলবাদ সম্প্রসারণ | ব্যাঙ্গ, অতিরঞ্জন |
| চতুর্থ পর্ব | ২১-২৬ | রাজনৈতিক নেতাদের নতজানুতা | বিদ্রূপ, রূপক |
কবিতায় ব্যবহৃত প্রধান প্রতীক ও রূপকসমূহ
- অস্ত্রাগার খোলা: মৌলবাদীদের ক্ষমতা প্রদান
- তলোয়ার-পিস্তল: ধর্মীয় সহিংসতার প্রতীক
- দারুল ইসলাম: ইসলামিক রাষ্ট্রের ধারণা
- মুরতাদ: ধর্মত্যাগী, ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের প্রতি হুমকি
- বোরখা: নারীর স্বাধীনতা হরণের প্রতীক
- ঘরবন্দি নারী: নারীর গতিশীলতা সীমিতকরণ
- ধর্ষণ: নারীর শরীরে নিয়ন্ত্রণ
- তালিবান: ধর্মীয় মৌলবাদের চরম রূপ
- পা-ধোয়া পানি: রাজনৈতিক নেতাদের চরম নতজানুতা
- মুকুট পরানো: মৌলবাদীদের আনুষ্ঠানিক ক্ষমতায়ন
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতার সামাজিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্য
তসলিমা নাসরিনের “ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক” কবিতায় কবি বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় মৌলবাদের বিস্তার, নারীর অধিকার হরণ, এবং রাজনৈতিক নেতাদের সুবিধাবাদী মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করেছেন। “ইসলামের পবিত্র জমিতে পরম শ্রদ্ধায় মাথা ঠেকাক আমাদের জননেতাগণ।” – এই বিদ্রূপাত্মক লাইনের মাধ্যমে কবি বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর প্রতি নমনীয়তাকে ব্যঙ্গ করেন। কবিতাটি পাঠককে ধর্মনিরপেক্ষতা, নারী অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সম্পর্কে পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করে।
কবিতার ভাষাগত ও শৈল্পিক বিশেষত্ব
“ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক” কবিতায় তসলিমা নাসরিন যে সাহসিকতা ও শৈল্পিক দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন তা বাংলা সাহিত্যে বিরল। কবিতাটির ভাষা অত্যন্ত প্রত্যক্ষ, বিদ্রূপাত্মক ও প্রভাবশালী। কবি বাস্তবতার চরম রূপ কল্পনা করে সমস্যার গুরুত্ব পাঠকদের বুঝিয়েছেন। “ধর্মান্ধর পা-ধোয়া পানি পান করে পূণ্যবান হোক আমাদের জননেতাগণ।” – এই চরণে কবি রাজনৈতিক নেতাদের চরম আত্মসমর্পণের চিত্র বিদ্রূপের মাধ্যমে এঁকেছেন। কবিতায় ব্যবহৃত অতিরঞ্জন ও বিদ্রূপ শৈল্পিক অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতা সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতার লেখক কে?
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতার লেখক বিতর্কিত বাংলাদেশী নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি ধর্মীয় মৌলবাদ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক কবিতার মূল বিষয় হলো ধর্মীয় মৌলবাদের তীব্র সমালোচনা, নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ, রাজনৈতিক সুবিধাবাদের বিরোধিতা এবং ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদের পক্ষে অবস্থান। কবিতাটি বিদ্রূপাত্মক ভাষায় সমস্যার চরম রূপ কল্পনা করে সমাধানের আহ্বান জানায়।
তসলিমা নাসরিন কেন বিতর্কিত?
তসলিমা নাসরিন তাঁর সাহিত্যকর্মে ইসলাম ধর্ম ও ধর্মীয় মৌলবাদের সমালোচনা, নারীবাদী অবস্থান এবং ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সোচ্চার ভূমিকার জন্য বিতর্কিত। ১৯৯৪ সালে তাঁর উপন্যাস “লজ্জা” প্রকাশের পর বাংলাদেশে ফতোয়া জারি হয় এবং তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।
কবিতায় “তালিবান” শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
কবিতায় “তালিবান” শব্দটি ধর্মীয় মৌলবাদের চরম রূপ, নারী নির্যাতনকারী, এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধবিরোধী শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কবি এখানে শুধু আফগান তালিবান নয়, বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় মৌলবাদী শক্তিকে বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
কবিতার বিদ্রূপাত্মক ভাষার উদ্দেশ্য কী?
কবিতার বিদ্রূপাত্মক ভাষার উদ্দেশ্য হলো সমস্যার গুরুত্ব ও ভয়াবহতা পাঠকদের কাছে স্পষ্ট করা। কবি সমস্যার চরম রূপ কল্পনা করে দেখিয়েছেন যে বর্তমান পথে অগ্রসর হলে সমাজ কোথায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে। বিদ্রূপের মাধ্যমে তিনি পাঠককে সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করেন।
তসলিমা নাসরিনের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনা কোনগুলো?
তসলিমা নাসরিনের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে “লজ্জা” (উপন্যাস), “দুঃখবাদ” (কবিতাসংগ্রহ), “আমার ময়ূবাণী” (স্মৃতিচারণ), “নির্বাসন” (আত্মজীবনী), “খোলা খাতা” (কলাম সংকলন) প্রভৃতি।
কবিতায় “জননেতাগণ” বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
কবিতায় “জননেতাগণ” বলতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতাদের বোঝানো হয়েছে যারা ধর্মীয় মৌলবাদী শক্তির কাছে নতজানু বা সুবিধাবাদী নীতি গ্রহণ করেন। কবি তাদের সমালোচনা করেছেন ধর্মান্ধদের প্রতি নমনীয়তা প্রদর্শনের জন্য।
এই কবিতাটি কোন সাহিত্যিক ধারার অন্তর্গত?
এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রতিবাদী কবিতা, নারীবাদী কবিতা, রাজনৈতিক কবিতা, এবং প্রগতিশীল সাহিত্যের ধারার অন্তর্গত। এটি সামাজিক বাস্তবতা ও রাজনৈতিক সমালোচনামূলক কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
কবিতাটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কবিতাটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ধর্মীয় মৌলবাদ, নারী নির্যাতন এবং রাজনৈতিক সুবিধাবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে অবস্থান নিয়েছে। কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে নারীবাদী ও প্রগতিশীল চিন্তার একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
কবিতার শিক্ষণীয় দিক
- ধর্মীয় মৌলবাদের বিপদ সম্পর্কে সচেতনতা
- নারী অধিকার ও স্বাধীনতার গুরুত্ব
- রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীলতা
- ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা
- সাহিত্যের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের ভূমিকা
- বিদ্রূপাত্মক ভাষার মাধ্যমে সমালোচনার কৌশল
সম্পর্কিত কবিতা পড়ার সুপারিশ
- “বেদেনী” – কাজী নজরুল ইসলাম
- “নারী” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- “আমি কিংবদন্তির কথা বলছি” – মাহমুদ দারবিশ
- “বিদ্রোহী” – কাজী নজরুল ইসলাম
- “স্বাধীনতা তুমি” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ট্যাগস: ওরাই তাহলে পৃথিবী শাসন করুক, তসলিমা নাসরিন, তসলিমা নাসরিন কবিতা, বাংলা কবিতা, নারীবাদী কবিতা, বিতর্কিত কবিতা, প্রতিবাদী কবিতা, রাজনৈতিক কবিতা, ধর্মীয় মৌলবাদ কবিতা, বাংলাদেশী কবিতা, নির্বাসিত কবি, সাখারভ পুরস্কার, বাংলা সাহিত্য, কবিতা সংগ্রহ, কবিতা বিশ্লেষণ




