কবিতার খাতা

চিঠিপত্র – তারাপদ রায়।
সুখ নেই, দুঃখও করি না।মধ্যে মধ্যে চিঠি দিওযে কোন পরগণায় থাকো, যাকে ইচ্ছে খাজনা টাজনা দাওশুধু মনে করে প্রীতি, কুশল…

সুখ নেই, দুঃখও করি না।মধ্যে মধ্যে চিঠি দিওযে কোন পরগণায় থাকো, যাকে ইচ্ছে খাজনা টাজনা দাওশুধু মনে করে প্রীতি, কুশল…

পিঠে নিয়ে রিসার্চ করেপতিতপাবন শেঠ,এ বছরে’ই পাটনা থেকেপেলেন ‘ডক্টরেট’! আস্কে পিঠেয় ফোস্কা কেন,দেহে ক’শো গর্ত,কোথায় পিঠের জন্মভুমি…স্বর্গ নাকি মর্ত্য? পাটিসাপটা…

আমি একটি বন্ধু খুঁজছিলাম যে আমারপিতৃশোক ভাগ করে নেবে, নেবেআমার ফুসফুস থেকে দূষিত বাতাস; বেড়ে গেলে শহরময় শীতের প্রকোপতার মুখ…

জীবনভর কিছু উস্কানিতাতেই জ্বলে ওঠে তোমার দেশযেখানে বাস করো তারা তোমায়দেখিয়ে দিতে পারে শেষের শেষ। শেষের শেষ থেকে আরম্ভনিজের হাতে…

ওদেরই তাহলে স্বাধীনতা দেওয়া হোক,ওদের জন্যই খুলে দেওয়া হোক অতপর অস্ত্রাগার।তলোয়ারগুলো তুলে নিক, কোমরে গুঁজে নিক পিস্তল,হাতে হাত-বোমা, দারুল ইসলামএর…

আর মঞ্চে চড়াবো না মালাতোমাদের নামে জমাবো না কৃত্রিম লাল ফুলের স্তূপ—তোমাদের ঠিকানা এখন এই হৃদয়ের সেই গুহামুখযেখানে নীরব ধ্বনি…

একটা কুঁড়ি ফুটতে ফুটতে অবাক চোখে তাকিয়েসজনে ফুলের চাদর বিছিয়ে এক টুকরো ঘাসেএক দঙ্গল কচিকাঁচা চোখের জলে গাইছে-আমার ভাইয়ের রক্তে…

কিছুটা সে মেনে নিয়েছিলকরেছিল দু-একটা রফাস্মরণীয় রোদ্দুর থেকেতবুও সে দেয়নি ইস্তফা তবুও সে দেয়নি ইস্তফানদীর ধারার কাছে এসে- সারেঙ কি…

–সাত-সকালে সলতে পাকাচ্ছো কেন?–সন্ধ্যাবাতি জ্বালবো তো, তার জন্য।–তাই? আমি ভাবলাম, –আমার জন্য। তুমি বললে, — ইস্, বালাই ষাট,তোমার আগে আমিই…

আমি এখন কাঠগড়ায় নই,তবু চারদিকে প্রশ্ন দাঁড়িয়ে আছে—লোহার মতো ঠান্ডা,পাথরের মতো নিশ্চুপ।শহরটা আজ খুব স্বাভাবিক।ট্রেন ঠিক সময়েই ছুটে যাচ্ছে,সাইকেলের চাকা…