কবিতার খাতা

কালো বস্তির পাঁচালি – বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
কালো রাত কাটে না, কাটে নাএতো ডাকি, রোদ্দুর এই পথে হাঁটে নাঘরে না মাঠে নাসূয্যিঠাকুর শোনো, সূয্যিঠাকুর গোআমাদের খোকা খুকু…

কালো রাত কাটে না, কাটে নাএতো ডাকি, রোদ্দুর এই পথে হাঁটে নাঘরে না মাঠে নাসূয্যিঠাকুর শোনো, সূয্যিঠাকুর গোআমাদের খোকা খুকু…

খাওয়া হয়নি শালিধানের চিঁড়েখাওয়া হয়নি সোনামুগের ডাল,দেখা হয়নি পুণ্যিপুকুর ব্রতস্বপ্নে আমার বউ আসেনি কাল ও জ্বর, তুমি এসোনা এক্ষুণি- ছোঁয়া…

( ও পলাশ, ও শিমুল, কেন এ মন মোর রাঙালে, জানিনা জানিনাআমার এ ঘুম কেন ভাঙালে… চিরদিনের বাংলা গান )…

ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায় , জল ছুঁয়ে ঠোঁটেঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে শুকতারাটি ছাদের ধারে , চাঁদ থামে তালগাছেঘুমপাড়ানি…

(তুমি এলে সূর্যোদয় হয়) যে টেলিফোন আসার কথা সে টেলিফোন আসেনি।প্রতীক্ষাতে প্রতীক্ষাতেসূর্য ডোবে রক্তপাতেসব নিভিয়ে একলা আকাশ নিজের শূন্য বিছানাতে।একান্তে…

(আয়ান ঘোষ শাক্ত ছিলেন জানা যায়। তাই যদি, অ-‘কারণ’ ছিলেন না আশা করি …) আমার চাকা চলছে চাঁদের দিকে সোজাআমার…

আসমানের তারা সাক্ষীসাক্ষী এই জমিনের ফুল,এই নিশিরাইত বাঁশবাগান বিস্তর জোনাকি সাক্ষীসাক্ষী এই জারুল জামরুল, সাক্ষী পুবের পুকুর,তার ঝাকড়া ডুমুরের ডালে…

কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত,রাখালেরা পুনর্বার বাঁশিতে আঙুল রেখেরাখালিয়া বাজাবে বিশদ।কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে…

সেই যে হঠাৎ নদীর ধারে নৌকো এলো,বাদামি রঙ পালের সাথে তুমুল হাওয়া,হাওয়ায় সওয়ার ঘোড়ার মতন ঝড়ও এলো।সেই ঝড়ে আর ঘর…

শহরবাসের একটা সুবিধে এইযা যা সে কেড়ে নেয়তাদের অভাবে যে দুঃখ আসেতা সে ধুয়ে মুছে দিয়ে ভুলিয়ে দেয় এই এত…